।। এ এইচ এম সায়েদুজ্জামান ।।
বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষক সমাজ সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষক এবং প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়িত্ব পালন করছেন ( প্রাথমিক মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক কারিগরি মাদ্রাসা ও কিন্ডারগার্টেন সহ ) । সংখ্যার দিক থেকে এটি একটি বিশাল কাঠামো, যা যেকোনো জাতির জ্ঞানচর্চা ও মেধা বিকাশের মূল চালিকাশক্তি হতে পারত। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যায়, শিক্ষকদের মধ্যে লেখালেখি ও গবেষণার সংস্কৃতি প্রায় বিলুপ্তপ্রায়।
ঐতিহাসিকভাবে শিক্ষকদের কলম জাতি গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছে। রবীন্দ্রনাথ, ইব্রাহিম খাঁ, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ কিংবা বিশ্বব্যাপী সক্রেটিস, রুসো, টলস্টয় প্রমুখ শিক্ষকদের লেখাই শিক্ষা ও সমাজ পরিবর্তনের বড় ভিত্তি তৈরি করেছে। তারা শুধু শ্রেণিকক্ষেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; বরং কলম ও গবেষণার মাধ্যমে প্রজন্মকে নতুন দিশা দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষকতা শুধুমাত্র পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ কিংবা জাপানে প্রতিটি শিক্ষককে নিয়মিত গবেষণা করতে হয় এবং একাডেমিক জার্নালে প্রকাশ করতে হয়। এটি তাদের পেশাগত মূল্যায়নের অন্যতম মানদণ্ড। ফলে তাদের শিক্ষা নীতি ও পাঠ্যক্রম বাস্তবতার সঙ্গে ক্রমাগত হালনাগাদ হয়।
কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা ভিন্ন। শিক্ষক সমাজের অধিকাংশই শুধুমাত্র চাকরিকে নিরাপদ পেশা হিসেবে নেন, কিন্তু গবেষণা বা প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনায় আগ্রহী হন না। পত্রিকা, জার্নাল বা একাডেমিক প্ল্যাটফর্মে তাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। কেবলমাত্র সীমিত কিছু শিক্ষক ফেসবুকে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করেন, যা দীর্ঘমেয়াদে কোনো একাডেমিক গুরুত্ব বহন করে না। এর ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন ধারণা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ ও সৃজনশীল দিকনির্দেশনা প্রায় অনুপস্থিত।
লেখালেখি কেবল ব্যক্তিগত দক্ষতা নয়, এটি শিক্ষকের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে, আত্মসমালোচনার সুযোগ সৃষ্টি করে এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় নীতি-নির্ধারণে অবদান রাখে। তাই বাংলাদেশের শিক্ষা কাঠামোকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হলে শিক্ষক সমাজকে আবারও গবেষণা, প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লেখার সংস্কৃতিতে ফিরিয়ে আনতে হবে। নইলে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধান থাকার পরও শিক্ষা কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাবে না।
শিক্ষকতা শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়; পাঠ্যপুস্তক রচনা, গবেষণা প্রবন্ধ, শিক্ষাবিষয়ক মতামত ও নীতি প্রস্তাবনা প্রকাশেও শিক্ষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। অথচ বাস্তবে দেখা যায়, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষক সমিতি বা শিক্ষা বিষয়ক জার্নালে লেখালেখি কার্যক্রম নেই বললেই চলে।
পরিসংখ্যানগতভাবে বলা যায়, মোট শিক্ষকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১ শতাংশের কম শিক্ষক নিয়মিত বা অনিয়মিতভাবে লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। অর্থাৎ প্রায় ৯৯ শতাংশ শিক্ষক এই প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। ফলে শিক্ষক সমাজের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান এবং বাস্তব সমস্যাগুলো লিখিত আকারে সংরক্ষিত বা আলোচিত হয় না।
এর ফলে শিক্ষা গবেষণা, নতুন ধারণা, শিক্ষণপদ্ধতির উদ্ভাবন কিংবা পাঠ্যপুস্তক উন্নয়নে শিক্ষক সমাজের প্রত্যক্ষ অবদান খুবই সীমিত। বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে গবেষণা ও লেখালেখিকে প্রাধান্য দিতে হয়। অথচ আমাদের শিক্ষকেরা চাকরি পাওয়ার পর নিয়মিত পড়াশোনা ও চিন্তাশীল চর্চা থেকে দূরে সরে যান। এর ফলশ্রুতিতে শিক্ষা কার্যক্রম একদিকে একাডেমিক সমৃদ্ধি হারাচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষকের পেশাগত দক্ষতা ও সৃজনশীলতাও স্থবির হয়ে পড়ছে।
শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের লেখালেখি সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য। শিক্ষক সমিতি, শিক্ষা প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত নিয়মিত গবেষণা, প্রবন্ধ লেখা ও প্রকাশনায় উৎসাহ দেওয়া। কারণ, শিক্ষকের কলমই শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি হতে পারে।
শিক্ষকতা শুধু জীবিকার উৎস নয়, বরং জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক শিক্ষক চাকরিকে কেবল জীবিকার উৎস হিসেবে দেখেন। ফলে তাঁদের মধ্যে শিক্ষার মূল চালিকাশক্তি গবেষণা ও লেখালেখির চর্চা কমে যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হলো—প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং গবেষণার সুযোগ সীমিত থাকা। শিক্ষকরা নিজেরা নতুন কিছু শেখার বা গবেষণাধর্মী কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ খুব একটা পান না। তাই সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও গবেষণামূলক লেখা এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এ ছাড়া প্রশাসনিক ব্যস্ততা ও অতিরিক্ত পাঠদানের চাপ শিক্ষকদের লেখালেখি থেকে দূরে রাখছে। প্রতিদিনের রুটিনে পাঠদান, খাতা মূল্যায়ন, অফিসিয়াল কাজ এবং নানা দায়িত্ব পালনে তাঁরা এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে, নতুন করে লিখতে বা চিন্তাশীল প্রবন্ধ রচনা করতে সময় পান না। ফলে তাঁদের সৃজনশীলতা রুদ্ধ হয়ে যায়।
লেখালেখির সংস্কৃতি গড়ে না ওঠাও একটি বড় কারণ। অনেক শিক্ষক মনে করেন, লেখালেখি তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব নয়; বরং তা বাড়তি কাজ। প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কিংবা জাতীয় পর্যায়ে লেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করার মতো উদ্যোগের অভাবও এ ক্ষেত্রে দায়ী।
অন্যদিকে প্রণোদনা বা স্বীকৃতি না থাকায় শিক্ষকদের লেখার অনুপ্রেরণা কমে যায়। লেখা প্রকাশের পর প্রশংসা বা পুরস্কারের অভাব তাঁদের আগ্রহ নষ্ট করে। অথচ লেখালেখি শুধু জ্ঞানচর্চার নয়, শিক্ষকদের আত্মপ্রকাশ ও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
তাই লেখালেখির অভাব দূর করতে শিক্ষকদের জন্য গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন, লেখালেখিকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ এবং যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান জরুরি। লেখালেখি বাড়লে শিক্ষকরা যেমন জ্ঞানসমৃদ্ধ হবেন, তেমনি শিক্ষাব্যবস্থাও হবে আরও শক্তিশালী ও প্রগতিশীল।
শিক্ষা মানুষের মানস গঠন ও সমাজের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজকের দিনে অনেক শিক্ষক লেখালেখি ও গবেষণামূলক চর্চা থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এর ফলে শিক্ষা ব্যবস্থা তার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে।
শিক্ষকের অন্যতম দায়িত্ব হলো জ্ঞানচর্চা, নতুন চিন্তার বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের সামনে সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা। কিন্তু লেখালেখির অভাবে শিক্ষকরা কেবল পাঠ্যবই নির্ভর, পরীক্ষাভিত্তিক পড়াশোনার দিকে ঝুঁকছেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানের গভীরতা ও বিশ্লেষণী দক্ষতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা কেবল পরীক্ষায় ভালো করার জন্য পড়াশোনা করে, কিন্তু বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান বা নতুন ধারণা তৈরির সামর্থ্য অর্জন করতে পারছে না।
একই সঙ্গে সমাজও শিক্ষকদের কাছ থেকে যে আলোকিত নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে তা পূরণ হচ্ছে না। অতীতে লেখক-গবেষক শিক্ষকরা ছিলেন সমাজের দিকনির্দেশক, মতামত নির্মাতা ও অনুপ্রেরণার উৎস। কিন্তু এখন অনেক শিক্ষক কেবল চাকরির দায়িত্ব সেরে দেওয়াকেই মূল লক্ষ্য মনে করছেন। এই দায়সারা মনোভাব শিক্ষা ব্যবস্থাকে অনুপ্রেরণার বদলে নিছক আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করছে।
ফলে একটি বড় সংকট তৈরি হচ্ছে—শিক্ষক সমাজ থেকে সৃজনশীল নেতৃত্ব হারিয়ে যাচ্ছে। নতুন জ্ঞানের আলো না ছড়িয়ে কেবল পুরোনো তথ্য পরিবেশন করা হলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হবে না। শিক্ষকদের লেখালেখি, গবেষণা ও চিন্তাশীল চর্চা ফিরে আসা আজ সময়ের দাবি। লেখালেখির মাধ্যমে শিক্ষকরা যেমন নিজেদের জ্ঞানকে শাণিত করবেন, তেমনি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা ও সমাজের নেতৃত্বের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম হবেন।
শিক্ষকদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং চিন্তাভাবনা জার্নাল বা কলামের মাধ্যমে প্রকাশ করা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আধুনিক সময়ে শিক্ষকরা শিক্ষাদানের চাপ, প্রশাসনিক কাজ এবং ব্যক্তিগত দায়িত্বের কারণে লেখালেখিতে কম আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে করে শিক্ষা-সংক্রান্ত নতুন ধারণা এবং সমস্যার সমাধানের আলোচনা কমে যাচ্ছে। সরকার এই সমস্যা মোকাবিলায় কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে, যা শিক্ষকদের উত্সাহিত করবে এবং লেখার সংস্কৃতি পুনরুজ্জীবিত করবে।
প্রথমত, সরকার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করতে পারে। এতে লেখার কৌশল, গবেষণা পদ্ধতি এবং জার্নাল প্রকাশনার নিয়মাবলী শেখানো যাবে। উদাহরণস্বরূপ, জাতীয় শিক্ষা কমিশনের অধীনে ওয়ার্কশপ বা অনলাইন কোর্সের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে শিক্ষকরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন এবং লেখায় অংশগ্রহণ করবেন।
দ্বিতীয়ত, উত্সাহমূলক প্রণোদনা প্রদান করা দরকার। সরকারী নীতিতে জার্নাল বা কলাম প্রকাশিত হলে বোনাস, প্রমোশন অথবা স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করা যায়। যেমন, বার্ষিক কর্মক্ষমতা মূল্যায়নে লেখালেখিকে একটি মানদণ্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। এছাড়া, শিক্ষকদের জন্য বিশেষ গ্রান্ট বা ফেলোশিপ প্রোগ্রাম চালু করে গবেষণা ও লেখার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া যাবে।
তৃতীয়ত, সরকার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারে। জাতীয় শিক্ষা পোর্টাল বা ডিজিটাল জার্নালের মাধ্যমে শিক্ষকরা সহজেই তাঁদের লেখা প্রকাশ করতে পারবেন। এতে কলাম লেখার জন্য সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিনের সাথে সহযোগিতা করা যায়। এছাড়া, শিক্ষকদের কর্মসময়ে লেখার জন্য বিশেষ ছুটি বা সময় বরাদ্দ করা যাবে, যাতে তাঁরা চাপমুক্ত থাকেন।
সরকারী নীতিতে শিক্ষক-সহযোগিতা প্রোগ্রাম চালু করা যায়। যেমন, শিক্ষক ফোরাম বা কনফারেন্সের মাধ্যমে আইডিয়া শেয়ারিং। এতে লেখালেখি একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা হয়ে উঠবে।
এসব পদক্ষেপ নিলে শিক্ষকরা লেখায় ফিরে আসবেন, যা শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করবে এবং পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষা-সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটাবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষকের বিশাল কর্মীবাহিনী থাকলেও লেখালেখির অভাব শিক্ষার গুণগত মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। শিক্ষকদের জার্নাল, নিবন্ধ বা কলাম লেখার প্রবণতা হ্রাস পাওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থা তার মেধাগত সমৃদ্ধি হারাচ্ছে। শিক্ষকরা শিক্ষাদানের পাশাপাশি চিন্তাশীল লেখার মাধ্যমে নতুন ধারণা, সমস্যার সমাধান এবং শিক্ষার উন্নয়নমূলক আলোচনায় অবদান রাখতে পারেন। কিন্তু প্রশাসনিক চাপ, সময়ের অভাব এবং উৎসাহের ঘাটতি তাঁদের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। ফলে শিক্ষা ব্যবস্থা পথভ্রষ্ট হচ্ছে, কারণ শিক্ষকদের মেধাগত প্রকাশের অভাবে নতুন প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
সরকার এই সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে। শিক্ষকদের লেখালেখির জন্য প্রশিক্ষণ, আর্থিক প্রণোদনা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং বিশেষ সময় বরাদ্দের ব্যবস্থা করা জরুরি। এছাড়া, শিক্ষকদের মধ্যে সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করে এবং তাঁদের লেখাকে জাতীয় শিক্ষানীতির অংশ হিসেবে গ্রহণ করলে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষকদের লেখা শুধু জ্ঞানের সংরক্ষণ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। এই প্রচেষ্টা শিক্ষা ব্যবস্থাকে পথভ্রষ্টতার হাত থেকে রক্ষা করে একটি সমৃদ্ধ, চিন্তাশীল এবং গতিশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
লেখক: যুগ্ম- মহাসচিব
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।
শিক্ষাবার্তা /এ/২৭/০৮/২০২৫
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
