নিজস্ব প্রতিবেদক।।
করোনা সংক্রমণের কারণে পাবলিক পরীক্ষা না নিয়ে পাস করার চেয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষার ফল হওয়াকে মন্দের ভালো হিসেবে দেখছেন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শিল্পী রানী সাহা। তিনি বলেন, আমি পরবর্তী এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস নিয়ে কিছু বলব না। বড় পরিসরে সব বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকিতে ফেলা যাবে না। কীভাবে পরীক্ষা নিলে পরীক্ষার মানটা আরও বাড়ানো যায়, সরকারের সেদিকে নজর দিতে হবে।
গতকাল প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রসঙ্গে আমাদের সময়কে তিনি বলেন, এখন এটা দুর্যোগকালীন সময়। এখন বেঁচে থাকাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এ জন্য গত বছর সরকার পরীক্ষা নিতে পারেনি। তো আমি যদি একজন পরীক্ষার্থী হতাম আর পরীক্ষা দিতে না পারতাম, তা হলে আমার মনে এক ধরনের কষ্ট থেকে যেত। সে ক্ষেত্রে এবার যে সরকার এইচএসসি পরীক্ষা নিতে পেরেছে, এটা কিন্তু সরকারের জন্য একটা বড় উদ্বেগ ছিল। কারণ এই পরিস্থিতিতে এতগুলো শিক্ষার্থীর বাড়ির বাইরে নিয়ে এসে পরীক্ষা নেওয়া এবং অন্য কার্যক্রম সম্পন্ন করা নিশ্চয় সহজ কাজ ছিল না।
আমি বলব- এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পেরে নিশ্চয় অনেক আনন্দ পেয়েছে, তাদের পড়াশোনার উৎসাহ বেড়েছে। এটি সরকারের জন্যও একটা সাহসিকতার পরিচয়। যে পরীক্ষাটাই নেওয়া হোক না কেন, সেটা যেন শিক্ষার্থীদের জন্য ফলদায়ক হয়। যে বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের জীবন-জীবিকা ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত, সে বিষয়গুলো পরীক্ষা ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
