এইমাত্র পাওয়া

মঙ্গলবার বিকেল থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া শুরু

এগিয়ে আসছে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়া ‘আমফান’। করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যেই ইতোমধ্যে এর আঘাত সামলাতে প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ উপকূলের দিকে এগিয়ে আসায় সেখানকার বাসিন্দাদের মঙ্গলবার বিকেল থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া শুরু করবে সরকার।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব শাহ কামাল ১৮ মে, সোমবার দুপুরে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার শেষরাত থেকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমরা মঙ্গলবার বিকেল থেকে লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া শুরু করব।’

তিনি বলেন, ‘মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়াসহ সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে জানিয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, এবার আবার সামাজিক দূরত্ব মেনে আশ্রয় কেন্দ্রে জায়গা দিতে হবে মানুষকে। এজন্য গাদাগাদি করে যাতে না থাকে এজন্য আমরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নিয়েছি।’

এদিকে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি সমুদ্র খুব বিক্ষুব্ধ রয়েছে। যে কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ালি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।

তারা জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে যাতে স্বল্প সময়ের নোটিশে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতেও বলা হয়েছে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.