নিউজ ডেস্ক।।
গত মাসে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পর থেকেই টিকা নেওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায় মানুষের মধ্যে। একই মাসে টিকা আসার গতিও বেড়ে যায় আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে। সরকার সাময়িক সময়ের জন্য হলেও বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকা পৌঁছে দেয় গ্রামে মানুষের হাতের নাগাল পর্যন্তও। সব মিলিয়ে করোনামুক্তির আশায় মানুষের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে টিকা। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা দিয়েই নিজেকে সুরক্ষিত ভাবা যাবে না; সঙ্গে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে ও সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। তবেই করোনামুক্ত বাংলাদেশের পথ নাগালে আসতে পারে। সেদিকে লক্ষ রেখেই সরকার টিকাকেন্দ্রিক পরিকল্পনা বারবার অদলবদল করে দেশে টিকা নিয়ে আসা এবং তা দ্রুতগতিতে মানুষকে দেওয়ার নানামুখী কৌশল নিয়ে কাজ করছে। সরকারের টিকাবিষয়ক নীতিনির্ধারকরা আশা করছেন, আসছে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে টিকার জোগান ছাড়িয়ে যাবে ২০ কোটি ডোজ, যা দুই ডোজ হিসাবে পাবে ১০ কোটির বেশি মানুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, সিনোফার্ম ও মডার্না সব মিলিয়ে টিকা এসেছে তিন কোটি ২০ লাখ ১৭ হাজার ৯২০ ডোজ। এর মধ্যে দেওয়া হয়েছে দুই কোটি ২১ লাখ সাত হাজার ২৫২ ডোজ। প্রথম ডোজ পেয়েছে এক কোটি ৫৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭১২ জন, দুই ডোজ পেয়েছে ৬১ লাখ ২৯ হাজার ৫৪০ জন। গতকাল টিকা পেয়েছে তিন লাখ ৭৯ হাজার ১০২ জন; এর মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছে এক লাখ ৭৯ হাজার ৭৫৮ জন, দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে এক লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৪ জন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৮ বছরের ওপরের ১১ কোটি ৭৮ লাখ ছয় হাজার মানুষের ৮০ শতাংশের বেশি টিকা পেয়ে যাবে। তবে বিশেষজ্ঞরা এখন থেকেই শিশুদের টিকা নিয়েও আগাম পরিকল্পনা করে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
