এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষাবর্ষ ২০২৩: গুজব, বিতর্ক ও শিক্ষকদের আন্দোলনে বছর শেষ!

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক, ঢাকাঃ চলতি বছর প্রথম, দ্বিতীয়, ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণিতে নতুন পাঠ্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামী বছর বাস্তবায়ন করা হবে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে। এরপর ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে, ২০২৬ সালে একাদশ শ্রেণিতে এবং ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে ধাপে ধাপে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষাক্রমের নাম দিয়ে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একটি ভিডিওতে একাধিক শিক্ষককে হাঁসের ডাক নিয়ে অভিনয় করতে দেখা যায়। আরেকটি ভিডিওতে সাইকেল চালানোর অভিনয় দেখানো হয়েছে। শিক্ষা পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন ঘিরে বছরজুড়ে চলেছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। শেষদিকে এসে তা গড়িয়েছে আন্দোলনে। নতুন শিক্ষাক্রমের বিরোধিতা করে গ্রেফতার হয়েছেন বেশ কয়েকজন অভিভাবক-শিক্ষকও। নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে গুজব, বিতর্ক, হট্টগোল চলে বছরজুড়ে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে টানা ২৩ দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্দোলন করেন শিক্ষকরা। এতে বন্ধ হয়ে যায় দেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজের ক্লাস-পরীক্ষা। বৈষম্য নিরসন ও পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করেছেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারাও। ডেঙ্গুতে একের পর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু, নতুন পাঠ্যবই ছাপাতে দেরি, কিন্ডারগার্টেন নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা, এক বছরে তিন বিসিএসের ফল প্রকাশ, গুচ্ছ ভর্তি নিয়ে ভোগান্তি, একক ভর্তি পরীক্ষা অনিশ্চিত, শ্রেণি মূল্যায়নের নতুন নিয়ম, হরতাল-অবরোধে বার্ষিক পরীক্ষাসহ এমন নানা ঘটনায় আলোচনায় ছিল দেশের শিক্ষা খাত। এ ছাড়া শিক্ষক প্রশিক্ষণের ভুয়া ভিডিও ভাইরাল, প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তিতে প্রথমবারের মতো লটারি মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপের পরীক্ষায় জালিয়াতি-অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলন, বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা পেছানো, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাহাড়সম অনিয়ম-দুর্নীতিসহ নানা কারণে ২০২৩ সালে শিক্ষা খাত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে।

গুজব, বিতর্ক, হট্টগোল চলে বছরজুড়ে: শিক্ষার্থীদের আনন্দময় পরিবেশে পড়ানোর পাশাপাশি মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে দক্ষতা, সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে শেখাতেই নতুন এই শিক্ষাক্রম চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

তবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনেকেই এর সমালোচনা করছেন। এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে প্রধান বাধা প্রস্তুতির অভাব, শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব, অবকাঠামোর অভাব, শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত এবং গ্রাম ও শহরের পার্থক্য। অভিভাবকদের অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, ভাত রান্না করা শিখতে স্কুলে যেতে হবে কেন? প্রতিদিন অ্যাসাইনমেন্টের নামে এত টাকা খরচ করাবে কেন? তথ্য অনুসন্ধানের কাজে শিক্ষার্থীদের মোবাইলসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইসনির্ভরতা বাড়াবে কেন? বাড়ির কাজ হিসেবে কেন দলগত কাজ দেওয়া হবে? এ রকম অনেক প্রশ্ন শিক্ষার্থীকেও দ্বিধায় ফেলে দিচ্ছে। আসলে পড়াশোনা কি ঠিকমতো হচ্ছে? পড়াশোনা ঠিকমতো হচ্ছে কি না, এর উত্তর দেওয়া কঠিন। অন্যদিকে এই শিক্ষাক্রম ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারছেন না। তারা অভিযোগ করছেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ঠিকমতো হচ্ছে না। এমনকি সময়মতো শিক্ষক সহায়িকাও তাদের হাতে আসছে না। এই শিক্ষাক্রমে পাঠদান প্রক্রিয়াতেও আমূল পরিবর্তন এসেছে। আগের মতো কেবল শিখন-শেখানো কার্যক্রমের মধ্যে প্রক্রিয়াটি সীমিত নয়।

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ভয়ংকর মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষাক্রম নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বাচ্চা কত নম্বর পেল, জিপিএ-৫ পেল কি না, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হলো কি না, অন্যের বাচ্চার চেয়ে আমার বাচ্চা বেশি নম্বর পেল কি না এই বিষয়গুলো নিয়ে অতিমাত্রায় ব্যস্ত ছিলেন মা-বাবারা।

নির্বাচনের বছরে আন্দোলনে শিক্ষকরা: দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলনে নামেন প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষকরা। সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায়ে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন, কর্মবিরতি, অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন করছেন ওইসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। ঝড়-বৃষ্টি, রোদ উপেক্ষা করে গত ১১ জুলাই থেকে টানা ২৩ দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও অনশন করেন শিক্ষকরা। এতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বিটিএ) সভাপতি অধ্যক্ষ বজলুর রহমান মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক শেখ কাওছার আহমেদ। আন্দোলনের এক পর্যায়ে তারা শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি জানিয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। ১ আগস্ট রাতে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষক নেতারা। বৈঠকে দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়ে অনশন স্থগিত করে ক্লাসে ফেরেন।

২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। তিন ধাপে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষকদের অভিযোগ, তৃতীয় ধাপের বিদ্যালয়গুলোর সমপর্যায়ে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ১৯৯৪ সালে রেজিস্ট্রার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র মাদরাসার শিক্ষকদের বেতন মাসিক মাত্র ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এভাবে একই ধারায় চলতে থাকে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা ও রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি সরকার ২৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করলেও উপেক্ষিত থাকে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলো। প্রায় তিন দশক ধরে পাঠদান করেও বেতনবঞ্চিত রয়েছেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার ২০ হাজার শিক্ষক। জাতীয়করণের দাবিতে রাজপথে নামেন ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। তারাও আন্দোলনে মাঠে নামেন। সহকারী শিক্ষকরাও এখন দশম গ্রেডে বেতন দাবি করছেন। আন্দোলনে করেন অনার্স-মাস্টার্স পড়ানো হয় এ রকম কলেজের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষক। তারা জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এমপিওভুক্তির দাবিতে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত থাকলেও তাদের পদগুলো এমপিও-প্যাটার্নে নেই। দীর্ঘদিন ধরে তারা কলেজের দেওয়া নামমাত্র বেতনে চাকরি করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন দাবিতে সদ্য জাতীয়করণ হওয়া কলেজের শিক্ষকদের আন্দোলন ছিল বছরজুড়েই।

ক্যাডার বৈষম্য নিরসন, পদোন্নতিসহ বিভিন্ন দাবিতে ১০, ১১ ও ১২ অক্টোবর টানা তিন দিনের কর্মবিরতি কর্মসূচি করেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা। তারও আগে তারা সংবাদ সম্মেলন, অর্ধদিবস অবস্থান কর্মসূচি, মন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন। দাবি মেনে না নেওয়ায় তারা ১৭ ও ১৯ অক্টোবর ফের দুদিনের কর্মবিরতির ঘোষণা দেন। এতে শিক্ষা প্রশাসনে স্থবিরতা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে ১৪ অক্টোবর রাতে শিক্ষামন্ত্রী আন্দোলনরতদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি তাদের সব দাবি পূরণে আশ্বাস দেন। এরপর কর্মসূচি থেকে সরে আসে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা। যদিও দাবি পূরণে এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি সরকার।

ডেঙ্গুতে মৃত্যুতে শোকের ছায়া শিক্ষাঙ্গনে : মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু এবার ভয়াবহ রূপ নেয়। রেকর্ড আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু বিস্তারের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও যথারীতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থীরা বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়। রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে মারা যায়। মৃতদের মধ্যে রয়েছে ভিকারুননিসার জাহিন আনাম আঁচল, মেহজাবিন সূহী, ইলমা জাহান, আইডিয়ালের শিক্ষার্থী আফিয়া জাহিন। এ ছাড়া মেডিকেল ছাত্রী দীপান্বিতা বিশ্বাসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নামে শিক্ষাঙ্গনে।

অনিশ্চিত এক পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি : এক পরীক্ষায় দেশের সব বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি, তা চিন্তাভাবনার মধ্যেই রইল। একবার পরীক্ষায় বসলেই থাকবে সব বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ। কমবে ভোগান্তি, খরচ ও দীর্ঘসূত্রতা। রাষ্ট্রপতির অভিপ্রায়ে এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) তৈরি করা খসড়া অধ্যাদেশে সায় দেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাধ্য হয়ে ‘একক ভর্তি পরীক্ষা’ চালুর চেষ্টার ইতি টেনেছে ইউজিসি। সারা দেশে ঘুরে ঘুরে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের।

কিন্ডারগার্টেনের লাগাম টানতে নীতিমালা : কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে লাগামহীনভাবে চলছে দেশের শিশু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিন্ডারগার্টেনগুলো। ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করলেও এর ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এখানে কী ধরনের শিক্ষা দেওয়া হয়, দেশে কতগুলো কিন্ডারগার্টেন আছে কিংবা এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত কিছুই জানা নেই সরকারের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোনো কোনো কিন্ডারগার্টেনের বিদেশি পাঠ্যক্রম অনুসরণ করার কারণে অগ্রাহ্য হচ্ছে দেশের ভাষা-ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পূর্ণই। এসব স্কুলে সরকারের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাড়াও সহায়ক বইয়ের বাড়তি চাপে থাকে শিশুরা। এ ছাড়া ‘গলা কাটা’ টিউশন ও সেশন ফি আদায় করে রমরমা শিক্ষা বাণিজ্য চালাচ্ছে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানকে লাগাম টানতে নিবন্ধনের আওতায় আনতে ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা’ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, কিন্ডারগার্টেন, নার্সারি, কেজি ও প্রিপারেটরি যেসব স্কুল রয়েছে, তা সবই ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ হিসেবে অভিহিত হবে। স্কুলে পাঠদান শুরু করতে অনুমতিপত্র লাগবে। অনুমতি পাওয়ার এক বছরের মধ্যেই যথাযথ নিয়ম মেনে নিবন্ধন করতে হবে।

হরতাল-অবরোধে আতঙ্ক নিয়ে বার্ষিক পরীক্ষা: নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকে অবরোধসহ রাজনৈতিক নানা কর্মসূচিতে সপ্তাহ পার হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় রাজধানীসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত পরিবহনে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ বিরাজ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলগুলোতে শুরু হয় বার্ষিক পরীক্ষা ও নতুন শিক্ষাক্রমে বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন। হরতাল-অবরোধে বছর শেষের বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে বিপাকে পড়েন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। পরীক্ষাসূচি পরিবর্তন করে শুক্র ও শনিবার নেওয়া হয়।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৬/১২/২০২৩

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.