ঢাকাঃ হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভিকে (এইডস) আক্রান্ত কোষ থেকে আলাদা করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা। প্রাথমিকভাবে সাফল্য পাওয়া গেলেও এ প্রযুক্তি নিয়ে আরও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাকি আছে।
তবে ইতোমধ্যে যতটুকু সাফল্য পাওয়া গেছে তাই বেশ উৎসাহব্যঞ্জক। প্রযুক্তিটি আরও বেশি সফল প্রমাণিত হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ এইচআইভিমুক্ত করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২০ সালে রসায়ন শাস্ত্রে নোবেল জয়ী বিজ্ঞানী ইমানুয়েল চার্পেন্টিয়ার ও জেনিফার ডুডনার জিন সম্পাদনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে এইচআইভিকে আক্রান্ত কোষ থেকে আলাদা করা হচ্ছে। তারা এমন একটি জেনেটিক কাঁচি উদ্ভাবন করেছেন যা জিন প্রযুক্তির সবচেয়ে তীক্ষ্ণ হাতিয়ারগুলোর একটি বলে পরিচিতি পেয়েছে। এটি ক্রিস্পার প্রযুক্তি নামে পরিচিত।
প্রচলিত ওষুধ দিয়ে এইচআইভিকে থামানো যায়। কিন্তু আক্রান্ত কোষ থেকে আলাদা করা যায় না। কিন্তু নতুন জেনেটিক কাঁচি দিয়ে এইচআইভিকে আক্রান্ত কোষ থেকে আলাদা করা যাবে।
কাঁচিটি দিয়ে কোষের মলিকুলার বা অত্যন্ত সূক্ষ্ম পর্যায়ে কাজ করা যায়। ডিএনতে এ কাঁচি ব্যবহার করে ‘খারাপ’ কোষগুলোকে সরানো বা নিষ্ক্রিয় করা যায়।
নেদারল্যান্ডের আমাস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী চলতি সপ্তাহে একটি কনফারেন্সে এইচআইভিকে আলাদা করা বিষয়ক তাদের প্রাথমিক গবেষণা ফল উপস্থাপন করেন। তবে তারা জোর দিয়ে বলছেন, এখন পর্যন্ত তারা একটি ধারণাকে প্রমাণ করতে পেরেছে। এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এইচআইভিমুক্ত হতে আরও সময় লাগবে।
ইংল্যান্ডের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেম-সেল ও জিন-থেরাপি প্রযুক্তির সহযোগী অধ্যাপক ড. জেমস ডিক্সন আমাস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, পূর্ণাঙ্গ ফলাফল আরও যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।
এইচআইভি নির্মূলের জন্য অন্য বিজ্ঞানীরাও ক্রিস্পার প্রযুক্তি ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। বিবিসি বাংলা
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৪/০৩/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
