রফিকুল আলম বকুল, জেলা প্রতিনিধি ঃ
মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন । বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তিনি অনেকদিন আগেই অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার কথা ছিল ।
জনাব রফিকুল ইসলাম ১৯৬৫ সালে মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । জনাব রফিকুল ইসলাম ১৯৯৩ সালে ১৪ তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক হিসাবে মেহেরপুর সরকারি কলেজে চাকরি জীবন শুরু করেন।২০০৫ সালে সহকারি অধ্যাপক, ২০১৩ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন
এক কন্যা এক পুত্র সন্তানের জনক রফিকুল ইসলাম আমলা সরকারি কলেজ, কলারোয়া সরকারি কলেজ, কোটচাঁদপুর সরকারি কলেজ, রাজশাহী কলেজেে অত্যান্ত সুনামের সাথে চাকরি করার পর ২০১৪ সালে উপাধ্যক্ষ হিসাবে মেহেরপুর সরকারি কলেজে এবং ২০১৭ সালে মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন।বর্তমানে তিনি সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
অত্যন্ত বিনয়ী ও সদালাপী হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম এর আগে ২০১৯ সালে নটিংহাম ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়াতে লিডারশিপ কোর্সে অংশ গ্রহণ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বি এন সি সি) এর সুন্দরবন রেজিমেন্টের কমিশনপ্রাপ্ত সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি মেহেরপুর জেলা রোভারের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।অত্যান্ত বিনয়ী ও সদালাপী এ শিক্ষাবিদ বিশেষ করে মেহেরপুর জেলা রোভারকে একটি কার্যকর ও ছাত্রছাত্রীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক ভুমিকা পালন করছেন ।
মেহেরপুর জেলা রোভার এর আজকের এ অবস্থানের পিছনে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের ভুমিকা অনস্বীকার্য। তিনি মেহেরপুর সরকারী কলেজে ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিন বছর উপাধ্যাক্ষ এবং ঐ সময় ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় এ কলেজের বিভিন্ন বিষয়ের অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স এর অনুমোদনে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেন । এছাড়া কলেজের সামগ্রিক উন্নয়নে তাঁর কার্যকর ভুমিকা লক্ষ্য করা গেছে । মেহেরপুর সরকারী মহিলা কলেজের উপাধ্যাক্ষ এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ থাকাকালেও তিনি তিনটি বিষয়ের অনার্স কোর্স ও দশতলা একাডেমীক ভবন অনুমোদনে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেন ।
সর্বোপরি একজন দক্ষ প্রশাসক, বিনয়ী শিক্ষক ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে পরিচিত । সরকারী মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি কলেজের সামগ্রিক পরিবেশ ও শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন । করোনা পরিস্থিতির সময় জেলায় কলেজ পর্যায়ে প্রথম তিনি অনলাইন ক্লাস ও জুম এ্যাপস এর মাধ্যমে শিক্ষাদান কার্যক্রম চালু করেন । নিয়মিত শিক্ষকদের সাথে মিটিং ও কলেজ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ।
অত্যান্ত সৎ, দক্ষ ও পরিশ্রমী এ মানুষটি জেলার নারীী শিক্ষার সবচেয়ে বড় এ প্রতিষ্ঠানটিকে শিক্ষ, সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় একটি কার্যকর ও সবচেয়ে ভাল মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন । প্রতিবছর এ প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা জেলায় শিক্ষা সপ্তাহে সংগীত, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ইভেন্টে সাফল্য অর্জন করে থাকেন যার পিছনে রফিকুল ইসলাম এর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পৃষ্টপোষকতা রয়েছে । তাঁর দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বে ও পরিচালনায় মেয়েদের এ প্রতিষ্ঠানটি জেলার শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রাখবে বলে জেলার মানুষের প্রত্যাশা।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
