এইমাত্র পাওয়া

নগরজুড়ে দখলদারত্ব, রুখবে কে?

আতিক হাসান শুভ।।৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ঢাকা সিটিতে নতুন করে শুরু হয়েছে দখলদারত্ব। দখলবাজদের হানা থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোনও কিছুই। ফুটপাত থেকে শুরু করে ওভারব্রিজ, ফ্লাইওভারের নিচের অংশ, খালের সীমানা, নদীর তীর, পার্কের জায়গা সব দখল হয়েছে, এমনি পাবলিক টয়লেটও বাদ পড়েনি। উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা সিটি করপোরেশনের জায়গাও ছাড় দেয়নি দখলবাজরা। নাগরিক মনে প্রশ্ন, নগরজুড়ে চলমান এই দখলদারত্ব রুখবে কে?

 অনুসন্ধানে দেখা যায়, নগরজুড়ে চলমান এই দখলদারত্বের সাথে জড়িত বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নামধারী কিছু নেতাকর্মী। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তাদের এই দখলদারত্ব শুরু হয়েছে। ঢাকা নগরীতে দখলদারত্ব রুখতে নীরব ভূমিকায় রয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দায়িত্বে গাফিলতি, সঠিক তদারকি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে দখল হয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই দখলদারদের লাগাম টানা দরকার বলে জানান তারা।

পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় অবস্থিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা পার্ক। কাগজে-কলমে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পার্ক হলেও স্থানীয়দের কাছে এটি জিন্দাবাহার পার্ক নামে পরিচিত। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে এই পার্কের অবস্থান। সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন আঙ্গিকে নির্মিত ঐতিহ্যবাহী পার্কটি এখন ময়লার ভাগাড়। শুধু ময়লায় পার্কের বেহাল দশা নয়, নতুন করে দখলদারদের থাবা পড়েছে এখানে। পার্কের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে রেস্টুরেন্ট।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কফি শপের জন্য ছোট যে দোকান ইজারা দিয়েছে তা সরকার পরিবর্তনের পরপর তড়িঘড়ি করে জায়গা প্রশস্থ করে আগের ঠিকাদার থেকে নিয়ে রেস্টুরেন্ট নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে পার্কের পরিসর সরু হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পর পুরো এলাকাজুড়ে নতুন নতুন চাঁদাবাজ এবং দখলদারদের উদয় হয়েছে। পুরান ঢাকার নয়াবাজারের স্থানীয় বাসিন্দা শওকত আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, হাসিনা চলে যাওয়ার পর শুধু পার্ক না, এই এলাকায় বিভিন্ন জায়গা নতুন করে দখল হয়েছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে বেশিরভাগ খালি জায়গা এখন দখলে চলে গেছে। এলাকার মানুষের হাঁটাহাঁটির একমাত্র এই পার্কের একাংশ দখল করে রেস্টুরেন্ট নির্মাণ করেছে। তাদের বাধা দেওয়ার কেউ নেই।

পার্কের অভ্যন্তরে জায়গা দখল করে রেস্টুরেন্ট নির্মাণের বিষয়ে কেউ কথা বলতে রাজি না হলেও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাব্বির নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই কাজ করেছেন। নিজেকে যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচয় দেন বাংলা ট্রিবিউনের এই প্রতিবেদকের কাছে। পার্কে রেস্টুরেন্ট নির্মাণের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রেস্টুরেন্ট কর্মচারী বলেন, ভাই যুবদলের নেতা। লেখালেখি করতে সাবধানে করিয়েন। আমরা অনুমতি নিয়েই এখানে রেস্টুরেন্ট করেছি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন সিক্কাটুলি এলাকায় অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী খালেক সরদার পার্ক। স্থানীয় বাসিন্দাদের হাঁটাচলা কিংবা শিশুদের খেলাধুলার একমাত্র স্থান এটি। দৈনিক শতাধিক মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে পার্কটি। পার্কের জন্য নির্মিত পাবলিক টয়লেটটি এখন দখল হয়ে আছে।

জানা যায়, সিক্কাটুলি পঞ্চায়েত কমিটি দখল করে রেখেছে পার্কের একমাত্র পাবলিক টয়লেটটি। সেখানকার স্থানীয়রা জানান, পার্কটি উদ্বোধন হওয়ার পর থেকেই পঞ্চায়েত কমিটির লোকজন নিজেদের ব্যবহারের জন্য পার্কের টয়লেটটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এখনও তাদের নিয়ন্ত্রণে টয়লেটটি। তৎকালীন সময়ে পঞ্চায়েত কমিটির সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। বিগত সরকারের সময় তারা প্রভাব খাটিয়ে টয়লেটটি দখল করে। এখন সেই পঞ্চায়েতের বিএনপি সমর্থিত লোকজনের কাছে টয়লেটের গেটের চাবি।

শুধু শহীদ বুদ্ধিজীবী খালেক সরদার পার্ক নয় পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় অবস্থিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা পার্কের টয়লেট, সাঈদ খোকন পার্কের টয়লেটসহ দক্ষিণ সিটির বেশ কয়েকটি পার্কের টয়লেট দখল হয়ে গেছে।

জানা যায়, নবাব সিরাজউদ্দৌলা পার্কের জায়গা দখল করে রেস্টুরেন্ট নির্মাণ করা ব্যক্তিরাই সেখানকার পাবলিক টয়লেটটি দখল করেছে। আগে টয়লেটটি রেস্টুরেন্টের স্টোর রুম হিসেবে ব্যবহার করা হলেও এখন শুধু রেস্টুরেন্টের স্টাফরা এটি ব্যবহার করছেন।

উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) জায়গা ফের দখল হয়ে গেছে। জানা যায়, এ বছরের শুরুর দিকে অভিযান চালিয়ে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ৪২ নং ওয়ার্ডের কবি নজরুল কলেজের পাশে থাকা সিটি করপোরেশন মার্কেটের জায়গা উদ্ধার করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর তার দখল নিয়েছে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা।

সূত্রমতে জানা যায়, সিটি করপোরেশনের এই জায়গাটি কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রিন্টু ও তার সহযোগীরা দখল করেছেন। এছাড়াও সিটি করপোরেশন মার্কেটের রুম দখল করে বানিয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়।

সিটি করপোরেশনের জায়গা দখল করার বিষয়ে রিন্টু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এটা মিথ্যা কথা। আমি ওই জায়গা দখল করিনি। কে বা কারা করেছে তা জানি না। আমি বা আমার সহযোগী কেউ এর সাথে জড়িত নয়।

রাজধানীর গুটিকয়েক এলাকা ছাড়া কমবেশি সব জায়গাতেই ফুটপাত দখল করে চলছে রমরমা ব্যবসা। আগে এর ঠিকাদার হিসেবে আওয়ামী লীগের লোকজন থাকলেও এখন তার স্থলে এসেছে বিএনপি ও তার অনুসারীরা। গুলিস্তান, পল্টন, বাড্ডা, সদরঘাটের ফুটপাত থেকে শুরু করে সবজায়গাতে নতুন করে ফুটপাত দখলের চিত্র দেখা গেছে।

ফুটপাত ছাড়াও ফ্লাইওভারের নিচের অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে দোকানপাট। অনেক জায়গায় ওভারব্রিজ দখল করেও দোকানপাট বসানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গুলিস্তান ফ্লাইওভার, শান্তিনগর থেকে মালিবাগ ফ্লাইওভারসহ বাবুবাজার ব্রিজের নিচের খালি জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে দোকানপাট। সেখানে চলছে রমরমা ব্যবসা-বাণিজ্য।

জানা যায়, বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীদের তত্ত্বাবধায়নে ফুটপাত, ওভারব্রিজ এবং ফ্লাইওভারের নিচের অংশ দখল করে দোকানপাট নির্মাণ করা হয়েছে। আগে ফুটপাত দখল করে যে লাইনম্যান টাকা আদায় করতেন এখনও একই লাইনম্যান টাকা আদায় করছেন। তবে কার তত্ত্বাবধায়নে করছেন সেই বিষয়ে কথা বলতে নারাজ।

রাজধানীর পুরান ঢাকার ফুটপাত থেকে নিয়মিত টাকা তোলেন সাত্তার মিয়া। তিনি লাইনম্যান হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগের সময়েও তিনি লাইনম্যান হিসেবে ছিলেন এবং ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে টাকা তুলতেন। এখন কার নির্দেশনায় টাকা তুলছেন তা সরাসরি স্বীকার না করলেও তিনি বলেন, এখন সময় যার ভালো, দোকানদারদের যারা বসিয়েছেন তাদের নির্দেশনায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তবে এ বিষয়ে জড়িত কেউ স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হননি।

দখলদারত্বের কারণে রাজধানীর বহু খাল বিলীন হয়ে গেছে। অনেক খাল পড়ে আছে নামমাত্র। স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ হয়েছে অনেক জায়গায়। যে কয়টিতে কোনও রকমে পানি প্রবাহ আছে, সেগুলোও দখল হওয়ার উপক্রম। ইতিমধ্যে খালের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনাসহ দোকানপাট।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দখল হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন রামচন্দ্রপুর খালের বিভিন্ন অংশ। অভিযোগ উঠেছে, মোহাম্মদপুরের স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা ওই খালের জায়গা দখল করেছেন। সেখানে ছোট ছোট টিনের ঘরের পাশাপাশি ইট-বালি-সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করেছে পাকা স্থাপনা। আন্তঃজেলা চালক সমিতির নামে খালের জমি ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে ট্রাক স্ট্যান্ড।

জানা যায়, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের নির্দেশনায় ডিএনসিসির আওতাধীন রামচন্দ্রপুর খালের এই জায়গাটা দখল করা হয়। এ নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির সাথে দ্বন্দ্বও হয়েছিল। দখলের শুরুতে সাতমসজিদ হাউজিং ইউনিটের নামে ব্যানার থাকলেও এখন সেখানে চায়ের দোকান, পাকা ঘর, রিকশার গ্যারেজ, ট্রাকস্ট্যান্ড সবকিছুর ঠাঁই মিলেছে।

রামচন্দ্রপুর খাল ছাড়াও উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সুতিভোলা খালেরও অনেকাংশ দখল করেছে স্থানীয়রা। কয়েকবছর আগেই সাঁতারকুল এলাকা সংলগ্ন সুতিভোলা খালের সীমান্তে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর আগের অনেক দখলদার নিরুদ্দেশ হলে নতুন করে তার দখলদারত্বে যায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন কাজলা খালের উপর তৈরি হয়েছে নতুন দোকানপাট। তার দায়িত্বে আছেন ওয়ার্ড যুবদলের নেতাকর্মীরা। এর আগে তার দায়িত্বে ছিল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

কর্তৃপক্ষ কী বলছে!

দখলদারত্বের সাথে বিএনপির যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, আমরা আগেও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারীদের ছাড় দেইনি। যারা দখলদারত্ব কিংবা চাঁদাবাজির সাথে যুক্ত ছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। যারা দখলদারত্বের সাথে জড়িত তারা কেউ বিএনপি পরিবারের সদস্য নয়, তারা সুবিধাভোগী এবং সংগঠনের শত্রু। দলের কেউ যদি এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আমাদের সংগঠন থেকে স্পষ্টভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে, যারা এসবের সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। কিছু কিছু পত্রিকা দুই হাজার-পাঁচ হাজার টাকার চাঁদাবাজির ঘটনা বিএনপির সাথে জড়িয়ে বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। এটা ওয়ান ইলেভেনেও করেছে। এই শক্তিটার কাজ হচ্ছে বিএনপিকে মানুষের কাছে ছোট করে দেখানো। অথচ তারাও কিন্তু ওয়ান ইলেভেনে নিগৃহীত হয়েছে। আজ বড় বড় ব্যাংক, বড় বড় ক্লিনিক দখল হয়ে যাচ্ছে, বড় বড় প্রতিষ্ঠান দখল হয়ে যাচ্ছে সে বিষয়ে কেউ লিখছে না।

দখল হয়ে যাওয়া খালের জায়গা পুনরুদ্ধারে বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খাইরুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, খাল শুধু উদ্ধার করলেই হবে না, এর জন্য আমাদের অনেক পরিকল্পনা আছে। খাল উদ্ধার করে আমরা প্যাকেজ অনুযায়ী কাজ করবো। খাল দখল মুক্ত করে আমরা ওয়াকওয়ে, বৃক্ষ রোপণসহ খালে নৌকা চলাচলের উদ্যোগ নিয়েছি।

দখল হয়ে যাওয়া পার্কের জায়গা, পাবলিক টয়লেট এবং সিটি করপোরেশনের জায়গা উদ্ধারের বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কাইজার ফারাবী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, দখলদারদের উচ্ছেদের জন্য আমরা নিয়মিত উদ্ধার অভিযান চালানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনও আগের পর্যায়ে আসতে পারেনি। পুলিশ ফোর্স এভেইলেভেল না। আজকেও আমাদের ধানমন্ডিতে অভিযান চালানোর কথা ছিল। ম্যাজিস্ট্রেটকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল। কিন্তু থানা থেকে জানানো হলো পুলিশের সংকট আছে।

কবে নাগাদ দখল হয়ে যাওয়া সিটি করপোরেশনের জায়গা উদ্ধার করা হবে সেই বিষয়ে তিনি বলেন, এটা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। কারণ নানা কারণে আগের মতো নিয়মিত আমাদের উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিশীলতা যত বাড়বে বা যত তাড়াতাড়ি পুলিশ ফোর্স এভেইলেভেল হবে তখন উচ্ছেদ অভিযান চালানো সম্ভব হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.