এইমাত্র পাওয়া

‘টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ পুরস্কার পেল ১৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

ঢাকাঃ কেমব্রিজ পরীক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ‘টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ পুরস্কার প্রদান করা হয়। অর্থাৎ তারা কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সারা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করেছে। এই ১৫ জন বিজয়ীর মধ্যে ১১ জনই কেমব্রিজ ও লেভেল, কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এএস অ্যান্ড এ লেভেল এবং কেমব্রিজ আইজিসিএসইর বিষয়গুলোতে এ পুরস্কার লাভ করে।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর ঢাকার রেডিসন ব্লুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ও কেমব্রিজ ইন্টান্যাশনাল এডুকেশনের যৌথ আয়োজনে ‘আউটস্ট্যান্ডিং কেমব্রিজ লার্নার অ্যাওয়ার্ডস’ (ওসিএলএ) প্রগ্রামের আওতায় শিক্ষার্থীরা অসামান্য অবদানের জন্য এই স্বীকৃতি পেয়েছে।

ওসিএলএ প্রগ্রামের আওতায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড, হাই অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, টপ ইন কান্ট্রি ও বেস্ট অ্যাক্রস―চারটি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন মোট ৬৭ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে ২০২৩-এর ওসিএলএর ৭৯টি পুরস্কারে ভূষিত করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার ম্যাট ক্যানেল।

আরো উপস্থিত ছিলেন কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট, সাউথ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুণ রাজামনি; ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিরেক্টর অব প্রগ্রামস ডেভিড নক্স : এক্সামস ডিরেক্টর ম্যাক্সিম রাইম্যান; কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহীন রেজা এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের এক্সামিনেশনসের ডিরেক্টর অপারেশনস জুনায়েদ আহমেদ ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর সারওয়াত রেজা।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ম্যাট ক্যানেল বলেন, ‘প্রতিযোগিতার এ উদ্যোগ বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় ও বৈচিত্র্যময় ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিক অনেক সুযোগ রয়েছে এবং যুক্তরাজ্যের বিশ্বের মধ্যে সেরা শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। আমাদের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান, ব্যবসা, একাডেমিয়া এবং সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাঠদানে স্বনামধন্য।

পৃথিবী দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য কিছু সংকটও তৈরি হয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি আমি বলতে চাই, আপনাদের দক্ষতাই এ সংকটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভূমিকা রাখবে।’

ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুণ রাজামনি বলেন, ‘স্টেম এ দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে এসব শিক্ষার্থী ইংরেজি, আর্ট অ্যান্ড ডিজাইন, অ্যাকাউন্টিং ও বাংলার মতো বিষয়গুলোতে অসামান্য ফলাফল অর্জন করেছে। শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল, আত্মবিশ্বাসী, উদ্ভাবনী, সম্ভাবনাময় করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কেমব্রিজ এডুকেশন।’

প্রতিষ্ঠানটি গত ১৬০ বছর ধরেই এ আত্মর্জাতিক পরীক্ষা পরিচালনা করে আসছে।

প্রতিবছর বিশ্বের ১০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের কোর্স গ্রহণ করে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৮/০৩/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.