মিলু শামস।।
সাধারণ মানুষ অভিভাবক হিসেবে শিক্ষা নিয়ে এত ঘনঘন ‘এক্সপেরিমেন্টের’ শিকার হতে হতে বিধ্বস্ত। কম তো হলো না এ যাবৎ। শোনা যায়, একবার নাকি পাশ্চাত্যের এক পশু মনস্তত্ত্ববিদ এসেছিলেন এদেশের মানব শিশুদের ওপর শিক্ষাবিষয়ক গবেষণা করতে। এখন অবশ্য দেশেই প্রচুর ‘বিশেষজ্ঞ’ আছেন। যাঁরা শিক্ষা নিয়ে নতুন নতুন ‘নিরীক্ষা’ করছেন। নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করছেন। এক পদ্ধতি ঢাকঢোল পিটিয়ে চালু করলেন- কয়েক বছর চলল। তারপর আরেক দল আরেক পদ্ধতি আবিষ্কার করে চালালেন আরও কয়েক বছর। দেখা গেল এ পদ্ধতি তেমন ফল দিচ্ছে না, সুতরাং আবার বদল।
এভাবেই চলছে বছরের পর বছর আদি ভারতের শিক্ষা বঞ্চিতরা টাইম মেশিনে করে ভবিষ্যতে আসতে পারলে দেখতেন শিক্ষা এখন জিপিএ-৫ নামের অভিনব মোড়কে যেখানে সেখানে ছড়িয়ে আছে। অথচ শুধু শূদ্র হয়ে জন্মানোর ‘অপরাধে’ যুগ যুগ ধরে শিক্ষা ছিল তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। শিক্ষার অধিকার ছিল শাসক, ব্রাহ্মণ সুবিধাভোগীদের। আর তা অর্জনের মূল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতো বেদ পাঠের মধ্য দিয়ে।
শূদ্রদের জন্য বেদপাঠ নিষিদ্ধ ছিল। যার অর্থ তাদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল শিক্ষা। ভারতীয় বিখ্যাত গুরুমুখী বিদ্যার প্রচলনই হয়েছিল মূলত বৃহত্তর এ জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখার সুচতুর উদ্দেশ্যে। গুরুমুখী বিদ্যার বৈশিষ্ট্য হলো শুনে শেখা। গুরুর মুখে শোনা বেদমন্ত্র শিষ্য মুখস্থ করত। শিষ্যর মুখ থেকে তার শিষ্য এভাবে গুরু-শিষ্য পরম্পরায় বেদপাঠ নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে সীমিত ছিল। বেদমন্ত্রের গ্রন্থিত বা লিখিত রূপ না থাকায় কপি করে বা লুকিয়ে পড়ার সুযোগও শূদ্রদের ছিল না। অহঙ্কারী ব্রাহ্মণ্য শিক্ষা পদ্ধতি শিক্ষাকে সেই শুরু থেকেই সাধারণের নাগালের বাইরে রাখার চক্রান্ত করেছিল। ইংরেজ আমলে শাসন-শোষণকে সুসংগঠিত প্রক্রিয়ার মধ্যে আনার জন্য শিক্ষাকেও সুশৃঙ্খল কাঠামো দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়।
এ কাজ তারা করেছিল কৃত্রিম উপায়ে। ইংরেজ শাসনের আগে ভারতে একক একটি শিক্ষা কাঠামো না থাকলেও পাঠশালার মধ্য দিয়ে নিজস্ব শিক্ষা পদ্ধতি চালু ছিল। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের বাস্তব জ্ঞান দেওয়া। নিজস্ব এ শিক্ষা পদ্ধতিকে বিকশিত করার সুযোগ না দিয়ে ইংরেজরা পাঠশালা ম্যানেজমেন্টকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় বাইরে থেকে একে ইউরোপীয় ধাঁচের কাঠামো মনে হলেও শিক্ষার অন্তর্গত রূপটি হয়ে পড়ে দাস মনস্তত্ত্ব¡ নির্ভর। ‘ভারতীয় মহা বিদ্রোহ’ বইয়ে প্রমোদ সেনগুপ্ত বিষয়টি এভাবে বলেছেন, ‘হাজিরা খাতা রক্ষা, ‘পাঠ্যক্রম বিন্যস্ত করা এবং বিভিন্ন শ্রেণির জন্য ভিন্ন ভিন্ন আসন নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা বোধ ছিল পাঠশালাসমূহকে পাশ্চাত্য ভাবাদর্শে পুনর্গঠনের ভাবনারই অন্তর্নিহিত দিক।
ইংরেজ প্রবর্তিত নতুন শিক্ষারীতির বাহ্যরূপ ইউরোপীয় হলেও কার্যত তা হয়, ঔপনিবেশিক দাসতান্ত্রিক শিক্ষারীতি। অনিয়মিত উপস্থিতি ও ছাত্র বেতনের অনাদায়কে এ সময় অপরাধ হিসেবে গণ্য করে শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সনাতন পাঠশালা ব্যবস্থার মূল উপাদানই ছিল সারল্য ও আন্তরিকতা। ছাত্র-শিক্ষকরা কোনো কড়া আইনের বাঁধনে বাঁধা ছিল না। কিন্তু এক্ষণে প্রথমবারের মতো বিশেষ অপরাধের জন্য বিশেষ শাস্তি দানের ব্যবস্থা করা হলো। গুরু ধীরে ধীরে একজন সামান্য সরকারি ভৃত্যে পরিণত হতে থাকলেন।’ এই ভৃত্যে পরিণত হওয়া শিক্ষকরাই নানা স্তরে এরপর যে শিক্ষা দিতে থাকলেন তা ভৃত্য মানসিকতাই তৈরি করল।
শিক্ষার সামগ্রিক যে দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হলো তা পুরোপুরি ঔপনিবেশিক। ইংরেজ কবি ও পার্লামেন্টারিয়ান টমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলেকে আমদানি করা হয়েছিল ব্রিটিশ-ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল রূপ দেওয়ার জন্য। প্রশাসন পুলিশ বিচার রাজস্ব ব্যবস্থার পাশাপাশি একটি নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা ব্যবস্থা থাকলেই ঔপনিবেশিক শোষণ প্রক্রিয়াটি সুসংগঠিত রূপ পায়।
অর্পিত দায়িত্ব ম্যাকলে ভালোই পালন করেছিলেন। তাঁর প্রণীত শিক্ষানীতি সমাজে একটি গোষ্ঠী তৈরি করেছিল, যাঁরা দেশের জনগণের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের উঁচুস্তরের মানুষ মনে করতেন। ম্যাকলের মনের ভাবটিও ছিল তাই ‘এই শিক্ষা ব্যবস্থা এখানে অনেক কালো সাহেবের জন্ম দেবে। গায়ের রং পাল্টানো না গেলেও এ নতুন শিক্ষিতরা ইংরেজ স্বার্থ উদ্ধারে আত্মনিয়োগ করবে।’ এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান পর্ব পেরিয়ে বাংলাদেশ পর্বে শিক্ষা এখন পুঁজির নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি বিপণনযোগ্য পণ্য।
শতকরা নব্বই ভাগ জিপিএ-৫ তাই পুঁজির প্রলোভনকে যত নিশ্চিত করে, শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য চিত্ত বিকাশের সম্ভাবনাকে ততই খারিজ করে। প্রায় কিছুই না পড়ে বা পাঠ্যবই সম্পর্কে সামান্য ধারণা নিয়ে এই যে শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে, এর গুণগতমান নিয়ে দায়িত্বশীল প্রশ্ন তোলার সময় হয়েছে। এখন তো শোনা যাচ্ছে, পরীক্ষা পদ্ধতিই নাকি থাকবে না।
আগে ভালো ছাত্রছাত্রীদের অনেকেরই মূল লক্ষ্য থাকত বিজ্ঞান, গণিত বা অর্থনীতির মেজর ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করে শিক্ষার পরিপূর্ণতা উপলব্ধির দিকে। এখন এসব মৌলিক বিষয়ের দিকে আগ্রহ প্রায় শূন্যের কোঠায়। শিক্ষার মূল লক্ষ্য আবর্তিত এখন জব অপরচুনিটিকে কেন্দ্র করে। তাই শিক্ষার্থীদের মূল মনোযোগ বিবিএ-এমবিএ ইত্যাদির দিকে। শিক্ষা ব্যবস্থা জব অপরচুনিটিকেন্দ্রিক হওয়ায় রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, ‘চিত্ত বিকাশ’-এর পথ এখন প্রায় পুরোপুরি বন্ধ। চিত্তের বিকাশ মূলত হয় শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্র জীবনে।
সে জীবন যদি পুরোটাই জিপিএ-৫ এর ফ্রেমে আবদ্ধ হয়ে পড়ে, তাহলে তার পরিণাম অন্তঃসারশূন্য হওয়াই স্বাভাবিক। এ বছর প্রণীত কয়েকটি শ্রেণির পাঠ্য পুস্তক দেখলে মনে হয়, স্কুল পাঠ্যবই পড়ে শিক্ষার্থীর শেখার বুঝি আর কিছু রইল না। যদিও এ নিয়ে শিক্ষাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরাই ভালো বলতে পারবেন। তবে এটুকু বলা যায়, সাধারণ মানুষ অভিভাবক হিসেবে শিক্ষা নিয়ে এত ঘনঘন ‘এক্সপেরিমেন্টের’ শিকার হতে হতে বিধ্বস্ত’। কম তো হলো না এ যাবৎ।
শোনা যায়, একবার নাকি পাশ্চাত্যের এক পশু মনস্তত্ত্ববিদ এসেছিলেন এদেশের মানব শিশুদের ওপর শিক্ষাবিষয়ক গবেষণা করতে। এখন অবশ্য দেশেই প্রচুর ‘বিশেষজ্ঞ’ আছেন। যাঁরা শিক্ষা নিয়ে নতুন নতুন ‘নিরীক্ষা’ করছেন। নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করছেন। এক পদ্ধতি ঢাকঢোল পিটিয়ে চালু করলেন- কয়েক বছর চলল। তারপর আরেক দল আরেক পদ্ধতি আবিষ্কার করে চালালেন আরও কয়েক বছর।
দেখা গেল এ পদ্ধতি তেমন ফল দিচ্ছে না, সুতরাং আবার বদল। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর। বলার অপেক্ষা রাখে না এর সঙ্গে রাজনৈতিক ওঠানামা বা ক্ষমতা বদলের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের গিনিপিগ বানিয়ে এ ধরনের গবেষণা বা এক্সপেরিমেন্ট কি চলতেই থাকবে? আসলে ভারতীয় সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত করে ইংরেজরা যে চূড়ান্ত ক্ষতি করে গেছে, একটি স্বাধীন ভূখ- পাওয়ার পরও সে ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।
তাদের নিজেদের দেশে সামন্ততন্ত্রের অবসানের পর যখন নতুন বুর্জোয়া সমাজ গড়ে উঠছে, সে সময় এখানে তারা চিরস্থায়ী বন্দোবস্তর নামে তৈরি করল একটি কৃত্রিম সামন্তগোষ্ঠী। রায় বাহাদুর, খান বাহাদুর, নবাব, রাজা, মহারাজা উপাধি দিয়ে এ বন্দোবস্তের প্রতিনিধি হিসেবে একটি জমিদার শ্রেণির আবির্ভাব হলো কিন্তু তাদের হাতে সামন্ত প্রভুর ক্ষমতা ছিল না। শাসন বা বিচার ক্ষমতা রইল প্রভু ইংরেজদের হাতে। সামন্ত প্রভুর মূল ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করে তাদের যা দেওয়া হয়েছিল তাহলো লুটপাটের ক্ষমতা।
স্বাভাবিকভাবেই ইংল্যান্ডে সামন্তবাদের স্বাভাবিক বিকাশের পর যেভাবে পুঁজিবাদ এসেছিল, এখানে একেবারেই তা হয়নি। বিকৃতির সেই পথ ধরেই আজও চলছে এ দেশের সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে পৃথিবীজোড়া বাণিজ্য পুঁজির মুক্তপ্রবাহ। সুতরাং শিক্ষাকে স্বাভাবিক গতি পথে ফিরিয়ে আনার কাজটি যথেষ্ট কষ্টকর, পরিবর্তন চাইলে ওই কষ্টের পথে পা বাড়াতে হবে। শিক্ষা সমাজ বিচ্ছিন্ন কিছু নয়।
সমাজের লক্ষ্যের সঙ্গে এর লক্ষ্য জড়িত। সামন্তবাদী সমাজে শিক্ষার যে প্রয়োজন, পুঁজিবাদী সমাজের প্রয়োজন তা থেকে আলাদা। সামন্ততান্ত্রিক সমাজের চাহিদা মেনে এক সময় অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম হয়েছিল ধর্মচর্চার কেন্দ্র হিসেবে। কিন্তু যখনই সমাজে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে, সমাজ বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সেক্যুলার মননচর্চার পরিসর তৈরি হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধর্মচর্চার কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের পরিচয় ঘুচিয়ে সেক্যুলার মননচর্চার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
আজকের দিনে কারও পক্ষে কি কল্পনা করা সম্ভব অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম হয়েছিল নির্ভেজাল ধর্মচর্চার জন্য? সমাজের প্রবণতাই নির্ধারণ করে শিক্ষার স্বরূপ। তাই বলে উল্টোপাল্টা, মনগড়া কিছু চাপিয়ে দেওয়া নয়। সুষ্ঠু নীতিমালার ভিত্তিতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে স্থায়ী শিক্ষানীতি থাকা জরুরি। কারিকুলামে পরিবর্তন এলে তাও হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক।
প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক তাঁর এক লেখায় বলেছিলেন, ‘এটা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাতে সম্ভব যে দেশের একজন নাগরিক প্রাথমিক শিক্ষায় ঢুকে উচ্চ শিক্ষার ভেতর দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বেরিয়ে আসতে পারেন, শিক্ষা বস্তুটি দ্বারা এতটুকু স্পর্শিত না হয়ে। মানুষকে এমন চরম অপদার্থ ও অকর্মণ্য বানানোর কারখানা দুনিয়ার আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।’
এ কারখানার গোড়াপত্তন করে গেছে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকরা। তাতে আজও মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। বরং স্বাধীনতার পর নিয়মতান্ত্রিক সরকারের পথরোধ হওয়া ও সামরিক শাসনের আধিপত্য শিক্ষার গতিমুখকে কেবল নিচের দিকেই টেনেছে। এ অবস্থা বদলাতে শক্ত মেরুদণ্ড নিয়ে দাঁড়াতে হবে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে।
পরিমাণগত পরিসংখ্যানের চেয়ে গুণগত পরিসংখ্যানকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যও অনেক। গ্রাম শহরের বৈষম্য, মাদ্রাসা, ইংরেজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম, ক্যাডেট কলেজ ইত্যাদির পারস্পরিক দ্বন্দ্ব বৈষম্য নিয়ে চলছে শিক্ষার প্রক্রিয়া। এত অসঙ্গতি নিয়ে একটি স্বাভাবিক শিক্ষা ব্যবস্থা এগোতে পারে না।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৭/১২/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
“মুক্তমত ও সাক্ষাৎকার কলামে প্রকাশিত নিবন্ধ লেখকের নিজস্ব। শিক্ষাবার্তা’র সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, শিক্ষাবার্তা কর্তৃপক্ষের নয়।”
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
