নিউজ ডেস্ক।।
প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে পারেন নিম্ন গ্রেডের সরকারি কর্মচারী ও কম পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তরা। সরকার নতুন বেতন কাঠামোতে আয় বৈষম্য কমিয়ে নিম্ন আয়ের কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষা বাড়ানোর দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, নতুন পে স্কেলে নিম্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিপরীতে উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হতে পারে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন গ্রেডের বৈষম্য কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের মধ্যেও কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিরা বড় সুবিধা পেতে পারেন। বিশেষ করে যাদের মাসিক পেনশন ২০ হাজার টাকার নিচে, তাদের জন্য সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।
নীতিনির্ধারকদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে রয়েছেন। তাই নতুন পে স্কেলে তাদের জন্য বাড়তি সুবিধা রাখার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
জানা গেছে, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুলিশ, মাঠ প্রশাসন ও বিচার বিভাগসহ সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নতুন পে স্কেলের আওতায় আসবেন। পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রেও সমন্বিত নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।
বর্তমানে কার্যকর ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতাও নতুন পে স্কেলের সঙ্গে সমন্বয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় কিছুটা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন ও সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল

