মোঃ আরাফাত হক।।
আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারি কলেজসমুহে অনার্স-মাস্টার্স কোর্সে শতভাগ বৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে অদ্যাবধি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা বিস্তারে এবং সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর অধ্যায় ০৮, কৌশল ০৬ (র্পযায়ক্রমে ডিগ্রি পাস কোর্স তুলেদিয়ে ৪ বছর মেয়াদী অনার্স কোর্স চালু করা হবে) বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছি এবং বেসরকারি কলেজে উচ্চশিক্ষায় পাঠদান করে আসছি। কিন্তু উল্লিখিত বিষয়ে বর্তমানে “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮” তে অন্তর্ভুক্ত বা কোন নির্দেশনা না থাকায় আমরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিনা, ফলে আমরা ৩৫০০ জন শিক্ষক আর্থ-সামাজিক ভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছি।
আমাদের এমপিও ভুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিও লেটারসহ প্রেরিত মহান ১০ম জাতীয় সংসদের শিক্ষামন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১২তম ও ১৩তম বৈঠকে আলোচনা শেষে ১০ হাজার শিক্ষকের এমপিও ভুক্তির সুপারিশ শিক্ষামন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করলেও “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮”তে আমাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি তাই এবারও আমরা এমপিও বঞ্চিত হয়েছি। অতিসম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২৭৩০ টি স্কুল কলেজ এমপিও ভুক্তি করেছেন। অথচ ১০৪ কোটি ৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলেই ৩৫০০ জন অনার্স মাস্টার্স কোর্সে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত করা সম্ভব। “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮” সংশোধন করার জন্য সরকার আবার উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
অতএব সরকাররে সংশ্লষ্টি মহল “জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮” সংশোধন পূর্বক বেসরকারি কলেজে অনার্স মাস্টার্স কোর্সে নযি়োগকৃত শক্ষিকদরে অর্ন্তভুক্ত করে এমপওি প্রাপ্ততিে রাস্তা তরৈি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছ।
লেখক-
সাংগঠনকি সম্পাদক,
বাংলাদশে বসেরকারি কলজে অর্নাস মার্স্টাস শক্ষিক পরষিদ।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
