নিউজ ডেস্ক।।
প্রথম ক্লাসে পড়াশোনা কম, তাই ক্লাসের সময়টা পার হচ্ছে শিক্ষকদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে। আর ক্যাম্পাসের বাইরে অভিভাবকদের ভিড়। আছে করোনা সংক্রমণের ভয়, তবুও স্বস্তি স্কুলের তালা খোলায়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হলেও বাড়তি চাপে পড়েছেন শিক্ষকরা।
শিক্ষকদের একটু বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে যেহেতু অনলাইনেও ক্লাস চলছে, আবার শ্রেণিকক্ষেও ক্লাস নিতে হচ্ছে। ক্লাসে যারা মর্নিং শিফটে নিচ্ছে, অনলাইনেও তাকে আবার ক্লাস নিতে হবে। আবার এসাইনমেন্ট আছে। সবমিলিয়ে শিক্ষকদের তুলনামূলক একটু চাপ নিতে হচ্ছে।
অনেকদিন পর স্কুলে আসতে পেরে বাচ্চারা খুবই খুশি। অভিভাবকরাও এতদিন ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলো। এখন স্কুল খোলায় স্বস্তি পেয়েছে। যদিও করোনা সংক্রমণ এখনো শেষ হয়ে যায়নি। এরমধ্যেই যতোটুকু সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা রাখলে অভিভাবকদের আর চিন্তা করতে হবে না।
ওদিকে মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজ খোলার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সেটি উপেক্ষিত হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পথে তাপমাত্রা মাপা, ভিড় এড়িয়ে চলা এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তবে শিক্ষার্র্থীদের পুরোপুরি স্বাস্থ্য বিধির আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না যতোটুকু সম্ভব সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রম চালছে। অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের বারবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলে দেয়া হয়েছে। স্কুলে প্রবেশের সময় তাপমাত্রা মেপে তারপর শিক্ষার্থীদের ঢুকতে দেয়া হচ্ছে। তবুও ছোট ছোট বাচ্চাদের আর কতোটুকুই বা বুঝিয়ে রাখা যায়। ছাত্রছাত্রীদের টিফিন আনতে নিষেধ। এ ছাড়া সব ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
