এইমাত্র পাওয়া

উপবৃত্তির টাকা তোলায় ভোগান্তি

অনলাইন ডেস্ক।।
সিলেট ও বরিশালে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থী। গতকাল রবিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সিলেট হেড পোষ্ট অফিসে ‘নগদ’র মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে তারা এ ভোগান্তির শিকার হন।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা নিয়ে হাজারও মানুষের অভিযোগ রয়েছে সিলেট হেড পোষ্ট অফিস কর্মকর্তাদের উপর। শিক্ষার্থীদের নগদের পিন নম্বারের কাজ না করার কারণে তাদের অভিবাবকদের স্কুল শিক্ষকরা পোষ্ট অফিসে ‘নগদ’ শাখায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা নগদ শাখায় গেলে সেখানে কর্মরত কর্মকর্তারা পিন নম্বার ঠিক করে দিয়েছেন বলে জানান। আবার পরেরদিন একই সমস্যা নিয়ে পিন নম্বারটি ঠিক হয়নি বলে নগদ শাখার কর্মকর্তাদের জানালে তারা পরবর্তী তারিখে যোগাযোগ করতে বলেন।
হাজারও শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, স্কুল থেকে পোষ্ট অফিসে নগদ শাখায় পাঠালে দিনভর অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও পিন নাম্বারটিও ঠিক করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ জানান, গতকাল নগদের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করতে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার শিক্ষার্থীর অভিবাবক সিলেট বন্দরবাজার হেড পোষ্ট অফিসে আসেন। সেখানে লাইনে দাঁড়িয়ে না থাকতে পেরে কার আগে কে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করবে এনিয়ে সৃষ্টি হয় হুলস্থল কান্ড। তিনি বলেন, এক পর্যায়ে পুলিশ গিয়ে সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
সিলেট হেড পোষ্ট অফিসের চীফ পোষ্ট মাষ্টার মোজ্জামেল হক জানান, উপবৃত্তির টাকার পিন নম্বার নিয়ে যে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে তা নিয়ে আমরাও বিষয়টি দেখছি। তবে এ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, বিষয়টি যত দ্রুত সমাধান হয় তার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

বরিশাল বিভাগের অবস্থাও একই রকম। নগদ একাউন্ট ওকে থাকার পরও টাকা তোলার সময় আনঅথোরাইজড ম্যাসেজ আসছে। পিন নাম্বারে সমস্যা হচ্ছে অনেক শিক্ষার্থির। শিক্ষার্থি ও অভিভাবকরা বলছেন নদের চেয়ে অন্য কোম্পানি ভালো। তারা নদের সমস্যার সমাধান চান।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.