গত বছরের জুলাই থেকে বেতন পাচ্ছেন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

নিউজ ডেস্ক।।

নতুন এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের আরও ৪ হাজার ৯২০ জন শিক্ষক কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন এবং কলেজের ১ হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কমিটির সভায় এসব শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গত বছরের জুলাই থেকে দুটি ঈদ উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা ও মে মাস পর্যন্ত বেতন পাচ্ছেন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গত বছরের ১ জুলাই থেকে এরিয়ারসহ পাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

অন্যদিকে দুই দফা সুযোগ দেওয়ার পর এখনও এমপিওভুক্তির বাইরে রয়ে গেছেন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক কর্মচারি। তবে সবচেয়ে বেশি এমপিও পেয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের অধীনস্থ স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এমপিও পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। তবে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে আছেন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিরা।

সূত্র জানায়, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর গত ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিভুক্তির ঘোষণা দেন। এরপর দীর্ঘ ছয় মাস যাচাই-বাছাই শেষে গত ২৯ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এক হাজার ৬৩৩ এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ ৯৮২টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করে। এই দুই হাজার ৬১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষক কর্মচারিরা এমপিওর আবেদনের সুযোগ পান। তবে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারি এমপিওভুক্তি পেয়েছেন। ফলে এখনও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক-কর্মচারি এমপিও’র বাইরে রয়ে গেছেন।

সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নানা কারনে শিক্ষক-কর্মচারিরা এমপিওভুক্ত হতে পারছেন না। বিশেষ করে নতুন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জন্য অধিদপ্তর থেকে প্রায় ৪০ ধরনের কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এসব কাগজ সব শিক্ষক জোগাড় করতে পারছেন না। আবার কোনো কোনো শিক্ষক কাগজপত্র জমা দিলেও নানা ভুলভ্রান্তি রয়েছে। কারো কারো কাগজে অস্পষ্টতা রয়েছে। অনেক শিক্ষক-কর্মচারিই নতুন করে বানানো কাগজ জমা দিয়েছেন বলে এমপিও পাচ্ছেন না।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading