এইমাত্র পাওয়া

১ এপ্রিল থেকে নতুন নিয়ম, তেল নিতে লাগবে বাধ্যতামূলক ‘ফুয়েল কার্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। আগামী ১ এপ্রিল থেকে সরকার নির্ধারিত ‘ফুয়েল কার্ড’ ছাড়া কোনো গ্রাহক জ্বালানি তেল ক্রয় করতে পারবেন না। তবে কৃষকদের জন্য এক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা রাখা হয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জ্বালানি তেলের মজুত, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহারসংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সভায় সহকারী কমিশনার আলাউদ্দিন আল আজাদের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক উজ জামান, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার এবং জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, আগামী ১ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কাউকে তেল সরবরাহ করা হবে না। এ লক্ষ্যে আগামী ৩০ ও ৩১ মার্চ দুই দিন ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হবে। কার্ড সংগ্রহের জন্য আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বরের কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং এক কপি ছবি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে। কার্ডটি বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।

সভায় আরও জানানো হয়, জেলায় মোট ২২টি তেল পাম্প রয়েছে এবং আগামী সোমবার থেকে সব পাম্পে একযোগে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিতরণ কার্যক্রম চালু থাকবে।

এদিকে কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধা রেখে বলা হয়েছে, তারা দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পাম্প থেকে ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত পুলিশ ও সাংবাদিকদের জন্য চুয়াডাঙ্গার দুটি নির্দিষ্ট পাম্প থেকে তেল নেওয়ার সুযোগ রাখা হবে। প্রতিটি উপজেলায় জরুরি সেবার জন্য একটি করে পাম্প নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।

সভায় জানানো হয়, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি তেল পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।

এদিকে, অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট পাম্প মালিকদের দায় নিতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান জানান, ৩০ মার্চ থেকে জেলায় রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেটবিহীন মোটরযানের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো হবে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা কালোবাজারির চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

← Back

Thank you for your response. ✨


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.