।। বিশ্বজিৎ রায়।।
শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ সময়ের দাবী।জাতীয়করণের দাবীকে সামনে নিয়ে গত ৫ অক্টোবর ২০২০খ্রিঃ সারা দেশে অনাম্বরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন হলো। ইউনেস্কো শিক্ষকদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ এ দিন অন্তর্জাতিক ভাবে পালনের ঘোষনা দেয়। সেই থেকে অামাদের দেশে ১৯৯৫ সাল থেকে পালন হয়ে আসছে। এ বছর ও ব্যাতিক্রম হয় নি। এ বছরও দেশে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষক সংগঠন দেশে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে অনুষ্ঠান মালার অয়োজন করেছিল।
দেশে সবচেয়ে বড় বেসরকারি শিক্ষক সংগঠন বিটিএ “বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২০ ” উপলক্ষে ৫ অক্টোবর ২০২০ সোমবার সকাল ১০ জাতীয় প্রেসক্লাবে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল এ সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে অনুষ্ঠানের অয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিটিএ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যক্ষ মো: বজলুর রহমান মিয়া।
বিটিএ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো: কাওছার অালী শেখ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ভার্চুয়ালে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড.সৈয়দ মোঃ গোলাম ফারুক। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজে এর সাবেক সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য জনাব মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল,ভার্চুয়ালী অংশ গ্রহণ করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক,লেখক ও গবেষক বাবু অজয় দাশ গুপ্ত। আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিএ এর উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য শিক্ষক নেতা বাবু রনজিত কুমার সাহা আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিএ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি জনাব মোঃ আবুল কাশেম।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি বেগম নূরুন্নাহার, যুগ্ম সাধারণ সম্পদক আবু জামিল মোঃ সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেনঅর্থ সম্পদক মোস্তফা জামান খান সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহানা বেগম সহ প্রমুখ শিক্ষক বৃন্দ। বক্তারা বলেন সরকার যেহেতু মূল বেতনের ১০০% সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে সেহেতু প্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা দিলে সরকারিকরণ করতে বেশী অর্থের প্রয়োজন হবেনা। বক্তার ২০১০ এর শিক্ষানীতির আলোকে দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দ্বৈতনীতি অবসানে জোর দাবী জানান।
” বিশ্ব শিক্ষা দিবস ২০২০ ” উপলক্ষে বিটিএ এর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিটিএর সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ” বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে। বিটিএ এর সাতক্ষিরা জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় এর সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি মোঃ আবু তাহের। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাব,সাতক্ষিরা এর সাধারণ সম্পাদক মো: মোজাফ্ফর রহমান । তিনি তার বক্তৃতায় বলেন” মাননীয় এমপি মহোদয়ের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করার ব্যবস্থা করতে হবে”। সভাপতি মোঃ আবু তাহের বলেন” শিক্ষক সমাজ এ পর্যন্ত যা পেয়েছে তা সব কিছুই আন্দোলন সংগ্রামের ফসল, তাই আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয়করণ অর্জন করতে হবে”।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বোয়ালিয়া মাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,শিক্ষক নেতা মোঃ বদরুজ্জামান,হঠাৎগঞ্জ মাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমজাদ হোসেন, মৃজাপুর মাঃ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক অলোক কুমার ঘোষ,রায়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান, বিকে মাঃ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: আবদুল্লাহ প্রমুখ।বক্তারা বলেন যে সরকারি কোষাগার থেকে ১০০% বেতন, সরকারি নিয়মে ২০% বাংলা নববর্ষ ভাতা, ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি সহ ২৫% হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছে সেখানে সরকারি করণ করলে বেশি অর্থের প্রযোজন হবেনা। তাই বক্তারা মুজিব বর্ষ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জোর দাবী জানান।
বিটিএ খুলনা অঞ্চলের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয় ৫ অক্টোবর ২০২০ রোজ সোমবার বিকাল ৩ ঘটিকায় খুলনা পল্লী মঙ্গল দিবা মাঃ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে। খুলনা আঞ্চল শাখার সভাপতি বাবু ধীমান চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ শিক্ষক নেতা এফ এম মাকসুদুর রহমান, শিক্ষক প্রধান শিক্ষক নেতা বাহারুল আলম, প্রধান শিক্ষক লিয়াকত আলী, সাতক্ষীরা বিটিএ এর সভাপতি মোঃ আবু তাহের ও সম্পাদক বাবু বিশ্বজিৎ রায়, বাগের হাট জেলা কমিটির সভাপতি সহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিটিএ এর নেতৃবৃন্দ। সভাপতির বক্তব্যে বাবু ধীমান চন্দ্র বিশ্বাস বলেন ” জাতীয়করণের জন্য আন্দোলন প্রয়োজন।” প্রবীণ শিক্ষক নেতা এফ এম মাকসুদুর রহমান স্মৃতি চারণ করে বলেন ” তখন ১৯৭৩ সাল ৭ নভেম্বর আমরা আমাদের অধীকারের জন্য আন্দোলন করছি। বঙ্গবন্ধু আমাদের সকল শিক্ষক নেতাদের ডেকে বললেন তোরা আমার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। আন্দোলন করতে হবেনা, প্রাথমিক জাতীয়করণ করেছি, এবার মাধ্যমিক জাতীয়করণ করব”।তিনি
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম ৫ আক্টোবর বিশ্বশিক্ষক দিবস উপলক্ষে রিপোর্টস ইউনিট সাগর- রুনি হল ঢাকা এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি মো সাইদুল হাসান সেলিম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রানালয়ের মাননীয় মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন(এমপি) বিশেষ অতিথী হিসবে উপস্হি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন বিভাগের বিচারপতি জনাব এম ফারুক,জনাব হাবিবা রহমান খান ( এমপি)।
সভাপতি তার লিখিত বক্তব্যে বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতি চরম বৈষম্য,চাকরির প্রতি সামাজিক মর্যাদা হীনতা ও অবহেলা এবং জাতীয়করণের যৌতিকতা তুলে ধরেন।তিনি আরও বলেন প্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা দিলে জাতীয়করণের জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে না। শুধু প্রয়োজন সরকারের সদইচ্ছার। প্রধান অতিথীর বক্তব্যে মাননীয় শিল্পমন্ত্রী বলেন বেসরকারি শিক্ষকদের সকল বৈষম্যে দূরীকরণে তিনি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সাথে তিনি আলোচনা করবেন। তিনি জাতীয়করণের দাবি জাতীয়সংসদ এ উত্থাপন করবেন এবং এ সরকারের আমলেই বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ অতিথি জনাব হাবিবা রহমান খান এমপি বলেন ” তিনি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি সংসদে উত্থাপন করবেন”।
৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করে। স্বাশিপ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রফেসর ড.আব্দুল মান্নান এর সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডা: দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সহ ৬৪ জেলার নেতৃবৃন্দ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাশিপ এর সাধারণ সম্পাদক সঞ্চালক অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান আলম সাজু।”বিশ্ব শিক্ষক দিবস প্রেক্ষিত বাংলাদেশে শিক্ষকদের মর্যাদা “শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেন”শিক্ষক সমাজ হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধার দাবীদার। একজন শিক্ষকের সুচিন্তিত শিক্ষাদানের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী আদর্শ মানুষ হিসেবে বিবেচিত হন।তিনি আরও বলেন জাতীয়করণের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন।
৫ অক্টোবর সোমবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, বাশিস ( নজরুল) ও এমপিও ভূ্ক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজো ফোরাম শিক্ষক সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশ থেকে মুজিব বর্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য জোর আহ্বান জানানো হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ও এমপিও ভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজো ফোরামের মূখপাত্র নজরুল ইসলাম রনি ও সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মো: মেসবাহ ইসলাম প্রিন্স।
উপরের আলোচনায় একটি বিষয় সহজে বোধগম্য যে সকলেই জাতীয়করণ চায় কিন্তু সমন্বয়টি হচ্ছে না। আর এ সমন্বটি জরুরি দেশের জন্য, জাতির জন্য।
মহান জাতীয়সংসদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলে ” একটি নীতিমালার ভিত্তিতে জাতীয়করণ করা হবে।
সম্প্রতি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি মহোদয় বলেছেন শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণে গবেষনার প্রয়োজন আছে।৬ মার্চ২০২১ খ্রিঃ বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ” শিক্ষার বৈপ্লবিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার ও আমাদের প্রত্যাশা “শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকীতে এক ভার্চুয়াল সভায় এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৩৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যায়ভার বহন করা সরকারের পক্ষ সম্ভব হবে কি না তা ভেবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।স্বাশিপ এর অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষকদের শিক্ষা ভাতা, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি ও শিক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান।।
৩০ জানুয়ার ২০১৮ খ্রি পটুয়াখালীর বাউফলে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্পর্কিত এক অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চীপ হুইপ আসম ফরোজ বলেছেন ” এ সরকারের আমলেই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ মাদরাসা জাতীয়করণ হবে”।
মূলত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণে জাতি উপকৃত হবে আর এ জন্য দরকার ১০০০ কোটি টাকা। আর এ টাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আয় থেকে আসা সম্ভব। আমরা যদি
(১)মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক,কারিগরি ও মাদরাসা মিলে মোট শিক্ষার্থী যদি ২ কোটি হয় তাহলে এদের থেকে ২০ টাকা হারে ১২ মাসে আয় হবে ৪৮০ কোটি টাকা।
(২) প্রত্যেকটি প্রতষ্ঠানের নিজস্ব কিছু আয়ের উৎস আছে। দেশে ৩৩ হাজার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ১০ হাজার করে জমা দিলে হয় ৩৩০ কোটি টাকা।
(৩) ২ কোটি শিক্ষার্থী ৩০০ টাকা করে সেশন চার্জ জমা দিলে মোট জমা পড়বে ৬০০ কোটি টাকা।
(৪) শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা করে উপবৃত্তি প্রদান করলে ২ কোটি শিক্ষার্থীর উপ
বৃত্তি দরুন খরচ বাচবে ২০০ কোটি টাকা।
(৫) জাতীয়করণ বাস্তবায়নের জন্য ব্যায় সংকোচননীতি পরিগ্রহ করা যেতে পারে।
হিসাবটি যোগ করলে দাড়ায়(৪৮০+৩৩০+৬০০+২০০)ঃ১৬১০ কোটি টাকা। আর জাতীয়করণ করার পর ৬১০ কোটি টাকা উদ্ধৃত থাকবে।
অনেকদিন পর সরকারে শিক্ষাপরিবারের দায়িত্বশীল একজন মন্ত্রীর মুখথেকে জাতীয়করণ কথাটি আসা মানে জাতিয়করণ বিষয়টি সরকারের মাথায় আমরা ঢুকাতে পরেছি। এখন দরকার নেতৃত্বের সমন্বয়। নেতৃত্বের সমন্বয় করে একটি বাজেট সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারলে জাতীয়করণ সম্ভব বোধকরি। তাই নেতাদের প্রতি আহ্বান আপনার একহয়ে এ কাজে এগিয় আসুন তা হলে জাতীয়করণ সহজ হবে, সহজ হবে আমাদের কাঙ্খিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন।
লেখকঃ কলামিস্ট, শিক্ষক , সাধারণ সম্পদক (বিটিএ) সাতক্ষীরা জেলা শাখা, সাতক্ষীরা
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
