স্কুল শিক্ষক থেকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ এবং এমপিওভুক্ত হয়ে বহাল সাইদুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ টানা আট বছর চাকরি করেছেন ইনডেক্সধারী সহকারী শিক্ষক হিসেবে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করা অবস্থাতেই ২০২২ সালে ৬ জুলাই তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আওয়ামী সাংসদ ও মন্ত্রীদের মদদপুষ্ট নন এমপিও ১০৯ টি ইন্টারমিডিয়েট কলেজকে এমপিওভুক্ত করলে ইনডেক্সধারী সহকারী শিক্ষক থেকে সরাসরি প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হয়ে বাগিয়ে নেন এমপিও। অর্থ্যাৎ ইনডেক্সধারী সহকারী শিক্ষক থেকে সরাসরি ইনডেক্সধারী প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। তৎকালীন আওয়ামী লীগের (বর্তমান নিষিদ্ধ ঘোষিত) প্রভাবে এভাবেই কোনো নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে অধ্যক্ষ পদে এমপিওভুক্ত হয়ে এখনও দাপটের সাথে চাকরি করছেন। অনিয়মের প্রধান কারিগর দাপটে এই অধ্যক্ষ হলেন শেরপুর সদর উপজেলাধীন পাকুড়িয়া ইউনিয়নে অবস্থিত নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাইদুল ইসলাম (ইনডেক্স নং-N56851732)। 

শিক্ষাবার্তা’র অনুসন্ধানে জানা গেছে, মো. সাইদুল ইসলাম ১১ জুলাই ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে শেরপুর জেলার সদর উপজেলাধীন  চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে যোগদান করেন এবং এমপিওভুক্ত হন। সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে তার ইনডেক্স নম্বর N1127908। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে সর্বশেষ জুন ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সহকারী শিক্ষক পদে মাসিক বেতন-ভাতা (এমপিও) উত্তোলন করেন। অন্যদিকে ২০২২ সালে ৬ জুলাই তারিখে নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজ এমপিওভুক্ত হলে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে এমপিওভুক্ত হন তিনি। নতুন এমপিওভুক্ত এই কলেজটির প্রথম মাসিক বেতন-ভাতা (এমপিও) পায় ২০২৩ সালের জুলাই মাসে। কলেজটির এমপিওভুক্তির সময় (৬ জুলাই ২০২২) থেকে জুন ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বকেয়া এমপিও’র অর্থ এবং এরিয়া পান সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে। অর্থ্যাৎ শুধু সহকারী শিক্ষক থেকে অধ্যক্ষ পদ বাগিয়ে নিয়ে এমপিওভুক্ত হননি মো সাইদুল ইসলাম, একই সাথে জুলাই ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে জুন ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে এবং নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে এক সাথে দুইটি প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা (এমপিও) নিয়েছেন তিনি। 

চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপিওশীটে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাস পর্যন্ত সহকারী শিক্ষক পদে মোঃ সাইদুল ইসলামের নাম ও বেতন-ভাতা। সূত্রঃ মাউশি

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজ এমপিওভুক্ত হলে এমপিওভুক্তির সময় শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগকালীন কাম্য যোগ্যতা, শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল কপিসহ এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে হয়। এমপিওভুক্তির সময়ে দেওয়া কাগজপত্র ঘেটে দেখা গেছে, মোঃ সাইদুল ইসলাম ২২ অক্টোবর ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রভাষক (ইসলাম শিক্ষা) পদে নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজে নিয়োগ পান এবং একই বছরের ৩১ অক্টোবরে তিনি কলেজটিতে নবীন প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের কাগজপত্র অনুযায়ী, ৫ জুন ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় দৈনিক ভোরের ডাক ও শেরপুরের স্থানীয় দৈনিক তথ্য ধারায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে আদতে এই পত্রিকায় কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। এই তারিখের পত্রিকার পুরো কপিতে কলেজটির অধ্যক্ষ পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  শিক্ষাবার্তা’ খুঁজে পায়নি। এই পাতানো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ নিয়ে ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে কলেজটিতে যোগদান করেন তিনি। এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০১৮ অনুযায়ী, “উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য উপাধ্যক্ষ পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতা অথবা সহকারী অধ্যাপক/প্রভাষক পদে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে মাদ্রাসা/কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রভাষক (সাধারণ)/সহকারী অধ্যাপক (সাধারণ) এর অভিজ্ঞতা হিসেবে গণ্য হবে”। কোনো ক্রমেই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি অধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অন্যদিকে, সাইদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য মতে তিনি ২০১৫ সালে কলেজটিতে ইসলাম শিক্ষার প্রভাষক পদে যোগদান করলেও সে হিসাবে তার কাম্য যোগ্যতা তিন বছরের। অর্থ্যাৎ যথাযথ প্রক্রিয়ায় অধ্যক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও তার কাম্য যোগ্যতা না থাকায় তিনি আবেদনের যোগ্য বলে গণ্য হবেন না। এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০১৮ এর অনুচ্ছেদ ১১.১০ (ক) অনুযায়ী, “বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ (এমপিও) প্রাপ্তির জন্য আবেদনকারী শিক্ষক-কর্মচারীগণ একই সাথে একাধিক পদে চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোন পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না”। এক্ষেত্রে অধ্যক্ষ মো. সাইদুল ইসলাম ২০২২ সালে কলেজটি এমপিওভুক্তি হলে তিনি যখন সরকারি বেতন ভাতার অংশ প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেন তখন তিনি একই সাথে এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন ইনডেক্সধারী শিক্ষক। তিনি কোনোভাবেই কলেজের অধ্যক্ষ পদে নীতিমালা অনুযায়ী বেতন-ভাতার সরকারি অংশের অর্থ প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে পারেননা। শুধু তাই নয়, শিক্ষক কর্মচারীর ব্যক্তি এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই বাছাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তর কর্তৃক প্রতিটি ধাপে (উপজেলা, জেলা, অঞ্চল অধিদপ্তর পর্যায়ে) ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ব্যানবেইসে অনলাইনে সংগৃহীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের ডাটাবেইসে সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে ব্যক্তি এমপিওভুক্তির জন্য দাখিলকৃত তথ্য তুলনামূলক যাচাই বাছাই করার নির্দেশ থাকলেও মোঃ সাইদুলের এমপিওভুক্তিতে এসবের কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি। 

নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে জুন ২০২২-জুন ২০২৩ পর্যন্ত বকেয়া বেতন ও এরিয়া উত্তোলন করেন সাইদুল। সূত্র; মাউশি

চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয় এবং নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজের একাধিক শিক্ষক শিক্ষাবার্তা’কে জানিয়েছেন, চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে যোগদানের সময় তিনি ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনের (কম্পিউটার) সনদ দিয়েছেলনে, এবং নিজাম উদ্দিন কলেজে খাতা কলমে প্রভাষক পদে যোগদান দেখানোর সময় তিনি ইসলাম শিক্ষার নিবন্ধন সনদ দেখিয়েছিলেন। তারা জানান, এই দুইটি নিবন্ধন সনদ এনটিআরসিএর মাধ্যমে যাচাই করলে তা জাল পাওয়া যাবে। 

চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে নিয়োগ পরীক্ষা নম্বর পত্র। সূত্রঃ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ আলহাজ্ব মোঃ আতিউর রহমান আতিক। আর এই আতিকের সাথে সখ্যতা থাকায় মোঃ সাইদুল ইসলাম কোনো নিয়ম তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ণ অনিয়ম করে স্কুলে শিক্ষকতা করা অবস্থাতেই কলেজটির অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ এবং এমপিওভুক্তি বাগিয়ে নেন। বতর্মানে আওয়ামী লীগ সরকার নিষিদ্ধ হলেও আওয়ামী ছত্রছায়ায় বিধিবর্হিভূতভাবে নিয়োগ এবং এমপিওভুক্তি হয়েও বহাল তবিয়তে আছেন তিনি। 

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য তাদের আবেদনের ভেতর নিজের কর্মরত আত্মীয়স্বজন ও পছন্দের শিক্ষক-কর্মচারীদের মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করে আবেদন করেন এবং উপবৃত্তির সেই টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০২২ সালে এমপিও ঘোষণা হওয়ার পর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও বাবদ প্রায় ৩২ লাখ টাকা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যানবেইজের তথ্যে নাম না থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। 

২০১৫ সাল থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত আপনার স্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে এমপিও’র অর্থ উত্তোলন করেও নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজে ২০১৮ সালে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ এবং ২০২২ সালের জুন মাসে এমপিওভুক্তি হলেন জানতে চাইলে চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, “আমার স্কুল থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি। কিভাবে স্কুল থেকে কলেজের অধ্যক্ষ হয়ে গেলেন সে বিষয়ে আমি বলতে পারব না। কলেজের কোনো নিয়ম-নীতিমালা আমার জানা নেই”। 

কিভাবে এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী শিক্ষক থাকাবস্থায় কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ এবং এমপিওভুক্ত হলেন জানতে চাইলে অধ্যক্ষ মোঃ সাইদুল ইসলাম শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, আমার এক সহকর্মীর এমপিও না হওয়ায় মামলা মোকদ্দমাসহ অনেক জায়গায় অসত্য অভিযোগ দিয়েছিল। ডিসি অফিস, মাউশি সহ চার-পাঁচ জায়গা থেকে তদন্ত হয়েছে তদন্তে তারা সত্যতা খুঁজে পাইনি রিপোর্ট আমার কাছে আছে। 

এর কিছু সময় বাদে তিনি এই প্রতিবেদকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা’য় জানান, “তিনি গত ১১ জুলাই ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে  চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগের পরে সেই প্রতিষ্ঠানে আমার নামে কোনো বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হয় নাই। ইনডেক্স কর্তনের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের। এই বিষয়টিতে অসম্পূর্ণ ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমি অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি। আপনি চাইলে প্রতিষ্ঠানে এসে দেখে যেতে পারেন”। 

আপনার দেওয়া তথ্য মতে, ২০১৮  সালে সহকারী শিক্ষক পদ থেকে পদত্যাগ করে কোন যোগ্যতা ও কাম্য অভিজ্ঞতায় কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ নিলেন এবং পদত্যাগ করার পর ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত আপনার বেতন-ভাতা চর জংগলদী রাহেতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপিওশীটে আসে জানতে চেয়ে এরপর তাকে ফোন করলে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। 

নিজাম উদ্দিন আহম্মদ মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি (এডহক) ও শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি  এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম সভাপতি মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

২০১৮ সালে  অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের  প্রতিনিধি ছিলেন শেরপুর সরকারি কলেজের তৎকালীন  অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ। তার মুঠোফোনে কল করলে কল রিসিভ করেন তাঁর সহধর্মীনি। তিনি জানা অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভূঁইয়া শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, এ নিয়ে অনেক কথাবার্তা শুনি, আপনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন তারা বিষয়টি ভালোভাবে বলতে পারবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। 

এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান এবং শেরপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) তরফদার মাহমুদুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক আলিফ উল্লাহ শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, একই সাথে দুটি প্রতিষ্ঠানে বেতন-ভাতা সহ অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ করা সম্পূর্ণই অনিয়ম। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২০/০৫/২০২৫


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.