এইমাত্র পাওয়া

স্নাতক পরীক্ষা নিয়ে আবার নতুন সিদ্ধান্ত জাবি সিন্ডিকেটের

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়া একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত আবারও নতুন করে পরিবর্তন করেছে সিন্ডিকেট কমিটি।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেটের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে খানিকটা ‘অটোপাশ’ তকমা ঘুচবে বলে মনে করছেন সিন্ডিকেট সদস্যরা।

সিন্ডিকেটের নতুন সিদ্ধান্ত হলো- স্নাতক চতুর্থ বর্ষের উপস্থিতে ১০, ক্লাস অনুশীলনীতে ২০, অনলাইনে ভাইভা ২০ এবং একটি অ্যাসাইনমেন্টে ১০; মোট ৬০ নম্বরেরর মূল্যায়ন করা হবে। তবে এই ভাইবা ও অ্যাসাইনমেন্টের ৩০ নম্বরকে ৭০ নম্বরের রূপান্তর করে মোট ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন দেখাতে বলা হয়েছে।

তবে সিন্ডিকেট সভায় একজন সদস্য- একটি টাম্পপেপার লেখা ও তার ওপর উপস্থাপনা এবং একাধিক অ্যাসাইনমেন্ট নেয়া প্রস্তাবনা দিলেও সেটি পাশ হয়নি বলে জানা যায়।

এর আগে বৃহস্পতিবার একাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল উপস্থিতিতে ১০, অনুশীলনীতে ২০ এবং ভাইভাতে ২০ সহ মোট ৫০ নম্বর মূল্যায়ন। এছাড়া ১ম, ২য় এবং ৩য় বর্ষের ফলাফলের গড় করে বাকি ৫০ নম্বর মূল্যায়ন করতে সুপারিশ করা হয়েছিল।

সিন্ডিকেটের নতুন এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে একজন সিন্ডিকেট সদস্য মঙ্গলবার রাতে বলেন, ‘একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্তে যেহেতু কিছুটা ‘অটোপাশের’ কথা উঠেছিল তাই নতুন এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

তবে অন্য সূত্রে জানা যায়, ‘সিন্ডিকেটের নতুন এ সিদ্ধান্তকেও ত্রুটিপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছে স্বয়ং মিটিংয়ে উপস্থিত সিন্ডিকেটের কয়েকজন সদস্য। এ সিদ্ধান্ত অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় কাছে জাবির শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার মাপকাঠি নিঁচু হয়ে যাবে। একজন সিন্ডিকেট সদস্যরা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরাসরি পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে প্রস্তাব করেন।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্য এক সিন্ডিকেট সদস্য যুগান্তরকে বলেন, ‘যদি আমরা অনলাইনে পরীক্ষা সম্পন্ন করি আর অন্য বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি পরীক্ষা নেয়, তাহলে চাকুরির বাজারে আমাদের শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.