চুয়াডাঙ্গার একটি বিদ্যালয়ে যোগ হয়নি ব্যবহারিকের নম্বর, ৬৩ শিক্ষার্থীই ফেল

চুয়াডাঙ্গাঃ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ব্যবহারিক নম্বর যোগ না হওয়ায় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের ৬৩ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করেনি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গাফলতিতে এমনটা ঘটেছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

এই সমস্যা সমাধানে শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে ভুক্তভোগীরা।

জানা গেছে, ২০২৫ সালে হাসাদহ বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬৩ শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভোকেশনাল বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের টেড ইন্সট্রাকশন বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষায় সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

অর্ক নামের এক শিক্ষার্থী বলে, ‘সব বিষয়ে ভালো নম্বর পেয়েছি, তবুও সবকিছু শেষ। কার কী দোষ আমি জানি না। ভালো পরীক্ষা দিয়েও কেন ব্যাবহারিককে ফেল এসেছে, জানি না। বিষয়টি তদন্ত করে সমাধান করা হোক।’

মিম নামে আরেক ছাত্র বলেন, ‘ব্যবহারিকের নম্বর পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের হাত দিয়েই দেয়া হয়। নম্বর মার্কশিটে যোগ না হওয়ায় সবাই ফেল করেছে। কেন এমনটা হলো, এজন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দায়ী। তারা ভালোভাবে মনিটরিং করলে এমনটি হতো না।’

সিফাত নামে অপর এক ছাত্র বলে, ‘সবাই ব্যবহারিক খাতা সময় মতো বিদ্যালয়ে জমা দিয়েছি। এটার দায় সম্পূর্ণ শিক্ষকদের। তাদের ব্যর্থতার দায় আমরা কেন নেব। এটার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’

ভোকেশনাল বিভাগের শিক্ষক তরিকুল ইসলামের দাবি, তারা শিক্ষার্থীদের নম্বর যথাসময় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বোর্ড নম্বর শিট পায়নি, কারিগরি ত্রুটির কথা বলছে তারা। এ বিষয়ে বোর্ডে গিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। আশা করি আগামী রোববার বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে।’

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, ‘কারিগরি ত্রুটির কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে। এজন্য ৬৩ পরীক্ষার্থী সমস্যায় পড়েছে। এ নিয়ে ঢাকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে আমরা কথা বলেছি। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/১১/০৭/২০২৫


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading