এইমাত্র পাওয়া

গবেষকদের সমালোচনায় বিষয় কমানো এসএসসি পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক।।

২০০৯ সাল থেকে ফ্রেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজন হয়ে আসছে। করোনার বিধিনিষেধের আগে গত বছরও সময়মতই শুরু হয় এই পাবলিক পরীক্ষা। কিন্তু করোনায় ছেদ পড়লো একযুগের নিয়মে। মহামারিকালে বছরের শুরুর পরীক্ষা সাড়ে ৯ মাস পিছিয়ে নেয়া হচ্ছে নভেম্বরের মাঝামাঝি
করোনার হাওয়ায় বদল এসেছে, আয়োজনেও। পরীক্ষা হবে কম সময়ে; কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে। হবে না আবশ্যিক এবং চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা।
বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীরা অংশ নেবেন পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান বা উচ্চতর গণিতে। মানবিকে পরীক্ষা হবে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ভুগোল ও পরিবেশ এবং অর্থনীতি বা পৌরনীতি ও নাগরিকতার। আর ব্যবসায় শিক্ষায় ব্যবসায় উদ্যোগ, হিসাব বিজ্ঞান এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের পরীক্ষা হবে। বদল এসেছে নম্বর বিভাজনেও।

কারিগরি বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষাও হবে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও ট্রেড বিষয়ে। এখানে নম্বর বিভাজন হচ্ছে। বিজ্ঞান বিভাগে রচনামূলক ৮টির মধ্যে উত্তর দিতে হবে মাত্র দুই প্রশ্নের। যার নম্বর হবে ১০ করে। আর ২৫টি এমসিকিউ-এর মধ্যে ১২টির উত্তর দিতে হবে। তবে খাতা দেখার সময় রচনামূলকের ২০ নম্বরকে ৫০ এবং এমসিকিউয়ের ১২ নম্বরকে ২৫শে রুপান্তর করবে বোর্ড।
বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের ১১টি রচনামূলকের মধ্যে ৩টি উত্তর দেবেন পরীক্ষার্থীরা। প্রতি প্রশ্নের মান এখানেও ১০ করে। আর ৩০ এমসিকিউয়ের মধ্যে ১৫টির উত্তর দেবেন এই দুই বিভাগের পরীক্ষার্থীরা। যেখানে লিখিত’র ৩০কে ৭০ এবং এমসিকিউএর ১৫কে ৩০শে রুপান্তর করে প্রাপ্ত নম্বর নির্ধারণ করবে বোর্ড। এরসঙ্গে ২৮ নভেম্বরের মধ্যে ব্যবহারিকের ২৫ নম্বর বোর্ডকে জানাবে স্কুল।

আন্তঃবোর্ড সমন্বয় উপকমিটির সভাপতি অধ্যাপক নেহাল আহমেদ জানান, যে যে বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে সেগুলো কনভার্ট করা হবে ১০০ নম্বরে। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা ১০০ নম্বরের সার্টিফিকেট বা নম্বরপত্র পাবে।
আর করোনার মাঝে এ আয়োজনের প্রশংসা করলেও মাত্র তিন বিষয়ের পরীক্ষার সমালোচনা করছেন শিক্ষা গবেষকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, একেবারে না নেয়ার চেয়ে বেসিক সাবজেক্টগুলোতে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্বান্ত অনেক ভালো। আরও ভালো হত যদি সব বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নেয়া যেত। এবছর সব মিলিয়ে এই পরীক্ষায় অংশ নেবে ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী। ফল ঘোষণা কথা ৩০ দিনের মধ্যেই।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.