নিউজ ডেস্ক।।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক প্রগতি বর্মন তমা এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, “করোনা পরিস্থিতিতে সারা দেশের মানুষ বিপদগ্রস্ত। এ পরিস্থিতিতে বন্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে টিএসসি থেকে পুষ্টি বিজ্ঞান অনুষদ পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে প্রোক্টর গোলাম রাব্বানী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ‘মেট্রোরেলের স্টেশন স্থাপন করার জন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে।’ তথাকথিত উন্নয়নের জন্য এভাবেই চলে পরিবেশ ধ্বংসের আয়োজন।
শুরুতে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে মেট্রোরেলের স্টেশন নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব ছিলো তখনই আমরা এর বিরোধিতা করি। কারন আমরা এ বিষয়ে স্পষ্ট ছিলাম -এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ-জনপরিসর ও স্থাপনাসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ছাত্রদের দাবি ও আন্দোলন অগ্রাহ্য করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে মেট্রোরেলের রুট নেওয়া হলো। উপরন্তু টিএসসি’র পাশে স্থাপন হবে স্টেশন। এ যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা! আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করি,যখনই ক্যাম্পাস বন্ধ থাকে -তখনই এরকম ছাত্রস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরকম ঘটনা প্রশাসনের চরম অনৈতিক অবস্থানের পরিচায়ক।
পৃথিবীর উষ্ণায়ণ বেড়েই চলেছে। ঢাকা শহর দূষণে বিশ্বে শীর্ষে। এই গাছগুলো একদিকে যেমন ছিলো সৌন্দর্যের আধার,অন্যদিকে তা পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতো।সরকারের তথাকথিত উন্নয়ন চলছে নদী,পাহাড়-বন উজাড় করে, পরিবেশ-প্রতিবেশকে সংকটে ফেলে।আর এরই নাম পুঁজিবাদী উন্নয়ন। গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করেছেন,ফেসবুকে নিন্দা জানিয়েছেন।
কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এ ঘটনার প্রতিবাদ তো করেইনি উল্টো সহযোগিতা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন অন্যায় কাজের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। ভবিষ্যতে প্রশাসন যাতে এরকম অন্যায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে না পারে সেজন্য শিক্ষার্থী -শিক্ষক-কর্মচারীরা সচেতন থাকবেন –এ আহ্বান জানাই।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
