নিজস্ব প্রতিবেদক : শীতের আবহাওয়া করোনা উপযোগী। শীতকালে সংক্রমণ বৃদ্ধির শঙ্কা ছিল আগে থেকেই। ‘বাংলাদেশে শীতকালে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হবে না’-এই পূর্বাভাস জুলাই মাসেই দিয়েছিলেন সার্স ভাইরাস শনাক্ত করার কিট ও করোনাভাইরাস শনাক্তের ‘জি র্যাপিড ডট ব্লট’ কিটের উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীল। সে সময় এ বিষয়ে তার ব্যাখ্যা ছিল, ‘বাংলাদেশে লকডাউন ভালোভাবে কার্যকর না হওয়ায় প্রচুর মানুষের মধ্যে এন্টিবডি এসেছে। শীত আসতে আসতে আরও অনেক মানুষের মধ্যে এন্টিবডি চলে আসবে। ফলে করোনাভাইরাস বৃদ্ধি পাওয়ার জায়গা পাবে না।’
ড. বিজন কুমার করোনা সংক্রমণের ব্যাপারে বলেছেন, ‘শীতের আগেই করোনা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। মানে ওইরকম করোনা সংক্রমণ হবে না।’
শনিবার (২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার বলেন, ‘জুলাইয়ে আমি বলেছিলাম, বাংলাদেশে শীতকালে করোনার প্রাদুর্ভাব কমে যাবে। এতদিন পর তার ফলাফল দেখা যাচ্ছে। সারা পৃথিবীতে করোনা বাড়ছে, কিন্তু আমাদের কমে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওই সময় আমি বলেছিলাম, হার্ড ইমিউনিটি বেড়ে যাবে। সেটা বাড়ছে। করোনা সংক্রমণ কমার মূল কারণ হার্ড ইমিউনিটি। পশ্চিমা দেশগুলোতে হার্ড ইমিউনিটি কম ছিল বলেই বাড়ার সুযোগ পেয়েছে ভাইরাসটি। আমাদের দেশে হার্ড ইমিউনিটি ক্রমাগত বেড়েছে। সেজন্য আক্রান্ত কমে এসেছে। তারা প্রথম দিকে প্রচুর লকডাউন দিয়েছিল। তারপর জুনের দিকে ৫ শতাংশে নেমে এসেছিল ইউরোপে। সেটা আস্তে আস্তে এখন সর্বোচ্চ লেভেলে চলে গেছে। ইউরোপে এখন ম্যাসাকার অবস্থা।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
