এইমাত্র পাওয়া

কুমিল্লা নার্সিং কলেজ: হিজাবকাণ্ডে অভিযুক্ত সেই শিক্ষিকা সিসিইউতে ভর্তি

কুমিল্লাঃ কুমিল্লা নার্সিং কলেজে হিজাব কান্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোসা: মিরণ নাহার বেগম অসুস্থ্য। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি আছেন। আজ সকাল ১০টায় তিনি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে ঘটনা যাওয়া ঘটনার জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমা প্রার্থনার সময় অসুস্থ্য অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জানা যায়, ২৫ জানুয়ারি সকাল ৮টায় কুমিল্লা নার্সিং কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মোসা: মিরণ নাহার কলেজে আসেন। হিজাবকান্ডে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়ের সময় শিক্ষার্থীদের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এসময় তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করে মাটিতে লুটিয়ে পরেন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক ইসিজি পরীক্ষা করে জানতে পারেন তার হার্টে সমস্যা হয়েছে। কুমেক হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তির পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি ওয়ার্ডে সিসিইউতে ভর্তি আছেন।

তাঁর স্বামী মো: মিজানুর রহমান জানান, আমার স্ত্রী মোসা: মিরণ নাহার বেগম নার্সি কলেজে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে একটু চিন্তিত ছিলেন। আজ সকালে কলেজে আসার পর শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলা অবস্থায় অসুস্থ্য হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩য় তলায় কার্ডিওলজি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন। আপনারা সকলে আমার স্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন।

এ বিষয়ে নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ আকবরী খানম জানান, আজ সকালে আমি মোসা: মিরণ নাহার বেগমকে লিখিত আকারে হিজাকান্ড নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার ব্যাখা চেয়েছি। তিনি ২মিনিট সময় চেয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে দিবেন বলেছেন। তাকে আমি নিষেধ করেছিলাম শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে । আমি এও বলেছিলাম প্রয়োজনে আামি নিয়ে যাব শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার জন্য। তিনি আমার কথা না শুনে একা একা শিক্ষার্থীদের সাথে ক্ষমা প্রার্থনার সময় অসুস্থ্য হয়ে মাটিতে পরে যান। সেখান থেকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখন তিনি কুমেক হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি আছেন।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা নার্সিং ও মিডওয়াইফারী কলেজে দুই শিক্ষার্থীর হিজাব কেটে দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে ওই কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা কলেজের ৬ জন শিক্ষককে কক্ষে আটকে রেখে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এরপর শুরু করে বিক্ষোভ। এসময় তাদের স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠে কলেজ প্রাঙ্গণ।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৬/০১/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.