নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত শিক্ষকরা চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। শিক্ষকতা শুরুর পর দুই বছর পূর্ণ হলেই কেবল বদলির আবেদন করার যোগ্য বিবেচিত হবেন। আর একবার বদলির পর কমপক্ষে দুই বছর একই কর্মস্থলে থাকতে হবে। দুই বছর পর আবারও তিনি বদলির আবেদন করতে পারবেন।
পাশাপাশি আবেদন করা শিক্ষকদের বদলি অনুমোদনের ক্ষেত্রে সবার ওপরে অগ্রাধিকার পাবেন নারী প্রার্থীরা। অর্থাৎ, শূন্যপদে একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে সেখানে সবচেয়ে আগে বদলির সুযোগ পাবেন নারী আবেদনকারী।
বুধবার (৬ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা বদলির নীতিমালায় এসব নিয়ম করা হয়েছে। ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত)’ নামের নীতিমালাটা প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে কার্যকর হবে।
নীতিমালা বিশ্লেষণে দেখা যায়, শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে ১৮টি শর্ত রাখা হয়েছে। বদলির কর্তৃপক্ষ হবেন মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি)। তবে পারস্পরিক বদলির ক্ষেত্রে লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ বদলি/পদায়নের বিষয়টি নিষ্পন্ন করতে পারবেন।
নীতিমালার ৩-এর ১৬ উপধারায় বলা হয়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে বদলির সুযোগ পাবেন। তবে একই সাবজেক্টের (বিষয়) একজনের অধিক শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন।
৩-এর ১৭ উপধারা অনুযায়ী- আবেদনকারী শিক্ষক বদলির আবেদনে সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। পাশাপাশি কর্মজীবনে কেউ তিনবারের বেশি বদলির সুযোগ পাবেন না।
নারীদের অগ্রাধিকার
৩-এর ৮ উপধারা অনুযায়ী- একটি শূন্যপদের জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়লে অগ্রাধিকারভিত্তিতে বদলির অনুমোদন দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে সবার ওপরে থাকবেন বা অগ্রাধিকার পাবেন নারী বদলি প্রার্থী। এরপর দেখা হবে দূরত্ব।
তৃতীয় অগ্রাধিকারে থাকবে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল, জেলা (সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান)। আর সবশেষে দেখা হবে জ্যেষ্ঠতা। চাকরির জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে সবশেষ জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী গণনা করা হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
