এইমাত্র পাওয়া

প্রস্তাবিত গণমাধ্যম আইন বাতিলের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা প্রস্তাবিত গণমাধ্যম আইন-২০২২ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। তাঁরা বলেছেন, এই আইন কোনোভাবেই মেনে নেবেন না। কারণ আইনটি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্রের ফসল।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে ‘জাস্টিস ফর জার্নালিস্ট’ আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে এসব কথা বলেন তাঁরা। সংগঠনের সভাপতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব দীপ আজাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম তপু, জাতীয় প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, ডিইউজের

সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আকতার হোসেন, সাবেক জনকল্যাণ সম্পাদক মেহেদি হাসান, বিএফইউজের সাবেক দপ্তর সম্পাদক বরুন ভৌমিক নয়ন, ডিইউজের যুগ্ম সম্পাদক খায়রুল আজম, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিক পরিষদের সদস্যসচিব আবু সাঈদ, সিনিয়র সাংবাদিক কবি আব্দুল মান্নান, টেলিভিশন ক্যামেরাপারসন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক জীবন, গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ফাত্তাহ, ময়মনসিংহ সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশে বিএফইউজে মহাসচিব দীপ আজাদ বলেন, প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইন সংবাদকর্মীদের অধিকার পরিপন্থী। প্রস্তাবিত আইনে যে ধারাগুলো সংযোজিত হয়েছে, তা সাংবাদিকবান্ধব নয়। তাই আইনটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের আগে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। অবিলম্বে আইনটির খসড়া জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ বলেন, প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইন ২০২২ আইনে কোনো বিচারিক আদালত নেই এবং কোন আইনে সাংবাদিকরা বিচার পাবে তা ঠিক করা হয়নি। নতুন আইনের নামে সাংবাদিক সমাজকে শ্রম দাসে পরিণত করা হচ্ছে। আইনটি আরো পর্যালোচনার দাবি জানান তিনি।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম তপু বলেন, প্রস্তাবিত আইনে বিদ্যমান সাংবাদিক ইউনিয়ন বিলুপ্ত করাসহ ব্যাপক আকারে সাংবাদিকদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে কর্মরত ক্যামেরাপারসনদের কলাকুশলী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা রীতিমতো হাস্যকর।

সমাবেশে প্রস্তাবিত আইনটি প্রত্যাহার করে সাংবাদিকদের জন্য বিদ্যমান শ্রম আইনটি সংশোধন করে যুগোপযোগী করার দাবিসহ ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়া কর্মীদের জন্য আইন প্রণয়ন এবং তা বিদ্যমান শ্রম আইনের সঙ্গে সংযুক্ত করার দাবি জানানো হয়।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.