জাল সনদে ২৯ বছর প্রধান শিক্ষক!

নিউজ ডেস্ক।।

ভোলার চরফ্যাশনে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বিতর্কিত স্কুলশিক্ষক মো. গোলাম হোসেন সেন্টুর জাল সনদ সংক্রান্ত বিভাগীয় মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার প্রাথমিক শিক্ষা বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক এস এম ফারুকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দক্ষিণ চর মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম হোসেন সেন্টু উত্তর চাচড়া মোহাম্মদীয়া ফাজিল মাদ্রাসার ১৯৯১ সালের আলিম পরীক্ষার জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করেন। অথচ ওই মাদ্রাসায় ১৯৯১ সালে মো. গোলাম হোসেন নামে কোনো ছাত্র আলিম পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন নাই। এই কারণে গোলাম হোসেনের গেজেট বাতিলসহ এতদিনের উত্তোলিত টাকা আদায়ের ব্যবস্থা ও জাল জালিয়াতির বিচার চেয়ে গত ২৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আবেদন করেন দক্ষিণ মঙ্গল গ্রামের শাহেদ আলী।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র হালদার উক্ত অভিযোগের তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে গত ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে ২২৯৪/৩ স্বারকে বিভাগীয় মামলা করার সুপারিশ করেন। পুনরায় ১৯ আগস্ট ১৬৪৪ স্বারকে বিভাগীয় মামলা করার সুপারিশ করেন। গত ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা, বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় উপ-পরিচালক এস এম ফারুক সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি মালা ২০১৮ এর ৪ (৩) ধারা মোতাবেক গোলাম হোসেন সেন্টুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করেন। বিভাগীয় উপ-পরিচালক ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে ১১৩৩ স্বারকে অভিযোগ গঠন ও প্রথম কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। অদৃশ্য কারণে মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০ তারিখের ১১৬৯ স্মারকের আলোকে ওই মামলার আজ রোববার প্রাথমিক শিক্ষা বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক এস এম ফারুকের কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষার বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক এস এম ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মো. গোলাম হোসেন সেন্টু বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.