এইমাত্র পাওয়া

তোরা কী চাস?

তোরা কী চাস?
শের নাদে গর্জে ওঠেন নেতা, ‘তোরা কী চাস?’
উত্তরে ছোটে ঘাতকের বুলেট, ঢা ঢা ঠাস ঠাস।
ঊনিশ’পচাত্তরের পনের আগস্ট, ভোর শুক্রবার,
খুনী,বিশ্বাসঘাতকেরা বাঙালিদের মানিয়ে দিল হার।
হত্যা করলো বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা,কামাল,জামাল ও শেখ রাসেল
সকলের বুক বিদির্ণ করলো অগ্নিগোলক শেল
পাকিস্তানীরা পেয়েছিল লজ্জা-ভয়, হত্যা করেনি যাকে
বাঙালিদের হাতে প্রাণ দিতে হলো জাতির পিতা শেখ মুজিবকে।
এ হত্যা ব্যক্তি মুজিবকে নয়,স্বপ্ন হত্যা একটি জাতির
বিশ্বে যিনি ছিলেন উদীয়মান নেতা,সকলে করতো খাতির।
নিজ দেশের মাটি-মানুষকে বাসতেন ভালো, ছিল বিশ্বাস অগাধ
তারাই তাঁকে করলো হত্যা, বন্ধ করল নিঃশ্বাস।
৭মার্চ একাত্তরে কাব্যিক ভাষণে তিনি বলেছেন,’ ভাইয়েরা আমার’
লক্ষ লক্ষ বাঙালি যোগ দিয়েছিল, ছিল কুলি-মজুর-কামার।
‘তোমাদের যার কাছে যা কিছু আছে,তা নিয়েই শ্ত্রুর মোকাবেলা করতে হবে’-তাঁর নির্দেশ
৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে স্বাধীন হলো বাংলাদেশ।
মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনে পুর্ণগঠন করেছেন দেশ
ওদিকে কুচক্রী-বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্ত তখনো হয়নি শেষ।
দেশি-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা তাঁকে হত্যার জন্য করে হাসফাস
ঘাতকের বুলেট বুকে নেওয়ার পূর্বে নেতার শেষ কন্ঠ-‘তোরা কী চাস?’
লেখক: ড. ডি. এম. ফিরোজ শাহ
সহযোগী অধ্যাপক
সরকারি  টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকা

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.