ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে সফল উদ্যোক্তা মার্জিয়া

শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ ২০১৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর বিভাগের প্রথম অনলাইন কেক শপ কেকমি (Cake me ) যাত্রা শুরু করে। মাত্র ৫ বছরে রংপুরে কেকমি সফলতা অর্জন করেছে।

ঢাকা থেকে ট্রেনিং নিয়ে অফিসিয়ালি ১৯১৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা।

প্রথমে কাজটা মোটেই সহজ ছিলো না, সবাইকে অনলাইন সার্ভিস এর সাথে পরিচিতো করানো টা ছিলো সবচেয়ে কঠিন জানান কেকমির উদ্যোগতা মার্জিয়া হাসান।

তিনি বলেন, কেক কেমন হবে,অনলাইন এ ওর্ডার কেন করবে বা আদও ঠিক ভাবে হোম ডেলিভারিতে নিতে পারবে কিনা।এগুলো ছিলো না না জনের নানা মত। ধীরে ধীরে সবাই এগিয়ে আসে।আজকে রংপুর এ ২৫/৩০ টা পেজ আছে। আলহামদুলিল্লাহ আমরা গৌরবের আর বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, রংপুরের বাহির থেকেও মানুষ কেক নিতে আসে,এটা আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। ধীরে ধীরে পরিচিতি বাড়ার সাথে সাথে এখন বেড়েছে কর্মির সংখ্যা। নির্দেশনা তারই।

পেজ এ সহ – প্রতিষ্ঠাতা( Co Founder) হিসেবে যুক্ত আছেন রাজু আহম্মেদ। মার্জিয়া হাসান খান অর্থনীতিতে মাস্টার্স, আইনের ছাত্রী। ব্যাংকে চাকরি পেয়েও ছেড়ে দিয়ে আজকে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছেন।

রাজু আহম্মেদ ম্যানেজমেন্ট এ মাস্টার্স করেছেন ঢাকা থেকে এবং ঢাকায় জব করতেন একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে। এনিও জব ছেড়ে তার সহধর্মিণীর সাথে যুক্ত হন এবং দুইজনই একসাথে কাজ করেন। পাঁচ বছরে এ পযন্ত ১০০০০ + কেক করেছি অন্যান্য ব্যাবসার পাশাপাশি তারা এটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।তাদের ২ সন্তান এর মত এটিও তাদের আর এক সন্তানের মতো। সব রকমের কাস্টমাইজড কেক এখানে করা হয়।এটাই পেজ এর বিশেষতা।

রংপুরের প্রশাসন,গুনিজনের কাছে এখন কেকমির কেক একটি জনপ্রিয় নাম।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০২/০২/২৩     


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.