এইমাত্র পাওয়া

মুভমেন্ট পাস নিয়ে আব্দুন নূর তুষারের ‘প্রশ্ন’

নিউজ ডেস্ক।।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিও। তাতে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে কর্তব্যরত পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে এক নারী ডাক্তারের বাকযুদ্ধ দেখা গেছে। ওই ডাক্তারের কাছে আইডি কার্ড দেখতে চেয়েছিল পুলিশ। আইডি কার্ড দেখাতে না পারায় তার কাছে ‘মুভমেন্ট পাস’ আছে কিনা জানতে চাইল পুলিশ। তারপরই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন নারী ডাক্তার।

এক পর্যায়ে তিনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বীরবিক্রম শওকত আলীর মেয়ে হিসেবে উল্লেখ করেন। এবং বলেন তার নাম সাঈদা শওকত। বাকযুদ্ধের এক পর্যায়ে পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘তুই’ বলে সম্বোধন করেন সাঈদা।

নেটদুনিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে তার পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন নেটিজেনদের অনেকেই। আলোচনা-সমালোচনাও করেছেন কেউ কেউ। এবার এ ঘটনায় ‘মুভমেন্ট পাস’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও ডাক্তার আব্দুন নূর তুষার।

গত রোববার (১৮ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ওই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আব্দুন নূর তুষার লেখেন, ‘দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলেছেন মুভমেন্ট পাস ডাক্তারদের জন্য দরকারি নয়। তারপরেও মুভমেন্ট পাস চাওয়ার মানে কি? ডাক্তারের গাড়িতে বিএসএমএমইউ এর স্টিকার। পরিচালকের দেয়া পাস ছিল। এনআইডি ছিল। আর কী পাস চাই? অ্যাপ্রনও লোগো ও নাম সম্বলিত ছিল। তারপরেও তথাকথিত পাস চাওয়ার মানে কি?’

তিনি আরও লেখেন, ‘আর এটা তো মোড়ে মোড়ে চাওয়া হচ্ছে। মিরপুর থেকে কেউ গেলে তাকে ৬ বার ওটা দেখাতে হয় গাড়ি ডাক্তারকে নামিয়ে বাড়ী ফেরার সময় জরিমানা করছে। হাজার হাজার টাকা। চরম অব‍্যবস্থা। সমন্বয়হীনতা। এভাবে চললে কেউ না কেউ রিঅ্যাক্ট করবেই।’

এই পাসকে ‘আইনগতভাবে ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে ডাক্তার আব্দুন নূর তুষার তার স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আইনগতভাবে ভিত্তিহীন এই মুভমেন্ট পাস চালু করার অনুমতি কে দিয়েছে? এটা না থাকলে ট্রাফিক আইনে মামলা করার কাজটি কেন করা হচ্ছে? ট্রাফিক লতে মুভমেন্ট পাস না থাকলে জরিমানার বিধান কোথায় আছে?’

ডাক্তার তুষারের এ পোস্টের কমেন্টস বক্সে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অনেকে। পাশাপাশি নারী ডাক্তারের ব্যবহার নিয়েও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.