এইমাত্র পাওয়া

মাদ্রাসায় অবৈধ নিয়োগ: সহকারী শিক্ষকের বেতন বন্ধ

ফরিদপুরঃ ফরিদপুরের সালথায় একটি মাদ্রাসায় অবৈধ নিয়োগের প্রমাণ পাওয়ায় একজন সহকারী শিক্ষকের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলার পশ্চিম বিভাগদী আব্বাসিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক (শরীর চর্চা) হিসেবে কর্মরত হালিমা খাতুনের নিয়োগ অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় তার বেতন বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. আনিছুর রহমান বালী।

জানা যায়, ২০০০ সালের ২০ জানুয়ারি হালিমা খাতুন সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। কিন্তু তার দাখিলকৃত বিপিএড সনদে উল্লেখ রয়েছে, তিনি ২০০৪ সালে গোপালগঞ্জের সাবেরা রউফ কলেজ থেকে পাশ করেন—যা ১৯৯৫ সালের মাদ্রাসা জনবল কাঠামো নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অভিযোগ উঠেছে, তিনি চাকরিতে প্রবেশের সময় প্রযোজ্য কোনো প্রশিক্ষণ সনদ পেশ করতে পারেননি।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম গত বছরের ২১ নভেম্বর ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। পরে তদন্তে দেখা যায়, হালিমা খাতুন ২০১৩ সালে কুষ্টিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বিপিএড সনদ অর্জন করেন, যা নিয়োগের প্রায় ১৩ বছর পর। ফলে তার নিয়োগটি অবৈধ বিবেচিত হয়।

গত ১৬ এপ্রিল বিষয়টি তদন্ত শেষে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। এরপর ৩০ জুন ইউএনও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে হালিমা খাতুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে, বেতনভাতার তালিকায় হালিমার নামসহ হাজির হন ভারপ্রাপ্ত সুপার। এতে ইউএনও হালিমার নাম বাদ দিয়ে অন্য শিক্ষকদের বেতন অনুমোদন করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হালিমা খাতুন বলেন, ‘আমি ২০১৩ সালে বিপিএড পাস করেছি। ২০০৪ সালের সনদ কে জমা দিয়েছে, জানি না। চাকরিতে প্রবেশের সময় নীতিমালা সম্পর্কে জানা ছিল না।’

এ বিষয়ে ইউএনও আনিছুর রহমান বালী বলেন, ‘তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। তাই হালিমার বেতন বন্ধ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/৩০/০৭/২০২৫


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading