।।ফিরোজ আলম।।
A great teacher is like a candle it consumes itself to light the way for others. The teacher is a maker of man.
শিক্ষক মানে জাতির আলোকবর্তিকাবাহী , মানব জাতি গড়ার কারিগর, বন্ধু, দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক,দর্শন তত্ত্বের একজন মস্ত বড় পন্ডিত।
গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল তাই বলেছেন, “যাঁরা শিশুদের শিক্ষাদানে ব্রতী তাঁরা অবিভাবকদের থেকেও অধিক সম্মানীয়। পিতামাতা আমাদের জীবনদান করেন ঠিকই। শিক্ষকরা সেই জীবনকে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন।”
করোনায় এখনো কাঁপছে বিশ্ব, কাঁপছে প্রিয় বাংলাদেশ ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত গোটা বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে নিষ্ঠুর থাবা বিরাজমান করোনা ভাইরাসের। একদিকে প্রতিদিনই যেখানে নতুন করে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে প্রতিনিয়ত ঝরছে অসংখ্য প্রাণ।মৃত্যু, আক্রান্ত ও সুস্থ হওয়ার হার ওঠানামা করলেও স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি এখন ও অনিশ্চিত। এদিকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবারে ছুটি বাড়ল ৩১ শে অক্টোবর পর্যন্ত।
এমনি পরিস্থিতিতে ৫ ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস।করোনার থাবাতে সরাসরি শিক্ষককে উপহার দেওয়া হবে না ছাত্র-ছাত্রীর। স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও হয়ত হবেনা। ছাত্র-ছাত্রী কিংবা শিক্ষকরা ও এক সঙ্গে চেঁচিয়ে ‘হ্যাপি টিচার্স ডে’ বলে চিৎকার আনন্দে বিভোর ও হবেনা।মন খারাপ নিয়ে গৃহবন্দি ছাত্র-ছাত্রী-শিক্ষকরা হয়ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে উদযাপন করবেন এবারের শিক্ষক দিবস।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের পটভূমি:
১৯৬৬ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে এবং ইউনেস্কোর তত্বাবধানে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের এক সভায় প্রতি বছর ০৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ইউনেস্কো দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে থাকে। এবার ২০২০ইং শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “শিক্ষক: সংকটে নেতৃত্ব, নতুন করে ভবিষ্যতের ভাবনা” (Teachers: Leading in crisis,reimagining the future)
বিশ্ব শিক্ষক দিবস কেন পালিত হয়?
শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সারা পৃথিবী ব্যপী বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।
বিশ্বের ১০০টি দেশে এই দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। এই দিবসটি পালনে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল (Education International – EI) ও তার সহযোগী ৪০১টি সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রাখে। ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর তারিখ বিশ্ব ব্যাপী পালিত হয়ে থাকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ২০০৩ সালে ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার অঙ্গীকার নিয়ে তৎকালীন সরকার এ দিবসটি চালু করে।এই দিবসটি শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে ইআই প্রতি বছর একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করে থাকে যা জনসচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শিক্ষকতা পেশার অবদানকেও স্মরণ করিয়ে দেয়।
শিক্ষক দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য :
নেতৃত্ব সংকট দূর করতে সরকারকে অনতিবিলম্বে যে দুটি কাজ করা উচিৎ তা হল
ক• রাষ্ট্র পরিচালনায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ২০% শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। অথচ বর্তমানে ৫০% এর ও বেশি ব্যবসায়ী জাতীয় সংসদে রাজত্ব করছেন।
খ•জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে ইউনেস্কোর নীতিমালা মোতাবেক জিডিপির ৬ থেকে ৮% বরাদ্দ নিশ্চিত করা। যা বর্তমানে জিডিপির ২.৫% এর কাছাকাছি।
শিক্ষক অধিকারের প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষকদের অধিকার , মর্যাদার এবং কর্তব্যর প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। প্রায় ১৯০ বছরের বৃটিশ শাসনামলে এবং প্রায় ২৪ বছরের পাকিস্তানী শাসনকালে শিক্ষকের মর্যাদার তেমন উচ্চাসিন হয়নি বললেই চলে।স্বাধীনতার পর থেকে আজ অবধি গত ৪৯ বছরে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষকের মর্যাদা অনেকটাই উচ্চাসীন। বাংলাদেশে এক সময় শিক্ষকদের কোন বেতনই ছিলনা।
ঐসময় শিক্ষক বলতে বুঝাতো অতিশয় ভদ্র,চোখে ভাঙা চশমা,পরনে কম দামী কুচকানো পাজামা পাঞ্জাবি কিংবা লুঙ্গি, পায়ে সাধারন জুতা কিংবা সেন্ডেল,হাতে সাধারন ছাতা কিংবা তালি দেওয়া ছাতা। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ সরকার শিক্ষকদের জন্য মাসিক পাঁচ (০৫) টাকা ভাতা চালু করে ।সেই থেকে শিক্ষকদের বেতন -ভাতা শুরু।
স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিবুর রহমান সরকার এক সাথে ৩৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ০১ লক্ষ ৬২ হাজার শিক্ষকের চাকুরী জাতীয়করণ করেছিলেন।ব্যস, তখন থেকেই শুরু। তারপর সরকারিকরন, জাতীয়করন,এমপিওভুক্তির কার্যক্রম।বিশাল পথ অতিক্রম করে শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যপক পরিবর্তন ঘটলেও এখনো শিক্ষকদের অধিকার ও কর্তব্য প্রশ্নে শিক্ষা ব্যবস্থায় আজও নানাবিধ সমস্যায় ভরপুর।
সরকারী স্কুল,মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদমর্যাদা এবং সম্মান অনেকটা উচ্চাসীন হলে ও বঞ্চিত এমপিওভুক্ত শিক্ষা খাত।যদি ও জাতীয় অর্থনীতে তাদের ভূমিকাই মূখ্য। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নে,শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদার কথা বিবেচনা করে ঐতিহাসিক মুজিব জন্মশতবর্ষেই শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ অপরিহার্য।
প্রতি বছরের মতো এবারও ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদ্যাপিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় একশত দেশে। পৃথিবীর সকল শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেসকোর ডাকে এ দিবসটি পালন হয়ে থাকে।
এ বারের বিশ্ব শিক্ষক দিবস এমন এক সময় দেশে পালিত হয়েছে যখন দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা জাতীয়করনসহ কয়েকটি দাবিতে গত প্রায় পাঁচ বছর যাবত আন্দোলন করছেন। শিক্ষকেরা আন্দোলন ও কর্মবিরতি করছেন নিজেদের দাবি দাওয়া নিয়ে।যাদের কল্যানে দেশ সন্মানিত,জাতি সন্মানিত,যাদের হাত ধরে সৃষ্টি এই দেশের নেতা-নেতৃ এবং দেশ পরিচালনার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্ণধারেরা অথচ সেই সম্মানীয় শিক্ষকগণ জাতীয়করনের জন্য,নিজেদের মর্যাদার জন্য আন্দোলন করছেন এটা আসলেই দুঃখজনক। শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় মর্যাদা ও গৌরব যেটি ,সেটি হলো তারা শিক্ষক ,তারা সকলের স্যার, সকলের গুরুজন,শ্রদ্ধার পাত্র আলোকিত আলোর দিশারী পণ্ডিত মানুষ। তারা বিদ্যাপীঠে শিক্ষা দান করেন ,জাতি তৈরি করেন ,সঠিক নেতৃত্ব তৈরি করেন এটাই তাদের মর্যাদা, এটাই তাদের মহত্ব ।
তাই শিক্ষকদের মনে রাখা জরুরি যে অন্য পেশার সুযোগ সুবিধার সাথে নিজেদের তুলনা করে নিজেদের দাবি আদায় করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাশ ,লেখাপড়া বন্ধ করে দেওয়া কোন মতেই উচিৎ হবেনা। কারন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি করে দাবি আদায় শিক্ষকদের বৈশিষ্ট্য নয়। সুশিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষকেরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। সরকারেরও উচিত শিক্ষাগুরুদের সন্মানে এই সব জ্ঞানীগুণী মানুষদের সঙ্গে বসে শিক্ষকদের চাওয়া পাওয়া সমস্যার সমাধান করা।
৫ ই অক্টোবর শিক্ষক দিবসে সব শিক্ষকদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি যারা শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রম দিচ্ছেন,আগামির সঠিক নেতৃত্ব তৈরি করছেন নিরলসভাবে ,পাঠ দিচ্ছেন, পথ দেখাচ্ছেন,স্বপ্ন দেখাচ্ছেন আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হতে , মানুষের মতো মানুষ হতে।শ্রদ্ধা জানাই আমাদের পাঠশালা, মাদ্রাসা-মক্তব,প্রাক প্রাথমিক,প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেই শিক্ষাগুরদেরকে যারা অর্থনৈতিক চিন্তা নয়,সামাজিক অবস্থান বিবেচনা নয় বরং জাতির মেরুদণ্ডকে সোজা করে রাখার নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তাই এবারের শিক্ষক দিবসে সকল স্তরের শিক্ষকদের সঠিক মূল্যায়ন এবং উপযুক্ত বেতন ভাতা, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করনের জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই।
সাথে সাথে শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনা বাদ দেওয়া,দূর্নিতি বন্ধ করা,নিয়োগ পেতে Donation বন্ধ করা এবং মেধা ভিত্তিক নিয়োগ দান করা অতিব জরুরি বোধ করি।এমনটি না হলে গরীব সাধারণ ঘরের যোগ্য প্রার্থীরা অধিকার হারাবেন সন্দেহ নাই।
অন্যদিকে শিক্ষকদের ও অনেক দায় বদ্ধতা এদেশের প্রতি, দেশ গঠনের প্রতি।
তাই এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সঠিক নেতৃত্ব তৈরি করতে একটা সময়োপযোগী ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার অঙ্গীকারে শিক্ষাগগুরুদের প্রতি কিছু পরামর্শ উপস্থাপন করলাম।
ক• শিক্ষার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা:
শিক্ষাদানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ অতিব জরুরি । কোলাহলপূর্ণ বিশৃঙ্খল পরিবেশ শিক্ষার বিষয় ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।
খ•দেহ-মনের সমন্বিত ভাষায় পাঠ দান করা:
শিক্ষক মহোদয়গনকে অবশ্যই দেহ-মনের সমন্বিত ভাষায় পাঠ দান করা জরুরি। কারণ, এতে আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব, মাহাত্ম্য ও প্রকৃতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা সঠিক ধারণা লাভে সক্ষম হবে এবং বিষয়টি ছাত্র-ছাত্রীদের অন্তরে গেঁথে যাবে।
গ•উপস্থাপনায় সাবলীল হওয়া:
শিক্ষার প্রয়োজনে শিক্ষককে অনেক সময় গল্প-ইতিহাস বলতে হয়। তবে সেটির উপস্থাপনা হতে মিষ্টি,সাবলীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে।তাতে শিক্ষার্থীরা অধিক মনোযোগী হবে ক্লাসে।
ঘ•ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট প্রশ্ন রাখা:
ক্লাস উপস্থাপনের মাঝখানে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট প্রশ্ন রাখা অতিব জরুরি।যেনো তারা প্রশ্ন করতে এবং তার উত্তর খুঁজতে অভ্যস্ত হয়। কেননা নিত্যনতুন প্রশ্ন শিক্ষার্থীকে নিত্যনতুন জ্ঞান অনুসন্ধানে উৎসাহী করে।
ঙ•আলোচ্য টপিকের গুরুত্ব সম্পর্কে স্পস্ট ধারনা দেওয়া:
আলোচ্য টপিকের গুরুত্ব সম্পর্কে স্পস্ট ধারনা দিলে শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কক্ষে অনেক বেশি মনোযোগী হবে। মনোযোগ সহকারে শিক্ষকের আলোচনা শ্রবন করবে।
চ•আগ্রহী শিক্ষার্থী নির্বাচন :
শিক্ষাদানের সময় আগ্রহী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা যেতে পারে । এতে শেখানো বিষয়টি দ্রুত ও ভালোভাবে বাস্তবায়িত হয়।
ছ•উপমা দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মনোযোগ আকর্ষন করা:
ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কোনো বিষয় স্পষ্ট ভাবে বোঝাতে উপমা পেশ করা যেতে পারে। কেননা উপমা প্রয়োগে যে কোনো বিষয় উপলদ্ধি অধিক সহজ হয়ে যায়।
জ•ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া:
শ্রেণীকক্ষে শিক্ষকের আলোচনা শুনে শিক্ষার্থীর মনে প্রশ্ন জাগতে পারে। এসব প্রশ্নের উত্তর না পেলে শিক্ষার্থীর নিকট বিষয়টি অস্পষ্ট থেকে যায়। সেজন্য প্রশ্ন করার সুযোগ পেলে এবং উত্তর পেয়ে গেলে জ্ঞানার্জনে শিক্ষার্থীরা অধিক আগ্রহী হবে।
ঝ• প্রাক্টিক্যাল বা প্রয়োগিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা :
শিক্ষার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো প্রাক্টিক্যাল বা প্রয়োগিক শিক্ষা।এতো শিক্ষার্থীর শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও রুচিবোধ তৈরি হয়।
ঞ• শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক শিক্ষা জাগ্রত করা:
নৈতিকতা জাগ্রত থাকলে মানুষ নানা অপরাধ থেকে বেঁচে যায় এবং নৈতিকতা হারিয়ে গেলে মানুষ অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
মানুষের নৈতিকতা ,বিবেক ও মনুষ্যত্ব জাগ্রত থাকলে শিক্ষার উদ্দেশ্য সফল হয় ।
ট•রেখাচিত্র/মানচিত্র/চিত্রের সাহায্যে বিষয় বিশ্লেষন করা :
শ্রোতা ও শিক্ষার্থীর স্মৃতিতে আলোচ্য টপিক রেখাপাত করতে রেখাচিত্র/মানচিত্র/চিত্রের সাহায্যে বিষয় বিশ্লেষন করা যেতে পারে। এতে আলোচ্য টপিকটি অধিকতর সহজ হবে।
ঠ•বেশি বেশি পড়তে উদ্বুদ্ধকরণ :
শিক্ষার্থীদের মেধা ও স্মৃতিশক্তির ওপর নির্ভর না করে বার বার পাঠ করতে উদ্বুদ্ধ করা জরুরি।কারন বার বার পাঠ করলে কঠিন বিষয় ও সহজে আয়ত্ব করা যায়।
ড•মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে শিক্ষাদান চালু রাখা:
মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ের মা
ধ্যমে বহু জটিল ও দুর্বোধ্য বিষয় সহজ হয়ে যায় এবং উত্তম সমাধান পাওয়া যায়।
ঢ•শুদ্ধিকরনের মাধ্যমে শিক্ষাদান :
ভুল সংশোধনের মাধ্যমে শুদ্ধিকরন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়া যেতে পারে। পরিশেষে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সারা বিশ্বের সকল শিক্ষকের
সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করি এবং চিৎকার করে বলি
Our parents gave us life and it was you who taught us how to live it. You introduced honesty, integrity, and passion to our character. Happy Teacher’s Day 2020!
লেখক-বিভাগীয় প্রধান,আয়েশা ( রা:) মহিলা অনার্স কামিল মাদ্রাসা, সদর, লক্ষীপুর।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
