এইমাত্র পাওয়া

আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েও তিনি প্রধান শিক্ষক!

পঞ্চগড়ঃ দু’টি পৃথক মামলায় আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি। অভিযোগ রয়েছে বর্তমান সভাপতির নিকটাত্মীয় হওয়ায় এবং ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এ দিকে দণ্ডাদেশ প্রাপ্তির পর ওই প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে গা-ঢাকা দিয়ে থাকায় স্কুলে প্রধান শিক্ষকের অভাবে শিক্ষার পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগে করছেন অভিভাবকরা।

জানা যায়, সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সায়েদ মঞ্জুরুল হাসান সুজা এসএসসি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত সাড়ে চার লাখ টাকা, স্কুলের নিজস্ব জমিতে থাকা ৯-১০টি দোকান ঘর ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয়ার নামে প্রায় কোটি টাকা ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ১৮ জন চাকরিপ্রার্থীর নিকট থেকে আরো প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া বিদ্যালয়ে কর্মচারীদের চারটি পদে নিয়োগ দিয়ে আরো প্রায় অর্ধ কোটি হাতিয়ে নেন। এর পর তিনি গা-ঢাকা দেন। এ নিয়ে পঞ্চগড় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পৃথক দু’টি মামলায় আদালত শিক্ষক সায়েদ মঞ্জুরুল হাসান সুজাকে দেড় বছরের কারাদণ্ড দেন।

এ দিকে রায় ঘোষণার পর বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি দণ্ডিত প্রধান শিক্ষক সায়েদ মঞ্জুরুল হাসান সুজাকে পরপর তিনটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার পর গত ১৬ আগস্ট তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। এরপর তিন মাস পেড়িয়ে গেলেও তাকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়নি।

এ ব্যাপারে সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের সাথে যোগোযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হচ্ছে না। আইনের মধ্য থেকেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সূত্রঃ নয়াদিগন্ত

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৬/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.