অনলাইন ডেস্ক।।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, সংবিধানের আলোকে বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা বাস্তবতার নিরিখে অপরিহার্য। এতে বিচারপতি নিয়োগের কাজটি আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর হবে এবং জনগণের মধ্যে নিয়োগের স্বচ্ছতা সম্পর্কে ভিত্তিহীন ধারণা দূরীভূত হবে।
তিনি বলেন, একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস হলো জনগণের আস্থা। এটা হলো বিচারকদের সততা, সক্ষমতা ও নিরপেক্ষতার প্রতি গণমানুষের অবিচল বিশ্বাস। সাধারণ মানুষের এই আস্থা অর্জনের জন্য বিচারকদের একদিকে যেমন উঁচু নৈতিক মূল্যবোধ ও চরিত্রের অধিকারী হতে হবে, তেমনই সদা বিকাশমান ও পরিবর্তনশীল আইন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ও সামাজিক মূল্যবোধ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। এটা অর্জন সম্ভব কেবলমাত্র নিয়মিত অধ্যয়ন ও সময়মতো আইনানুগভাবে বিচারিক কাজ সম্পন্নকরণের মাধ্যমে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদালত কক্ষে আয়োজিত জনাকীর্ণ এ সংবর্ধনায় উভয় বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতাসহ অন্যান্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান বিচারপতির উদ্দেশে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আপনার প্রদত্ত বিভিন্ন রায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আপনার রায়ের গাইডলাইন কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীর যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সুরক্ষাবর্ম হিসেবে কাজ করছে। নারীর নিরাপদ পরিবেশে কাজ করার এবং শিক্ষাগ্রহণের পথকে সুগম করছে, যা সুদূরপ্রসারীভাবে নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীশিক্ষার বিস্তারে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, বিচার ও অধিকারহীনতা মানুষের জীবনকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে তোলে। ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আপনার নিরন্তর লড়াই বিচার বিভাগকে দেখিয়েছে নতুন আলো।
শেষ কর্মদিবসে প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দিয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়। তবে বারের পক্ষে সম্পাদকের দেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেন। পরে বারের পক্ষে সহ-সভাপতি শফিক উল্লাহ সংবর্ধনা দেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
