এইমাত্র পাওয়া

দুই কোটি টাকা পাচ্ছেন মাশরাফিরা

ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারলেই দেশগুলো আকর্ষণীয় অঙ্কের অর্থ পায়। বিশাল অঙ্কের প্রাইজমানি ছাড়াও প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য রয়েছে আলাদা অর্থও বরাদ্ধ রয়েছে। বিশ্বকাপের প্রায় ১১ মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির দেওয়া সেই অর্থ পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। যার পরিমাণ প্রায় দুই কোটি টাকা।

গ্রুপপর্বে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য আইসিসির বরাদ্ধ ছিল ৪০ হাজার ডলার। বাংলাদেশ তিন ম্যাচ জেতায় পাচ্ছে এক লাখ ২০ হাজার ডলার। এ ছাড়া প্রাইজমানির ১০ শতাংশ অর্থ পায় প্রতিটি দেশ, সব মিলিয়ে বাংলাদেশি টাকায় মোট দুই কোটি টাকা পেতে যাচ্ছেন মাশরাফি-সাকিবরা।

ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) উদ্যোগে এই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে এই অর্থগুলো পেতে যাচ্ছেন ক্রিকেটারারা।

কোয়াব সভাপতি নাঈমুর রহমান বলেন, ‘বোর্ড থেকে ওদের বিশ্বকাপের টাকা আদায় করার বিষয়ে আমরা দেন-দরবার করেছিলাম। এরপরই বোর্ড থেকে ফোনে ওরা টাকা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা পায়। এ জন্যই গত ৯ মে অনলাইনে হওয়া কোয়াব কার্যনির্বাহী কমিটির সব শেষ সভায় ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম আমাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।’

প্রাইজমানির শতকরা ১০ ভাগ বরাদ্দ ক্রিকেটারদের জন্য বরাদ্দ থাকে, যা বোর্ডের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যেই ক্রিকেটারদের বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলা আছে এমপিএ অ্যাগ্রিমেন্টেও। তবে বিশ্বকাপের পর ১০-১১ মাস পার হয়ে গেলেও সেটির কোনো খোঁজ ছিল না। কোয়াব খোঁজ নিয়ে জানতে পারে প্রাইজমানির অর্থ ক্রিকেটারদের দেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি আছে বিসিবির।

এই প্রাইজমানির অর্থ ক্রিকেটারদের প্রাপ্য কি না, সেটি নিয়ে সংশয় ছিল বোর্ডের। এ সংশয় অবশ্য দূর করা গেছে বলেও জানিয়েছেন নাঈমুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ম্যাচ জেতার টাকা ওরা পেতই। প্রাইজমানির টাকা ওদের প্রাপ্য কি না, সেটি নিয়েই একটু দ্বিধা ছিল। তবে বোর্ডের সঙ্গে আলোচনায় সেই দ্বিধাও কেটে গেছে। এখন ওরা প্রাইজমানির টাকাও পাচ্ছে।’

টাইগাররা কবে নাগাদ এই অর্থ পাবেন, এর ‍উত্তরে নাঈমুর রহমান বলেন,  ‘আর বিলম্বও নয়, ঈদের আগেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। এখন অফিস খুললেই খেলোয়াড়দের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। খেলোয়াড়রা যাতে দ্রুত টাকা পায়, সেই উদ্যোগ নেওয়ার কথা ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির। কিন্তু এই কমিটির ম্যানেজার (সাব্বির খান) আবার জাতীয় দলেরও ম্যানেজার। দুই দায়িত্বেই অনেক কাজ। একসঙ্গে দুটো চালাতে গেলে সমস্যা তো হবেই। এখানেও তাই হয়েছে। হিসাব বিভাগে প্রস্তাবই যায়নি।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading