এইমাত্র পাওয়া

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৮ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ড.ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনিস্টিটিউটের স্বতন্ত্র ভবন ও শেখ হাসিনা ছাত্রী হল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহর বিরুদ্ধে। অনুমোদিত ডিপিপির তোয়াক্কা না করেই প্রকল্পের ব্যয় দিগুণসহ নানা অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
২০১৭ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ছাত্রী হল ও ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনিষ্টিটিউটের স্বতন্ত্র ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভবন দুটি নির্মাণ শেষ হবার কথা ছিলো ২০১৮ সালের জুনে।
কিন্তু বর্তমান উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ ২০১৭ সালের জুনে যোগ দেয়ার পর ভবন দুটির কাজ বন্ধ করে নতুন পরামর্শক নিয়োগ করেন। এ সময় ভবন দুটির নকশা পরিবর্তনের পাশাপাশি নির্মাণ ব্যয় বাড়ানো হয় দুই গুণেরও বেশি।
ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণে ২৬ কোটি ৮৭ লাখ থেকে বাড়িয়ে ব্যয় ধরা হয় ৬১ কোটি টাকা। আর শেখ হাসিনা ছাত্রী হল নির্মাণ ৫১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ব্যয় ধরা হয় ১০৭ কোটি টাকা। মূল ডিপিপিতে পরামর্শক ফি না থাকলেও বর্তমানে ধরা হয়েছে ৪০ লাখ টাকা।
প্রকল্প বাস্তবায়নে উপাচার্য কোন নিয়মই মানছেন না বলে অভিযোগ শিক্ষকদের।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, প্ল্যানটি পুরোপুরি তার মত করে ডিজাইন পরিবর্তন করে লাখ লাখ টাকা সে দুর্নীতি করার অপপ্রচেষ্টা চালিয়েছে এবং দুর্নীতি করেছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় অধিকার সুরক্ষা পরিষদের সদস্য ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, এই প্রকল্পে যে পরিমাণ ব্যয় হওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি ব্যয় দেখিয়ে কাজটাকে বাধাগ্রস্থ করাটাও একটা অনিয়ম এবং দুর্নীতি। আর তিনি সে কাজটিই করেছেন।
শেখ হাসিনা ছাত্রী হলের নকশা পরিবর্তন করে অনিরাপদ ভবন নির্মাণের চেষ্ট চলছে বলে জানান মূল স্থপতি মো: মনোয়ার হাবীব জানান, এটি একটি ডিজাস্টার ব্যাপার। হলের প্যাসেজের মধ্যে কোন ভেন্টিলেশন নেই, লাইট এয়ারের কোন সামঞ্জস্য নেই। এটিকে একটি গুহার মত মনে হবে। আমরা যে নকশা করেছি তাতে আমরা যেখানে যা দরকার তার সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম।
অনিয়মের প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য ড. মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি জানান, আমরা অনুসন্ধান করে দেখবো যে আসলেই কোন সমস্যা হয়েছিল কিনা। নকশা বদলের ফলে ছাত্রীদের কোন সমস্যা হবে কি না সেটিও আমরা খতিয়ে দেখবো।

উপাচার্যের ক্যাম্পাসে টানা অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানান ইজিসির সদস্যরা।

স্বাধীনতা স্মারক নির্মাণেও ডিপিপির বরাদ্দ ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা করা হয়েছে। এ বিষয়ে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহকে।সুত্র শীর্ষনিউজ


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.