বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
‘মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ কীভাবে
অংশগ্রহণ করেছিলেন?’
‘মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ কীভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন?’ একটি নমুনা উত্তর নিচে দেয়া হলো—
মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ কীভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন? এ প্রশ্নের উত্তরের সাথে আমি নিম্নোক্ত বিষয়গুলো যোগ করতে পারি—
মুক্তিযুদ্ধে বেসামরিক সর্বস্তরের জনগণ নিয়ে গড়ে উঠেছিল মুক্তিবাহিনীর অনিয়মিত বাহিনী। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে আঞ্চলিক পর্যায়ে বেশকিছু ছোট ছোট বাহিনী গড়ে উঠেছিল সাধারণ জনগণকে নিয়ে। এসব বাহিনীর মধ্যে ‘কাদেরিয়া বাহিনী’ ‘মায়া বাহিনী’ ও ‘হেমায়েত বাহিনী’ উল্লেখযোগ্য। সব বিপদ তুচ্ছ করে বাংলার অগণিত জনতা শহরে, গ্রামে যে যেভাবে পেরেছিলেন রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।
বাংলাদেশের সকল মানুষই ছিলেন স্বাধীনতার পক্ষে। তারপরও এদেশের কিছু মানুষ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্থাািন বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে। এদের কয়েকটি প্রধান সংগঠনের মধ্যে ছিল শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর ও আল-শামস। এরা পাকিস্থানি বাহিনীকে সহযোগিতার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক জনগণ ও সাধারণ মানুষের ওপর নানারকম অত্যাচার-নিপীড়ন চালাত। কিন্তু একপর্যায়ে এরা মুক্তিকামী জনতার নিকট পরাজিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে পাকিস্থানি বাহিনী কেন এদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল— শিক্ষকের সহায়তায় আলোচনা কর।
উত্তর : জ্ঞানী-গুণী ও মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তিদের বুদ্ধিজীবী বলা হয়। বুদ্ধিজীবীরা দেশের সম্পদ। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে পাকিস্থানি বাহিনী ও তাদের দোসররা যখন বুঝতে পারল তাদের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী, তখন তারা দেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা করে। এরই অংশ হিসেবে পাকিস্থানি বাহিনী ১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর থেকে ১৪ই ডিসেম্বরের মধ্যে এদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
