নিউজ ডেস্ক।।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং অ্যান্টিসেপটিক লিক্যুইডের ব্যাপক চাহিদাকে ঘিরে তৎপর হয়ে উঠেছে একটি চক্র। অধিক মুনাফার আশায় বাজারে ছাড়া হচ্ছে মানহীন নকল পণ্য।
করোনাকালীন বর্তমান সময়ে অ্যান্টিসেপটিক লিক্যুইড ‘স্যাভলনের’ স্বল্পতা প্রায় সর্বত্রই। আর এই সুযোগে হুবহু মোড়কে সামান্য নাম পরিবর্তন করে বাজারে ছাড়া হয়েছে ‘স্যালভন’ বা ‘স্যাভরন’।
বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ৫ লাখ টাকার এমন নকল অ্যান্টিসেপটিক লিক্যুইড জব্দ করেছে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)।
এ সময় র্যাব-৪ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ৪ দোকানিকে সর্বমোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামান্য নাম পরিবর্তন করে বাজারজাত করা এসব পণ্য দেখে সহজে বোঝার উপায় নেই। করোনা মহামারির সময়ে নকল এসব পণ্য ব্যবহারে গ্রাহকের উদ্দেশ্য পূরণ নয় বরং স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
র্যাব-৪ এর সিনিয়র এএসপি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে নিউমার্কেটের চারটি দোকানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত ৫ লাখ টাকার ‘স্যালভন’ এবং ‘স্যাভরন’ নামে নকল অ্যান্টিসেপটিক লিক্যুইড উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি জানান, অভিযান চালিয়ে মেসার্স জননী হার্ডওয়ার স্টোরের মালিক আকতার হোসেনকে (৩৫) ৫০ হাজার টাকা, খায়ের হার্ডওয়ার স্টোরের মালিক আবুল খায়েরকে (৫০) ১ লাখ টাকা, কুমিল্লা হার্ডওয়ার স্টোরের মালিক আবুল কালামকে (৬২) ৫০ হাজার টাকা এবং হক অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মোশারফ হোসেনকে (২৭) ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
