এইমাত্র পাওয়া

মহামারিতে আন্তর্জাতিক সাফল্য আনলেন ঢাবির ২ শিক্ষার্থী

‘ন্যাসপা ব্যাটেন স্টুডেন্ট সিমুলেশন কম্পিটিশন’ নামে করোনা মহামারি চলাকালীন সময়ে নীতিমালা প্রণয়ন বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থী। যারা ভার্চুয়ালি আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতার দল ‘হ্যানম’ এর সদস্য।

আন্তর্জাতিক সাফল্য আনা ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ফারাবি এন এ রহমান ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের মো. মোয়াজ্জেম হোসেন সম্রাট। বাকি তিনজন হলেন- চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পুই কেই সে, গুয়ামের (যুক্তরাষ্ট্রের অধীন) ইউনিভার্সিটি অব গুয়ামের রিনি কারপেলা এবং নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনের হুগো থম্পসন।
‘ন্যাসপা ব্যাটেন স্টুডেন্ট সিমুলেশন কম্পিটিশন’ নীতিমালা প্রণয়ন বিষয়ক সিমুলেশন প্রতিযোগিতা। যা আয়োজন করে ওয়াশিংটনভিত্তিক অলাভজনক আন্তর্জাতিক সংগঠন নেটওয়ার্ক অব স্কুল অব পাবলিক পলিসি, অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনএএসপিএএ)।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় ১৮ সদস্যের চারটি টিম নিয়ে ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৮২ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। করোনা মহামারির কারণে এ বছর প্রতিযোগিতাটি ভার্চ্যুয়ালি আয়োজন করা হয়েছিল।
প্রতিযোগিতাটি মূলত সারা বিশ্বের লোকপ্রশাসনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের একটি জায়গা। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে মনোনীত প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে শুরুতে দুটি আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক পর্ব দুটি অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৬ মার্চ। ১৬ এপ্রিল চূড়ান্ত পর্বে (গ্লোবাল অলস্টার রাউন্ড) চার দল অংশ নেয়। পুরো প্রতিযোগিতার জন্য পুরস্কার (প্রাইজ পুল) হিসেবে বরাদ্দ ছিল প্রায় ১৫ হাজার মার্কিন ডলার।
প্রতিযোগিতা সম্পর্কে মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘এখানে প্রতিটি দল তার সদস্যদের নিয়ে ৫ সদস্যের একটি কেবিনেট গঠন করে, এই প্রতিযোগিতায় রাষ্ট্রের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ (প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রী এবং ডব্লিউএইচওর প্রতিনিধি) ব্যক্তিদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যারা একটি কাল্পনিক রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। ধরে নিতে হয়, রাষ্ট্রটি সম্প্রতি একটি মহামারিতে আক্রান্ত হয়েছে। যদি রাষ্ট্র লকডাউন দেয় তাহলে কিভাবে অর্থনীতির চাকা সচল রেখে অনুদান দেয়া যেতে পারে এবং আয়ের উৎস কি কি হতে পারে এবং একই সাথে মহামারি নিয়ন্ত্রণ রাখার বাস্তবিক কৌশল নিয়ে এই সিমুলেশন প্রতিযোগিতা। এই উভয়সংকট নিরসনে যে দলটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন এবং এর পক্ষে যুক্তি দিতে সক্ষম হয়েছে, তারাই বেশি স্কোর করতে পেরেছে।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.