এইমাত্র পাওয়া

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে

মো. আবদুল হক আজাদ।।

একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হচ্ছেন ঐ প্রতিষ্ঠানের মূল চালিকা শক্তি। প্রধান শিক্ষক বিহীন বিদ্যালয় মাঝি বিহীন নৌকার মতো।

অতীব পরিতাপের বিষয়, বাংলাদেশের প্রায় ৩০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক বিহীন চলছে। ২০১৩ সাল থেকে এই পদে নিয়োগ বন্ধ এবং এর মধ্যে পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করায় আইনগত জটিলতায় পদোন্নতিও বন্ধ রয়েছে। ফলে বিপুল সংখ্যক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদটি শূন্য।

বর্তমানে ৩৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ ও ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে পদটি পূরণ করা হয়। সরকার সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান করে এ সমস্যার কিছুটা সমাধানে চেষ্টা করেছে।

কিন্তু চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে স্থায়ী পদোন্নতি না দিলে তাঁদের দ্বারা দায়বদ্ধভাবে উন্নত লিডারশিপ আশা করা যায় না। আর বাকি ৩৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন না হলে প্রধান শিক্ষক সংকট থেকেই যাবে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বাড়িয়ে এসডিজি লক্ষ্য পূরণে নিয়োগসংক্রান্ত সব জটিলতা দূর করে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

লেখক-

প্রধানশিক্ষক (অব), ৩ নম্বর গামুরীবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলাপাড়া, পটুয়াখালী


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.