এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষাবার্তার নিউজের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া মাদরাসায় ক্লাশ করার সুযোগ পেল শিক্ষার্থীরা

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক :

শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলাধীন রুদ্রকর ইউনিয়নে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত একমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চররোসুন্দী ইবতেদায়ী মাদরাসাটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং ২০১৮ সালের (৫ম শ্রেণী) সমাপনী পরীক্ষায় ছাত্র/ছাত্রীরা অংশ গ্রহন করে ১০০% পাশ করেছে ও ৩জন টেলেন্টফুল বৃত্তি পেয়েছে, ।

চলতি বছরেও সমাপনী পরীক্ষায় ২০ জন ছাত্র/ছাত্রী রেজিষ্ট্রেশন করে লেখা পড়া করে আসছিল ।

কিন্তু ১৬/০৬/১৯ থেকে স্থানীয় যুবদল ক্যাডার, বিএনপি জামাতের পৃষ্ঠপোষক, পালং থানায় পুলিশেরকাজে বাধাদান ও নাশকতামুলক চলমান মামলার অন্যতম আসামী যাহার বাদী মো. আমীর আলী, চরোসুন্দীর দেলোয়ার হত্যা মামলায় এজহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামী হিসেবে কারাভোগকারী সদর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নজরুল তালুকদার,মাদরাসার শিক্ষকদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে অন্যথায় তাদেরকে ক্লাশ করতে দেওয়া হবে না এবং পরেরদিন যখন ছাত্র/ছাত্রীরা ক্লাশ করতে আসে তখন নজরুল তালুকদার ছাত্র/ছাত্রীদেরকে শ্রেনী কক্ষে ঢুকতে দেয়নি ও মাদরাসার বে টেবিল গুলো ফেলে দিয়েছে যাহার ডুকুমেন্ট রয়েছে এবং অফিসে থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর ছবি মাদরাসার ঘরে রাখা ঠিক হয়নি মর্মে নিচে নামিয়ে দেয়।

উল্লেখ যে, নজরুল তালুকদার গত বছর ২০১৮ সালের জুন মাসের ২৭ তারিখে যখন মাদরাসাটিকে তালা মেরে দেয় তখন ইউএনও স্যারের কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে আসছিল।

ঠিক ২০১৯ সালেও একই ঘটনা পুনরাবৃত্তি করে এর সদর উপজেলার ইউএনও স্যারের নির্দেশে মাদরাসাটি চালু করার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি উক্ত ঘঠনা সহ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর নজরুল তালুকদারের আনিত অভিযোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে আহবায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ও প্রায় ৪ ঘন্টাব্যাপি এলাকার চেয়ারম্যানসহ তদন্তের কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং মো. ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ গুলির সত্যতা পাওয়া না গেলে নজরুল তালুকদার , সালাম মাদবর , আবুল খায়ের মাদবর হাসান মাদবর গং মাদরাসার শিক্ষক সহ মাদরাসার তত্বাবধায়ক মো. ইউসুফ আলীকে প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়। এবং মাদরাসার কার্যক্রম যাতে চালাতে না পারে সেজন্যে একাধিক মিথ্যা মামলার হুমকি দেয়া হয়।

এব্যাপারে নজরুল তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন রুদ্রকর ইউনিয়নে আলিয়া মাদরাসা একটিও ছিল না এখনও লাগবে না।

মাদরাসার তত্বাবধায়ক মো: ইউসুফ আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মাদরাসার ও আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা সরকারী অফিসারাই তদন্ত করতেছে তাই আমার বলার কিছু নেই তবে নজরুল তালুকদার ,আ: মালাম মাদবর , আবুল খায়ের মাদবর , হাসান মাদবর এরা আমাকে মিথ্যা মামলার ভয় দেখাচ্ছে


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.