অনলাইন ডেস্ক।।
ওই মাদ্রাসা থেকে এ বছর মোট ১৫ শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। কিন্তু কেউই পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। মাদরাসা সুপার ওই সব শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রও সংগ্রহ করেন।
কেন্দ্র সচিব ইব্রাহিম হোসাইন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তার কেন্দ্রের অধীনে ৫টি মাদরাসার ৯৮ জন পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র পেয়ে সংশ্লিষ্ট সুপারদের কাছে সব বিতরণ করা হয়। সবশেষে বাগাতিপাড়া মহিলা মাদরাসা সুপারকে ১৫ জন পরীক্ষার্থীর সব প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষার্থী প্রতি ৩০০ টাকা কেন্দ্র ফি প্রদানের কথা থাকলেও ৪ হাজার ৫০০ টাকার পুরো ফি বকেয়া রেখে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া মহিলা মাদরাসা সুপার আব্দুর রউফ মোবাইল ফোনে জানান, চলতি বছর তার মাদরাসা থেকে ১৫ জন ছাত্রীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারিতে সব ছাত্রীর বিয়ে হয়ে যাওয়ায় কেউই পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। তবে প্রবেশপত্র পেয়ে এসব পরীক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্রীর পরীক্ষায় অংশ নিতে বলেছিলেন তিনি। কিন্তু কেউ তাতে সাড়া দেয়নি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
