সারাদেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য পুস্তকে ৭ মার্চের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস অন্তুর্ভুক্তির কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এছাড়া এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের ২০০৯ সালের আদেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি ১ মাসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে নির্দেশ।
মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরর বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
এদিন একই বেঞ্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করে ১ মাসের মধ্যে গ্যাজেট নোটিফিকেশন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে প্রত্যেক জেলা উপজেলায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি যথাযথ স্থানে স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে ১ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ।
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। সুদীর্ঘকালের আপোষহীন আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৭১ সালের এ দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তদানীন্তন রেসকোর্স ময়দান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।
এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে এই মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
