নিউজ ডেস্ক।।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে কারিকুলাম সংশোধন করছে সরকার। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ কারিগরি ও আইসিটি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এদিকে সরকার দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভার্সন চালু করার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। একই সঙ্গে বলেছেন, প্রথমে আমরা প্রত্যেক বিভাগে অন্তত একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় ইংলিশ ভার্সন করতে চাচ্ছি।
রবিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রাথমিক স্কুল শিক্ষকদের ইংরেজি বিষয়েন মাস্টার ট্রেইনারদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলমসহ বৃটিশ কাউন্সিল এবং বৃটিশ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে কারিকুলাম সংশোধন করা হচ্ছে। শিক্ষার মানোন্নয়ণের লক্ষ্যে সরকার শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ কারিগরি ও আইসিটি শিক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা ১২ বছর ধরে বাধ্যতামূলকভাবে ইংরেজি পড়ছে। কিন্তু তাদের অনেকে ইংরেজীতে দুর্বল। এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ব্রিটিশ কাউন্সিল যে শিক্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ইংরেজি ভার্সন চালু করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আকর্ষণীয় করে তুলতে এমন চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে দুই হাজার শিক্ষককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন,মূলত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ভার্সন চালু করার চিন্তা রয়েছে। এটি চালু হলে প্রাথমিকের বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ভার্সনেও পড়ার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। প্রথম পর্যায়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় পর্যায়ে পাইলটিং হিসেবে ইংরেজি ভার্সনের ক্লাস শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব স্কুলে এটি চালু করা হবে। এজন্য দুই হাজার শিক্ষককে ট্রেনিং দিয়ে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। তারা ধাপে ধাপে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেবেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়েছে। এ বাবদ ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় এক হাজার প্রাথমিক শিক্ষককে নয়টি (প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট) পিটিআই’র মাধ্যমে ইংরেজির বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে আরো এক লাখ ৩০ হাজার ইংরেজির প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব জিএম হাসিবুল আলম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষকের মধ্যে ইংরেজি ভাষায় যে দুর্বলতা রয়েছে তা দূর করতে এই কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। ফলে এসজিডি ৪ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে বাংলা বিষয়েও এ ধরনের কর্মসূচি নেয়া হবে। সূত্রঃজনকন্ঠ
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
