এইমাত্র পাওয়া

অনুপাত প্রথার বিলুপ্তি চায় কলেজ শিক্ষকরা

নিউজ ডেস্ক।।

এমপিওভুক্ত বেসরকারী কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরী কলেজের শিক্ষকদের বৈষম্য সৃষ্টিকারী অষ্টম গ্রেড সংশোধন ও অনুপাত প্রথা বিলুপ্তির দাবীতে জনাব জ্যোতিষ মজুমদারের সভাপতিত্বে ও জনাব জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় ১২.০৬.২০২০ তারিখ শুক্রবার সন্ধায় ভার্চুয়াল সভা হয় ।

সভায় বেসরকারী কলেজ,মাদ্রাসা ও কারিগরী কলেজের শতাধিক শিক্ষক অংশ নেন। তাদের মধ্য থেকে এম এ মতিন, জি এম শাওন, কামরুজ্জামান, রুহুল আমীন, আব্দুর রহমান , রতন কুমার সরকার, আব্দুর রহমান , মো. ওয়াসিকুরুন, শহিদুল ইসলাম, শামীম ,জিয়াউল হক, জাহাঙ্গীর হোসেন, এম এ মান্নান, আব্দুল গনি ,আরিফুল ইসলাম, আলী আকবর চৌধুরী, মো. ওয়াসিকুরুন রহমান, রীদিতা রীচি, সাহিদা পারভীন, শহিদুল আলম ,আব্দুল গণি, প্রমুখ বক্তব্য দেন ।

বক্তারা বলেন ১০ বছর সফলভাবে চাকরী করার পর গ্রেড পরিবর্তন হলে একজন প্রভাষকের বেতন বাড়বে মাত্র ১০০০ টাকা যা হাস্যকর , অনেক সময় দেখা যায় একজন প্রভাষক অনুপাত প্রথার প্রভাষক পদে থেকেই অবসর গ্রহণ করেণ যা একজন কলেজ শিক্ষকের জন্য লজ্জার । উল্লেখ্য যে পূর্বে কলেজ শিক্ষকরা নবম গ্রেড থেকে সরাসরি সপ্তম গ্রেডে পদায়ন হত কিন্তু বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী একজন প্রভাষক ১০ বছর সফল ভাবে চাকরী করার পর সপ্তম গ্রেড থেকে অষ্টম গ্রেডে পদায়ন হবেন কিন্তু নবম থেকে অষ্টম গ্রেডের বেতন ব্যবধান হল মাত্র ১০০০ টাকা, পক্ষান্তরে দশম থেকে নবম গ্রেডের ব্যবধান ৬০০০ টাকা । গ্রেড পরিবর্তন হলে একজন শিক্ষককে বারবার আবেদন করতে হয় । বক্তারা আরও বলেন প্রতিবার আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ডিজি অফিস পর্যন্ত সেলামী দিতে হয় ও শিক্ষকরা হয়রানির শিকার হন কিন্তু সকল শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য ডিজি অফিসের সার্ভারে সংরক্ষিত আছে তাহলেও কেন বার বার আবেদন করতে হবে? সভা থেকে সরকারের নিকট নিম্নোক্ত দাবী সমূহ পেশ করা হয়।

১. পূর্বের নিয়মে নবম গ্রেড থেকে সরাসরি সপ্তম গ্রেডে পদায়ন। অথবা ৮ম গ্রেড সংশোধন ।

২. অনুপাত প্রথা বাতিল করে ১২ বছরে সকলকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদায়ন। ক্রমান্বয়ে সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদ সৃজন।

৩. ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় সকলকে উপাধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষ পদে আবেদনের সুযোগ দেয়া ।

৪. গ্রেড না স্কেল পরিবর্তনে হয়রানি রোধে বারবার আবেদনের পরিবর্তে অটো গ্রেড বা স্কেল পরিবর্তনের ব্যবস্থা করা ।

৫. সর্বোপরি এমপিও ভূক্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে জাতীয়করণ।

এ দাবী সমুহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এগারো সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটি করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি জোতিষ মজুমদার আগামী সপ্তাহে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের নেতাদের সমন্বয়ে এ দাবী সমুহ নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে সকলকে অবহিত করেন।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.