অধ্যাপক কাজী মুহাম্মদ মাইন উদ্দীনঃ ক্যারিকুলাম ২০২২ (২০২৩ থেকে কার্যকর)-এ শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের জন্য ২টি পদ্ধতির উল্লেখ করেছে। এর একটি হলো শিখনকালীন মূল্যায়ন অন্যটি হলো সামষ্টিক মূল্যায়ন। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হচ্ছে, মূল্যায়ন হলো শিক্ষার্থীদের মেরিট ভেরিফিকেশন বা মেধা যাচাইকরণ। চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রশ্নের মানবন্টনের ক্ষেত্রে ৪টি ধাপ রাখা হয়েছে। প্রথম ধাপটি হচ্ছে, শিখনকালীন মূল্যায়ন ৭০ নম্বর এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৩০ নম্বর। এই ধাপটি চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। দ্বিতীয় ধাপটি হচ্ছে, শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ নম্বর আর সামষ্টিক মূল্যায়ন ৪০ নম্বর। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এই ধাপটি প্রযোজ্য। তৃতীয় ধাপটি হচ্ছে, শিখনকালীন মূল্যায়ন ৫০ নম্বর আর সামষ্টিক মূল্যায়ন ৫০ নম্বর। এই ধাপটি শুধুমাত্র দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। দশম শ্রেণিতে পাবলিক পরীক্ষার বিধান করা হয়েছে। চতুর্থ ধাপে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ নম্বর এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ নম্বর রাখা হয়েছে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি পাবলিক পরীক্ষা হবে। একাদশ সমাপ্ত করে একবার এবং দ্বাদশ সমাপ্ত করে একবার মোট দুইবার পাবলিক পরীক্ষা হবে এইচ.এস.সি পর্যায়ে।
শিখনকালীন মূল্যায়ন শিক্ষক শ্রেণি কার্যক্রমের মাধ্যমে করবেন। কিন্তু নতুন শিক্ষাক্রমে বিষয়গত জ্ঞান, শিক্ষার্থী কতটুকু অর্জন করেছে তা বিবেচনায় আনা হচ্ছে না, বরং শিক্ষার্থী কতটুকু যোগ্যতা অর্জন করেছে তার উপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। যোগ্যতার উপাদানগুলো হচ্ছে, জ্ঞান, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ ইত্যাদি। এই সবগুলো উপাদান বিবেচনায় এনে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিটি একক যোগ্যতার জন্য এক বা একাধিক পারদর্শিতার সূচক (পারফরমেন্স ইন্ডিকেটর বা পিআই) নির্ধারণ করা হয়েছে। পিআই ব্যবহার করে শিখনকালীন মূল্যায়নের রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে। শিক্ষক কোন অভিজ্ঞতা শেষে কোন পারদর্শিতার সূচকে ইনপুট দেবেন তা নির্ধারণ করা আছে। অভিজ্ঞতার সংখ্যা অভিজ্ঞতা-১, অভিজ্ঞতা-২, এভাবে অভিজ্ঞতা-৯ বা তার অধিক পর্যন্ত নির্ধারণ করা আছে। প্রতিটি অভিজ্ঞতার বিপরীতে এক বা একাধিক পারফরমেন্স ইন্ডিকেটর রয়েছে। প্রতিটি পিআই বা পারদর্শিতা সূচকের জন্য পারদর্শিতা সূচকের মাত্রা রয়েছে। এই মাত্রাগুলো হচ্ছে, চতুর্ভুজ, বৃত্ত এবং ত্রিভুজের চিহ্ন। শিক্ষার্থী যদি প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে অন্তত একটি উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত পারদর্শিতার বিষয়টি উপস্থাপন করে তাহলে শিক্ষার্থীর ফলাফল অবস্থান হবে ‘চতুর্ভুজ’। শিক্ষার্থী যদি একাধিক উৎস থেকে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তা উপস্থাপন করে তাহলে তার ফলাফল অবস্থান হবে বৃত্ত। আর শিক্ষার্থী যদি তার চারপাশে সহজলভ্য সব কটি উৎস থেকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তা উপস্থাপন করে তাহলে তার ফলাফল অবস্থান হবে ত্রিভুজ। এটা সর্বোচ্চ ফলাফল অবস্থান। এছাড়াও শিখনকালীন মূল্যায়নে বিহ্যাভিয়র ইন্ডিকেটর বা আচরণ সূচক যুক্ত হবে। এই সূচক ব্যবহারের নির্দেশনা পরবর্তিতে জানিয়ে দেবে সরকার।
কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে কতটুকু জ্ঞান অর্জন করছে, তা জানার জন্য বছরের নির্ধারিত কয়েকটি দিনে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রেখে নির্দিষ্ট পাঠ্যসূচির আওতায় পরীক্ষা মাধ্যমে যে মেধা যাচাই করা হয় তাহলো সামষ্টিক মূল্যায়ন। কিন্তু বর্তমানে পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে সামষ্টিক মুল্যায়নে অনেকটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান পদ্ধতিতে জুন মাসের শেষ সপ্তাহ ষান্মষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন এবং ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বাৎসরিক সামষ্টিক মূল্যায়ন অনুষ্টিত হবে। এখানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রেখে সামষ্টিক মূল্যায়ন হবে না। স্বাভাবিক ক্লাস রুটিন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীরা তাদের সামষ্টিক মূল্যায়নের জন্য অর্পিত কাজ সম্পন্ন করবে।
বর্তমানে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় (ক্যারিকুলাম-২০১২) অভ্যন্তরীণ মেধা যাচাই দু’ভাবে হয়ে থাকে। প্রথমত, গাঠনিক মূল্যায়ন। দ্বিতীয়ত: সামষ্টিক মূল্যায়ন। শ্রেণি কক্ষে কার্যক্রম চলাকালীণ শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের যেভাবে মেধা যাচাই করা হয়, তা হচ্ছে গাঠনিক মূল্যায়ন। অন্যদিকে, শিক্ষাবর্ষের কয়েকটি দিন শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রেখে নির্দিষ্ট পাঠ্যসূচী অনুযায়ী শিক্ষার্থীর মেধা যাচাইয়ের জন্য যে কার্যক্রম (পরীক্ষা) চালানো হয় তা হচ্ছে সামষ্টিক মূল্যায়ন। বর্তমানে কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন পদ্ধতির অংশ সৃজনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন পদ্ধতির মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ও পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর মেধা যাচাই করা হয়। কিন্তু ২০২২ শিক্ষাক্রমে বর্ণিত সামষ্টিক মূল্যায়নের সাথে বর্তমান প্রচলিত সামষ্টিক মূল্যায়নের যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এখানে সামষ্টিক মূল্যায়ন প্রচলিত গাঠনিক মূল্যায়নের সাথে সংগতিপূর্ণ। কারণ, এখানে স্বাভাবিক ক্লাস রুটিন অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের সামষ্টিক মূল্যায়নের জন্য অর্পিত কাজ সম্পন্ন করবে। এখানেও পারদর্শিতার মাত্রা চতুর্ভুজ, বৃত্ত এবং ত্রিভুজ দ্বারা নির্ধারিত হবে। শত বছরেরও বেশী সময় ধরে প্রচলিত এবং বিশ^ব্যাপী স্বীকৃত সংখ্যা নির্ভর ফলাফল এখানে বর্জন করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, সংখ্যা নির্ভর ফলাফলে ৬০%, ৪৫% ও ৩৩% নম্বর ছিল যথাক্রমে প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ ও তৃতীয় বিভাগ পাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মেধা বুঝবার নির্দেশক। পরবর্তীতে গ্রেডিং পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যে মেধা যাচাই করা হয়েছে তাও বিশ^ব্যাপী প্রচলিত। গ্রেডিং পদ্ধতিতে এ‘’ প্লাস-কে সর্বোচ্চ মান এবং ডি-গ্রেডকে সর্ব নি¤œমান পরীক্ষা পাশের ক্ষেত্রে ধরা হয়। সংখ্যায় ৮০% নম্বর ‘এ’ প্লাস এবং নূন্যতম ৩৩% নম্বরকে ডি-গ্রেড ধরা হয়েছে। আর এফ-গ্রেড প্রাপ্তদের পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশনের ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু নতুন ক্যারিকুলামে পাস অথবা ফেল নির্ধারিত হচ্ছে না। কারণ, এখানে মেধা নয়, পারদর্শিতা যাচাই করা হয়। তাই সর্বোচ্চ পারদর্শিতার ক্ষেত্রে ত্রিভুজ চিহ্ন, মধ্যম পারদর্শিতার ক্ষেত্রে বৃত্ত চিহ্ন এবং সবচেয়ে কম পারদর্শিতার ক্ষেত্রে চতুর্ভুজ চিহ্ন নির্ধারণ করা হয়েছে।
মানবজীবন অনেকগুলো স্তরে বিভক্ত থাকে। যেমন মাতৃকোলের স্তর, শিক্ষা জীবনের স্তর, পার্থিব জীবনের স্তর অর্থাৎ কর্মক্ষেত্রের স্তর, অবসর জীবন স্তর বা বার্ধক্যের স্তর। এক স্তর অন্য স্তর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটা স্তর আরেকটা স্তরের সাথে মিশতে পারে না। কারণ, এই স্তরগুলো বয়সভিত্তিক স্তর। মাতৃদুগ্ধ সেবনকারী শিশুকে গ্রিল চিকেন অথবা বার্গার মূল খাদ্য হিসেবে দেওয়া যাবে না। আবার আশি বছর উর্ধ্ব ব্যক্তিকে কোন কঠিন খাবার যেমন গরু বা ছাগলের হাঁড় এমনকি দেশী মুরগীর হাড় চিবাতে দেওয়া যাবে না। নতুন ক্যারিকুলামে মিশিয়ে ফেলার মত ঘটনা ঘটেছে। যে বয়সে যা করার কথা, সে বয়সে তা না করতে বাধ্য করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের। সাধারণত পারদর্শিতা দেখানোর জায়গা হলো কর্মজীবন। আর শিক্ষার্থী জীবন বা ছাত্রজীবন হলো, শেখার জায়গা, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিখতে বা জানাতে হয়। না জানলে কখনও পারদর্শিতা নির্ণয় করা যায় না। যদি করা হয়, তাহলে তা হবে নিরক্ষরতা। অক্ষর জ্ঞানহীন কোন ব্যক্তিকে রন্ধন কৌশল শিখিয়ে দিলে তিনি রন্ধন কর্ম করতে পারবেন। দেশে এখনও বহু ব্যক্তি রয়েছে, যাদের প্রাতিষ্ঠানিক লিখাপড়া নেই অথবা একেবারে কম। কিন্তু তারা গ্রামে-গঞ্জে বিভিন্ন ভোজ অনুষ্ঠানে রন্ধনকর্ম করে স্বাস্থ্যসম্মত সুস্বাদু খাবার তৈরী করছেন। একবারও কি ভেবে দেখা উচিৎ নয়, এ ধরনের ব্যক্তি দ্বারা রন্ধনকর্ম ছাড়া অন্যকেনো কর্ম করা যাবে কিনা? আবার যদি কোন সুশিক্ষিত ব্যক্তিকে দিয়ে রন্ধন কাজ করা হয়, তাহলে ঐ নিরক্ষর ব্যক্তির চেয়ে শিক্ষিত ব্যক্তিটির নিকট আরো ভাল রন্ধনকর্ম উপভোগ করা যায়। বর্তমানে দেশের নগরগুলোতে রন্ধনকর্মের পাঠশালার মাধ্যমে শিক্ষিত বাবুর্চি বের হচ্ছে। বর্তমানে স্টার হোটেলগুলোতে হোটেল ম্যানেজমেন্ট কোর্স এবং কিছু কিছু উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কোর্স চালু রয়েছে। স্টার হোটেলগুলিতে রন্ধনকর্মও শিক্ষা দেওয়া হয়। রন্ধনকর্ম শেখার জন্য মাধ্যমিক পাঠশালায় যেতে হবে না। দুঃখজনক এবং দুঃশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে, সোস্যাল মিডিয়ার তথ্য অনুসারে নতুন কারিকুলামে রন্ধনকর্মের জন্য পাঠশালায় যেতে হয় এবং তা পাঠ্যসূচীভুক্ত। এছাড়াও নতুন শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেভাবে কর্মমুখী করা হয়েছে, তাতে শিক্ষা ব্যয় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে; যা আমাদের মত দরিদ্র দেশে বহন করা অভিভাবকদের জন্য প্রায় অসম্ভব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে এখন থেকে নিরক্ষর তৈরির কারখানায় রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে বলে আশংকা করেছেন অনেক অভিভাবক।
জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিক হলো, ছাত্রজীবন ও কর্মজীবন। ছাত্রজীবন হলো, জ্ঞান অর্জনের জীবন আর কর্মজীবন হলো পারদর্শিতা অর্জনের জীবন। কর্মজীবনের পারদর্শিতাকে যদি ছাত্র জীবনে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, তখন বিপর্যয় ছাড়া আর কিছুই হয় না। নতুন ক্যারিকুলামে শিক্ষার্থীর পারদর্শিতা অর্জনের উপর যেভাবে জোর দেওয়া হয়েছে, তা প্রচলিত এবং গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিপরীত। গাঠনিক মূল্যায়ন শিক্ষার্থীর বিশ ভাগ জ্ঞান যাচাই হতে পারে। অথচ নতুন শিক্ষাক্রমে শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়ন যেভাবে দেখানো হয়েছে, তা গাঠনিক মূল্যায়নের ন্যায়। ফলে এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মেধা যাচাই ২০ ভাগ বা তার চেয়ে কম হতে পারে। এছাড়াও হোম ওয়ার্কের জন্য শিক্ষার্থীদের যেভাবে পরস্পরের বাড়ীতে পাঠানো হচ্ছে, তাতে পারিবারিক প্রাইভেসি নষ্ট হবে। শিশু ও নারী শিক্ষার্থী অপ্রীতিকর হয়রানির শিকার হতে পারে। তাই নতুন ক্যারিকুলাম গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, এটা সংশোধনও হতে পারে না। এটা হতে পারে বর্জনীয়। এখানে জ্ঞান এবং পারদর্শিতার মধ্যে পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংখ্যা ও বর্ণ বিশিষ্ট শিক্ষাকে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে আদিমকালের মত প্রতীক বা চিহ্ন এর দিকে ধাবিত হচ্ছি আমরা। দূর ভবিষ্যতে এ শিক্ষাব্যবস্থা অকার্যকর হতে পারে। তাই, এখনই দরকার এই ব্যবস্থার বিষয়ে গভীর ব্যাখ্যা ও গবেষণা করা। নতুন ক্যারিকুলাম স্থগিত করে বর্তমানে প্রচলিত কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।
লেখক : কলামিষ্ট ও শিক্ষা বিশ্লেষক
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৪/১২/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
“মুক্তমত ও সাক্ষাৎকার কলামে প্রকাশিত নিবন্ধ লেখকের নিজস্ব। শিক্ষাবার্তা’র সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, শিক্ষাবার্তা কর্তৃপক্ষের নয়।”
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
