এইমাত্র পাওয়া

৪৯তম বিসিএসে আরবি ও ইসলাম শিক্ষায় সার্কুলার চান শিক্ষার্থীরা

ঢাকাঃ সম্প্রতি ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) বিজ্ঞপ্তিতে ‘আরবি ও ইসলামী শিক্ষা’ অন্তর্ভুক্ত না থাকার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী। তারা বলেছেন, ২০১৮ সাল থেকে সরকারি কলেজগুলোতে ‘আরবি ও ইসলামী শিক্ষা’ পদে নিয়োগ না দেওয়ায় অনেক পদ শূন্য রয়েছে। তবুও ৪৯তম শিক্ষা ক্যাডারের সার্কুলারে এই ক্যাডার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তারা সার্কুলারে উক্ত পদ অন্তর্ভুক্তি করে আবেদনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ১১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইবরাহীম নাফিস।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক নিয়োগের জন্যই কেবল ৪৯তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। সাধারণত সরকারি কলেজের প্রভাষক পদ বেশি শূন্য থাকলে বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ ২০১৮ সালে ৪০তম বিসিএসের পর থেকে ‘আরবি ও ইসলামী শিক্ষা’ বিষয়ে কোনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৬৬টি কলেজে ‘আরবি ও ইসলামী শিক্ষা’ বিভাগ রয়েছে। ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) কেবল সরকারি কলেজের প্রভাষক নিয়োগের জন্য দেওয়া হয়েছে বিধায় আমরা আশাবাদী ছিলাম যে, বিজ্ঞপ্তিতে আরবি ও ইসলামী শিক্ষার প্রভাষক পদ শূন্য দেখানো হবে। কিন্তু আরবি ও ইসলামী শিক্ষার কোনো পদ শূন্য নেই দেখে আমরা চরম হতাশ হয়েছি। যেসব কলেজে আরবি ও ইসলামী শিক্ষা বিভাগ রয়েছে সেগুলোর শিক্ষকদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করে জানতে পারি, ওই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘আরবি ও ইসলামী শিক্ষা’ বিষয়ে ৩৩টি প্রভাষক পদ শূন্য রয়েছে।

নাফিস বলেন, বিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপের আয়োজন সম্পন্ন করে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় দুই বছর সময় লেগে যায়, ততদিনে নিশ্চয়ই আরও পদ শূন্য হবে। এত সংখ্যক পদ শূন্য থাকা সত্যেও ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) এর বিজ্ঞপ্তিতে ‘আরবি ও ইসলামী শিক্ষা’ বিষয়ে পদ শূন্য না দেখানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও আমাদের জন্য চরম হতাশার বিষয়। আমরা এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাদের দাবি জানিয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে তারা ৪৯তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তিতে ‘আরবি ও ইসলামী শিক্ষা’ -এর শূন্য পদগুলো অন্তর্ভুক্ত করে আরবির শিক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ সৃষ্টির জন্য আমরা জোর দাবি জানান। দাবি না মানা হলে আইনি সহায়তা গ্রহণসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আরবি বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুনতাসীর আহমেদ মুয়াজ, ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান এবং নাঈম তানভীর প্রমুখ।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০৫/০৮/২০২৫  


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading