এইমাত্র পাওয়া

শীর্ষ দুই নেতার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি

অনলাইন ডেস্ক :

দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে এমপিওর দাবিতে মাঠে ছিলেন ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয় ভূষণ রায়। দিনরাত পরিশ্রম করেছেন এমপিও দাবিতে। অনেকে মনে করেন তাদের আন্দোলনের কারণেই এই ফসল। কিন্তু ভাগ্যের কী পরিহাস এই শীর্ষ দুই নেতার দুটি প্রতিষ্ঠানই এমপিওর তালিকায় নেই।

গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলারের প্রতিষ্ঠান,  খুলনা আইডিয়াল কলেজ । আর বিনয় ভূষণ রায়ের জল্লা ইউনিয়ন আইডিয়াল কলেজ উজিরপুর বরিশাল।

বর্তমানে যে নীতিমালার আলোকে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে সেই নীতিমালার অসঙ্গতির কারণেই অনেক প্রতিষ্ঠানের মতো তাদের প্রতিষ্ঠারও বাদ পড়েছে।

তবে ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির শতাধিক সদস্যের মধ্যে মাত্র ৮ জনের প্রতিষ্ঠানের নাম এমপিওভুক্তির তালিকায় এসেছে। এই সংঠনের ব্যানারে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন।

ফেডারেশনের যে ৮ নেতার প্রতিষ্ঠান এমপিও পেয়েছে তারা হলেন দুই সহসভাপতি রংপুরের আব্দুল হামিদ, পিরোজপুরের গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চার বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বরিশাল সোহরাব হোসেন,রংপুর অধ্যক্ষ শওকত হায়াত প্রধান বাবু,ঢাকা রফিকুল ইসলাম,ময়মনসিংহ শাহজাহান সিরাজ, খুলনার প্রচার সম্পাদক ফিরোজ, সহ প্রচার সম্পাদক নান্নু মিয়া।

২৭৩০ প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার। তিনি এডুকেশন বাংলাকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মানদন্ডের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান মানদন্ডের কারণে এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। মানবিক বিষয়টি বিবেচনা করে মানদন্ড শিথিল করে দ্রুত বাদপড়া প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন। সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.