ঢাকাঃ আজ বুধবার বিকাল ৪ টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়ের সাথে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিনিধি দলের বৈঠক ও ৯ দফf প্রস্তাবনা হস্তান্তর করা হয়। গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হাসানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান, সদস্য প্রিন্সিপাল নুরে আলম ও ছাত্র অধিকার পরিষদের আহবায়ক মোল্লা রহমতুল্লাহ।
তাদের পেশকৃত ৯ দফা প্রস্তাবনা হলো: ১। দেশের সকল শিশুর রাষ্ট্র নির্ধারিত প্রাথমিক পাঠ্যসূচী অধ্যয়ন বাধ্যতামূলক করতে হবে। যে পাঠ্যসূচী নির্ধারিত হবে রাষ্ট্রে বসবাসকারী সকল ধর্ম, বর্ণ, মতের নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতে।
২। শিশুর সামাজিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে দেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে “Socialization and dignity” প্রোগ্রাম চালু করতে হবে।
৩। প্রাইমারি শেষে ৬৫% শিক্ষার্থী বাংলা রিডিং পড়তে পারে না, কোয়ালিটি চেকের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস ও কোটার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া অযোগ্য শিক্ষকদের বাদ দিয়ে মেধার ভিত্তিতে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।
৪। কোন ধর্ম ও বর্ণকে হেয় করে এমন কোন প্রকার শব্দ বা বাক্য বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার (গণ শিক্ষা) কোন পর্যায়ে থাকা যাবেনা।
৫। শিক্ষা সুরক্ষা নিশ্চিতে এমপিও ভুক্ত সকল (স্কুল-কলেজ-মাদরাসা) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহকে জাতীয়করণ করতে হবে।
৬।স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনে নিয়োগ প্রত্যাশী কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিজ এলাকার আওতাধীন সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের সনদ থাকতে হবে।
৭। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলগুলোতে সকল জাতিসত্ত্বার রাষ্ট্রীয় প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতে শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন আবাসিক সংস্থান করতে হবে।
৮। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের সর্বশেষ নিয়োগ কোটার ভিত্তিতে করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, আদালতের রায় মেনে ৯৩% মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
৯। সরকারি শিক্ষকদের বেসরকারিভাবে কোচিং বানিজ্য বন্ধ করতে হবে, কোয়ালিটি চেক পরিক্ষায় উত্তীর্ণ প্রাইমারী শিক্ষকদের গ্রেড উন্নয়ন করে বেতন বৃদ্ধি করতে হবে।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০৯/১০/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
