এম মামুন হোসেন।।
চলতি বছর প্রথম, দ্বিতীয়, ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণিতে নতুন পাঠ্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামী বছর বাস্তবায়ন করা হবে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে। এরপর ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে, ২০২৬ সালে একাদশ শ্রেণিতে এবং ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে ধাপে ধাপে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে দক্ষতা, সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে শেখাতেই নতুন এই শিক্ষাক্রম চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
তবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনেকেই এর সমালোচনা করছেন। এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে প্রধান বাধা প্রস্তুতির অভাব, শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব, অবকাঠামোর অভাব, শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত এবং গ্রাম ও শহরের পার্থক্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষাক্রমের নাম দিয়ে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একটি ভিডিওতে একাধিক শিক্ষককে হাঁসের ডাক নিয়ে অভিনয় করতে দেখা যায়। আরেকটি ভিডিওতে সাইকেল চালানোর অভিনয় দেখানো হয়েছে। তবে এসব কিছুই নতুন শিক্ষাক্রমে নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আর অভিভাবকরা বলছেন, ফিনল্যান্ডের মানুষ চাঁদে যায় না। চাঁদে যায় কিংবা গ্লোবাল ব্র্যান্ডের সিইও (প্রধান নির্বাহী) হয় ভারতের গ্র্যাজুয়েটরা। বিশ্বব্যাপী সমধিক পরিচিত শিক্ষাক্রম ক্যামব্রিজ বা এডেক্সেলের। তা হলে এসব বাদ দিয়ে কী কারণে ফিনল্যান্ডের শিক্ষা পদ্ধতিতে পড়ানো হবে। এই পাঠ্যক্রমের উদ্দেশ্য কি কেবল দক্ষ শ্রমিক তৈরি। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রধান নির্বাহী তৈরি সম্ভব হবে কি না অভিভাবকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলছেন।
অভিভাবকদের অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, ভাত রান্না করা শিখতে স্কুলে যেতে হবে কেন? প্রতিদিন অ্যাসাইনমেন্টের নামে এত টাকা খরচ করাবে কেন?
শিক্ষাক্রম নিয়ে কেন বিতর্ক
তথ্য অনুসন্ধানের কাজে শিক্ষার্থীদের মোবাইলসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নির্ভরতা বাড়াবে কেন? বাড়ির কাজ হিসেবে কেন দলগত কাজ দেওয়া হবে?-এ রকম অনেক প্রশ্ন শিক্ষার্থীকেও দ্বিধায় ফেলে দিচ্ছে। আসলে পড়াশোনা কি ঠিকমতো হচ্ছে? পড়াশোনা ঠিকমতো হচ্ছে কি না, এর উত্তর দেওয়া কঠিন। অন্যদিকে এই শিক্ষাক্রম তারা ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারছেন না। তারা অভিযোগ করছেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ঠিকমতো হচ্ছে না। এমনকি সময়মতো শিক্ষক সহায়িকাও তাদের হাতে আসছে না। এই শিক্ষাক্রমে পাঠদান প্রক্রিয়াতেও আমূল পরিবর্তন এসেছে। আগের মতো কেবল শিখন-শেখানো কার্যক্রমের মধ্যে প্রক্রিয়াটি সীমিত নয়।
নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ভয়ংকর মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষাক্রম নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বাচ্চা কত নম্বর পেল, জিপিএ-৫ পেল কি না, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হলো কি না, অন্যের বাচ্চার চেয়ে আমার বাচ্চা বেশি নম্বর পেল কি না এই বিষয়গুলো নিয়ে অতিমাত্রায় ব্যস্ত ছিলেন মা-বাবারা।
শিক্ষাক্রমে কি পরিবর্তন : দেশে এতদিন যে শিক্ষাক্রম চালু ছিল, মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সেটিতে পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হতো। কিন্তু নতুন শিক্ষাক্রমে সেই জায়গা থেকে সরে আসা হয়েছে। এখন পরীক্ষার চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর শিখনকালীন মূল্যায়ন বা ধারাবাহিক মূল্যায়নকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগে যেখানে প্রথম শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হতো, সেখানে এখন প্রাথমিক স্তরে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা থাকছে না। এ ছাড়া চতুর্থ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার পাশাপাশি ধারাবাহিক মূল্যায়নের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে আবশ্যিক বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়গুলোর পরীক্ষা বাদ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে আগে পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা, অষ্টম শ্রেণিতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নেওয়া হতো। কিন্তু এসব পরীক্ষা এখন আর থাকছে না। বরং শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে এবং সে অনুযায়ী সনদ দেওয়া হবে। আগে নবম শ্রেণিতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের মধ্য থেকে পছন্দমতো যেকোনো একটি বিভাগ বেছে নিতে পারত। কিন্তু এখন দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সবাইকে একটি অভিন্ন সিলেবাসে পড়ানো হবে।
নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক স্তর, অর্থাৎ নার্সারি ও প্লে-তে শিশুদের জন্য এখন আর কোনো বই থাকবে না। শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষকরা তাদের সরাসরি শেখাবেন। এরপর প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তাদের মাত্র তিনটি বই পড়ানো হবে। তবে কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে বছরব্যাপী চলা বিভিন্ন শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে। পরবর্তী শ্রেণিগুলোর মূল্যায়ন পদ্ধতিতে অবশ্য পরীক্ষা ও ধারাবাহিক শিখন কার্যক্রম দুটোই থাকছে। এ ক্ষেত্রে শ্রেণিভেদে ৩০ থেকে ৬০ ভাগ পর্যন্ত মূল্যায়নই করা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিখনকালীন সময়ে। বাকিটা আগের মতোই পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।
শিখনকালীন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগের দক্ষতা, উপস্থাপন, ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট বা বাড়ির কাজসহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট দশটি বিষয়ে পড়ানো হবে। বিষয়গুলো হচ্ছে ভাষা ও যোগাযোগ, গণিত ও যুক্তি, বিজ্ঞান ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, জীবন ও জীবিকা, সমাজ ও বিশ্ব নাগরিকত্ব, পরিবেশ ও জলবায়ু, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি। এর মধ্যে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন হবে ৬০ শতাংশ। আর সামষ্টিক মূল্যায়ন অর্থাৎ পরীক্ষা হবে ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা, শিল্পকলায় শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে। আর ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ ও সামষ্টিক মূল্যায়ন বা বছর শেষে পরীক্ষায় থাকবে ৪০ শতাংশ। বাকি বিষয় জীবন ও জীবিকা, তথ্যপ্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতিতে শিখনকালীন মূল্যায়ন হবে শতভাগ।
এ বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান সময়ের আলোকে বলেন, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাসে নিয়মিত মূল্যায়ন চলছে। ছয় মাস পর সামষ্টিক একটি মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রচলিত পদ্ধতির পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। ঘণ্টা বাজে এরপর শিক্ষার্থীরা ৫টি, ৭টি কিংবা ১০টি প্রশ্নের উত্তর লেখে। নতুন শিক্ষাক্রমে সে রকম পরীক্ষা নেই। আমরা এই পদ্ধতিকে বলছি নিয়মিত মূল্যায়ন। একটি প্রকল্পের সমস্যা সমাধান কি হবে তা লেখা এবং তা থেকে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা। অভিভাবকদের মূল্যায়ন, কমিউনিটির মূল্যায়ন, শিক্ষকদের মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ছয় মাস ধরে ক্লাসে যে ধরনের কাজগুলো শিক্ষার্থীরা করেছে, তার আলোকে সমস্যার সমাধান বের করতে হবে।
অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল শিশুরা নিজেদের মতো করে প্রশ্নে উত্তর দেবে। কিন্তু দেখা গেল শিক্ষকরা নোট-গাইড বই থেকে উত্তর শেখাচ্ছে। ছয় মাস পর সামষ্টিক মূল্যায়নের জন্য এখনই গাইডলাইন দিয়ে দিলে এবারও নোট-গাইড বই বের হয়ে যাবে। দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এখনই এই ধরনের শিক্ষাক্রম শতভাগ কার্যকর করার যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। মেট্রোরেলে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবাই উঠতে পারবে এই আশা করলে তা চালু করা সম্ভব হতো না। তেমনই পদ্মা সেতু উদ্বোধনকালে কয়েক দিন বিশৃঙ্খলা হয়েছে। শুরুতে কিছুটা বিশৃঙ্খলা হয়।
প্রফেসর মশিউজ্জামান বলেন, নতুন শিখন-শেখানো কার্যক্রমের উপকরণ কিনতে কিছু লোকের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ১০-১২ বছর আগেও শিক্ষার্থীদের বই কিনে পড়তে হতো। এখন সরকার বিনামূল্যে পাঠ্যবই দিচ্ছে। শিখন-শেখানো উপকরণ আগামীতে বিনামূল্যে সরকার দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রাথমিক থেকে নতুন শিক্ষাপদ্ধতি চালু করতে পারলে ভালো হতো। তবে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য এখনই এই পদ্ধতি চালু করা জরুরি ছিল। ফিনল্যান্ড এবং এস্তোনিয়ায় এই পদ্ধতিতে পড়ানো হচ্ছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক কাজী ফারুক হোসেন বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখা প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার পরিপূর্ণ পরিকল্পনা। এটি শিক্ষাদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোথায় নিতে চাই, তার পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা। একবিংশ শতাব্দীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্ট মেশিন লার্নিং এসব মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের দক্ষতানির্ভর শিক্ষার ভেতর দিয়ে যেতে হবে। সামঞ্জস্যপূর্ণ নাগরিক চাই তা হলে দক্ষতানির্ভর শিক্ষাক্রম প্রয়োজন।
তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে সমালোচনা শিক্ষার্থীরা করছে না। তারা শ্রেণি কার্যক্রম উপভোগ করছে। সময়ের সঙ্গে, যুগের সঙ্গে শিক্ষাক্রম পরিবর্তন হবে এটাই স্বাভাবিক। শিক্ষাক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন একটি ভালো সূচনার ইঙ্গিত দেয়। যেকোনো পরিবর্তনে চ্যালেঞ্জ থাকে। তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য দক্ষ জনশক্তি চাই। আর দক্ষ জনশক্তির জন্য দক্ষতানির্ভর পাঠ্যক্রম বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।
শিক্ষাক্রম নিয়ে অপপ্রচারে আইনি ব্যবস্থা নেবে এনসিটিবি : শিক্ষাক্রমে ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে তা সংশোধন করা হবে জানিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, এ নিয়ে যেকোনো ধরনের অপপ্রচার করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এনসিটিবি জানিয়েছে, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী সম্প্রতি নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য পরিবেশন ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনমনে বিরূপ মনোভাব সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে বা আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পরিপন্থী কাজকে শিক্ষাক্রমের কাজ বলে প্রচার করা হচ্ছে। ‘নবীর ছবি’ আঁকতে বলা হয়েছে লিখে মিথ্যাচার করছে। হিন্দি গানের সঙ্গে স্কুলের পোশাক পরা কিছু ছেলেমেয়ে ও ব্যক্তির অশ্লীল নাচ আপলোড করে বলা হচ্ছে শিক্ষাক্রমের নির্দেশনা, যা সর্বৈব মিথ্যা। কিছু লোক ব্যাঙের লাফ বা হাঁসের ডাক দিচ্ছে, এমন ভিডিও আপলোড করে বলা হচ্ছে এটা নতুন শিক্ষাক্রমের শিক্ষক প্রশিক্ষণের অংশ, যা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। নতুন শিক্ষাক্রমে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের কথা বলা হয়েছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে বিকশিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মিথ্যা অপপ্রচারের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমকে বিপন্ন করার প্রচেষ্টা যারা করছেন, তাদের এ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।’
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
